শীর্ষ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হংকং মেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (এইচকেটিডিসি) বাংলাদেশের শীর্ষ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হংকং ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত বাণিজ্যমেলায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এ বাণিজ্যমেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করতে পারবে বলে মনে করছে এইচকেটিডিসি। বিশেষ করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, চা, হিমায়িত খাদ্যসহ শীর্ষস্থানীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এ সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এইচকেটিডিসির বিপণন ব্যবস্থাপক ক্যান্ডি কেওয়ান হংকংয়ে বাণিজ্য সুবিধা এবং এইচকেটিডিসি বাণিজ্যমেলার গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে এসব কথা বলেন।
উল্লেখ্য, গত এক বছরে ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যমেলার আয়োজন করেছে এইচকেটিডিসি। হংকংয়ের আন্তর্জাতিক ট্রেডিং সেন্টারে আয়োজিত এসব মেলার মধ্যে ৮টি এশিয়া ও ৩টি বিশ্বের মধ্যে সর্ববৃহত্। ক্যান্ডি কেওয়ান বলেন, বিশ্ববাণিজ্য সম্প্রসারিত করতে কাউন্সিল ২০১০ সালে এ ধরনের মেলা আয়োজন অব্যাহত রাখবে। এসব মেলার কয়েকটি বাংলাদেশী যেসব কোম্পানি নিজেদের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও এ অঞ্চলে নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করতে আগ্রহী, তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রফতানিকারক এইচকেডিটিসি আয়োজিত বাণিজ্যমেলায় অংশ নিচ্ছে উল্লেখ করে ক্যান্ডি কেওয়ান জানান, গত ৩ বছরে অংশগ্রহণের পরিমাণ প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশী কোম্পানিগুলো তাদের পণ্যের প্রচার এবং এশিয়ার বাজারে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশী ক্রেতার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের রফতানি আয়ের একটি বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। এ প্রসঙ্গে কেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য উপকরণ। বাংলাদেশী তৈরি পোশাক কোম্পানিগুলোকে এইচকেটিডিসি হংকং আন্তর্জাতিক হোম টেক্সটাইল মেলার উদ্বোধন এবং এইচকেটিডিসি হংকং বসন্ত/গ্রীষ্মকালীন ফ্যাশন সপ্তাহে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। হোম টেক্সটাইল মেলা ২০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া ১২ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য এইচকেটিডিসি চা মেলায়, ১২ থেকে ১৬ আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য খাদ্য মেলায়, ২৭ থেকে ৩০ এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং মেলায়, বৈশ্বিক পরিবেশগত বিপর্যয় বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩ থেকে ৬ নভেম্বর আয়োজিত ইকো এক্সপো এশিয়া মেলায় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। হংকংয়ের বিভিন্ন মেলা বাংলাদেশী কোম্পানিগুলোর জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করেন ক্যান্ডি কেওয়ান।
উল্লেখ্য, গত এক বছরে ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যমেলার আয়োজন করেছে এইচকেটিডিসি। হংকংয়ের আন্তর্জাতিক ট্রেডিং সেন্টারে আয়োজিত এসব মেলার মধ্যে ৮টি এশিয়া ও ৩টি বিশ্বের মধ্যে সর্ববৃহত্। ক্যান্ডি কেওয়ান বলেন, বিশ্ববাণিজ্য সম্প্রসারিত করতে কাউন্সিল ২০১০ সালে এ ধরনের মেলা আয়োজন অব্যাহত রাখবে। এসব মেলার কয়েকটি বাংলাদেশী যেসব কোম্পানি নিজেদের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও এ অঞ্চলে নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করতে আগ্রহী, তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রফতানিকারক এইচকেডিটিসি আয়োজিত বাণিজ্যমেলায় অংশ নিচ্ছে উল্লেখ করে ক্যান্ডি কেওয়ান জানান, গত ৩ বছরে অংশগ্রহণের পরিমাণ প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশী কোম্পানিগুলো তাদের পণ্যের প্রচার এবং এশিয়ার বাজারে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশী ক্রেতার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের রফতানি আয়ের একটি বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। এ প্রসঙ্গে কেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য উপকরণ। বাংলাদেশী তৈরি পোশাক কোম্পানিগুলোকে এইচকেটিডিসি হংকং আন্তর্জাতিক হোম টেক্সটাইল মেলার উদ্বোধন এবং এইচকেটিডিসি হংকং বসন্ত/গ্রীষ্মকালীন ফ্যাশন সপ্তাহে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। হোম টেক্সটাইল মেলা ২০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া ১২ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য এইচকেটিডিসি চা মেলায়, ১২ থেকে ১৬ আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য খাদ্য মেলায়, ২৭ থেকে ৩০ এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং মেলায়, বৈশ্বিক পরিবেশগত বিপর্যয় বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩ থেকে ৬ নভেম্বর আয়োজিত ইকো এক্সপো এশিয়া মেলায় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। হংকংয়ের বিভিন্ন মেলা বাংলাদেশী কোম্পানিগুলোর জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করেন ক্যান্ডি কেওয়ান।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


