আলু রফতানিতে ২০% নগদ সহায়তার প্রস্তাব
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আলু রফতানিতে নগদ সহায়তা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বর্তমানে এ খাতে নগদ সহায়তা আছে ১০ ভাগ। তা বৃদ্ধি করে ২০ শতাংশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন।
গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোঃ জসীম উদ্দিন, মেসার্স ফার্ম ফ্রেস এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী বেগম সেলিনা কাদের, মেসার্স এগ্রো কনসার্নের প্রতিনিধি, মেসার্স কবিরাজহাট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং এফবিসিসিআই’র প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, এ বছর আলুর বাম্পার ফলন হবে। আর এ কারণে রফতানির সুযোগ আছে। কিন্তু আলু পচনশীল হওয়ায় রফতানিতে নগদ সহায়তা জরুরি। বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন বলেন, আলু রফতানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থমন্ত্রণালয়ে। এটি হলে কৃষকরাই বেশি লাভবান হবেন। আলুর দর স্বাভাবিক থাকবে। রফতানি না করা গেলে কৃষকদের আলু ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে এ মুহূর্তে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং দুবাইতে আলু রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর উত্পাদিত আলুর মধ্যে ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু রফতানির সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন না এবং দেশের রফতানিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। সভায় আলু রফতানি ছাড়াও আলু প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।
উল্লেখ্য, এ বছর দেশে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৪.২৫ হেক্টর জমির বিপরীতে চাষ হয়েছে ৪.৪০ হেক্টর। আলু উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭২ লাখ মেট্রিক টনের বিপরীতে উত্পাদন ৮০ লাখ মেট্রিক টন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোঃ জসীম উদ্দিন, মেসার্স ফার্ম ফ্রেস এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী বেগম সেলিনা কাদের, মেসার্স এগ্রো কনসার্নের প্রতিনিধি, মেসার্স কবিরাজহাট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং এফবিসিসিআই’র প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, এ বছর আলুর বাম্পার ফলন হবে। আর এ কারণে রফতানির সুযোগ আছে। কিন্তু আলু পচনশীল হওয়ায় রফতানিতে নগদ সহায়তা জরুরি। বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন বলেন, আলু রফতানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থমন্ত্রণালয়ে। এটি হলে কৃষকরাই বেশি লাভবান হবেন। আলুর দর স্বাভাবিক থাকবে। রফতানি না করা গেলে কৃষকদের আলু ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে এ মুহূর্তে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং দুবাইতে আলু রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে। এবছর উত্পাদিত আলুর মধ্যে ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু রফতানির সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন না এবং দেশের রফতানিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। সভায় আলু রফতানি ছাড়াও আলু প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।
উল্লেখ্য, এ বছর দেশে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৪.২৫ হেক্টর জমির বিপরীতে চাষ হয়েছে ৪.৪০ হেক্টর। আলু উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭২ লাখ মেট্রিক টনের বিপরীতে উত্পাদন ৮০ লাখ মেট্রিক টন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


