হামলার আশঙ্কায় ভারতের তিন রাজ্যে সতর্কতা
এএফপি
ভারতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ করে কলকাতা, মুম্বাই ও ব্যাঙ্গালুরুসহ কয়েকটি প্রধান নগরীতে সতর্কতা জারি করেছে। সোমবার এ সতর্কতা জারি করে কলা হয়, সন্ত্রাসীরা এ তিন নগরীকে হামলার জন্য বেছে নিতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইন্ডিয়ান মুজাহেদিন (আইএম) সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী সালমান আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়।
হিন্দুস্তান টাইমসকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক সরকারকে তাদের নিজ নিজ শহরে সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করতে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া দিল্লির মতো অন্যান্য শহরকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সন্দেহ করা হচ্ছে, আহমেদাবাদ, বেনারস ও গোরাখপুরে একের পর এক বোমা হামলার সঙ্গে আহমেদ জড়িত ছিলেন। তিনি করাচি, কাঠমান্ডু, দুবাই ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি জায়গায় ইন্ডিয়ান মুজাহেদিনের ঘাঁটি স্থাপনের কথা জিজ্ঞাসাবাদকারীদের জানিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সালমান আহমেদ গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণকালে আইএম’র প্রতিষ্ঠাতা আমির রেজা খানের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করেন।
পাইওনিয়ার রিপোর্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা যে ধরনের সংবাদই পাই না কেন, সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের সুযোগ দিতে চাই না। তাই অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোকে সতর্ক করেছি।’ সালমান আহমেদকে ইউপি পুলিশের সন্ত্রাস দমন বিভাগ শনিবার লক্ষেষ্টৗ থেকে ৩শ’ কিলোমিটার দূরে নেপাল সীমান্তবর্তী সিদ্ধার্থনগর থেকে গ্রেফতার করে। রোববার তাকে দিল্লিতে এনে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তার জন্য আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
পুলিশ কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে পাইওনিয়ার রিপোর্টে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদ থেকে জানা গেছে আইএসআই ও লস্কর আইএম’কে সমর্থন জোগাচ্ছে। তারা ‘প্রজেক্ট করাচি’র আওতায় জেহাদীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সালমানও করাচিতে অস্ত্র ও বোমা চালানোর প্রশিক্ষণ নেয়।
জানা গেছে, সালমান ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে নেপাল থেকে পাকিস্তানে যায়। এ সফরকালে সে মোহাম্মদ ফাহাদ আনসারি নামে ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে। সালমান এ বছর ২৫ জানুয়ারি ভারতে ফিরে আসে।
পাইওনিয়ারের খবরে বলা হয়, ‘করাচি প্রজেক্ট’-এর আওতায় আইএম সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণের জন্য ভারতীয় তরুণদের পাকিস্তানে পাঠায় এবং পরে ফের ভারতে এনে তাদের নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করে।
পুলিশ সালমানের কাছ থেকে ভুয়া নেপালি পাসপোর্ট ও আন্তর্জাতিক সিমকার্ড উদ্ধারের দাবি করেছে।
হিন্দুস্তান টাইমসকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক সরকারকে তাদের নিজ নিজ শহরে সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করতে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া দিল্লির মতো অন্যান্য শহরকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সন্দেহ করা হচ্ছে, আহমেদাবাদ, বেনারস ও গোরাখপুরে একের পর এক বোমা হামলার সঙ্গে আহমেদ জড়িত ছিলেন। তিনি করাচি, কাঠমান্ডু, দুবাই ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি জায়গায় ইন্ডিয়ান মুজাহেদিনের ঘাঁটি স্থাপনের কথা জিজ্ঞাসাবাদকারীদের জানিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সালমান আহমেদ গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণকালে আইএম’র প্রতিষ্ঠাতা আমির রেজা খানের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করেন।
পাইওনিয়ার রিপোর্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা যে ধরনের সংবাদই পাই না কেন, সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের সুযোগ দিতে চাই না। তাই অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোকে সতর্ক করেছি।’ সালমান আহমেদকে ইউপি পুলিশের সন্ত্রাস দমন বিভাগ শনিবার লক্ষেষ্টৗ থেকে ৩শ’ কিলোমিটার দূরে নেপাল সীমান্তবর্তী সিদ্ধার্থনগর থেকে গ্রেফতার করে। রোববার তাকে দিল্লিতে এনে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তার জন্য আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
পুলিশ কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে পাইওনিয়ার রিপোর্টে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদ থেকে জানা গেছে আইএসআই ও লস্কর আইএম’কে সমর্থন জোগাচ্ছে। তারা ‘প্রজেক্ট করাচি’র আওতায় জেহাদীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সালমানও করাচিতে অস্ত্র ও বোমা চালানোর প্রশিক্ষণ নেয়।
জানা গেছে, সালমান ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে নেপাল থেকে পাকিস্তানে যায়। এ সফরকালে সে মোহাম্মদ ফাহাদ আনসারি নামে ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে। সালমান এ বছর ২৫ জানুয়ারি ভারতে ফিরে আসে।
পাইওনিয়ারের খবরে বলা হয়, ‘করাচি প্রজেক্ট’-এর আওতায় আইএম সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণের জন্য ভারতীয় তরুণদের পাকিস্তানে পাঠায় এবং পরে ফের ভারতে এনে তাদের নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করে।
পুলিশ সালমানের কাছ থেকে ভুয়া নেপালি পাসপোর্ট ও আন্তর্জাতিক সিমকার্ড উদ্ধারের দাবি করেছে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


