লাহোরে বোমা হামলার দায় স্বীকার তালেবানের
রয়টার্স
লাহোরে গোয়েন্দা কার্যালয়ে গাড়িবোমা হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে পাকিস্তানের তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠী। সোমবার সকালে লাহোরের ফেডারেল পুলিশ কার্যালয়ে এই হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত এবং ৭০ জন আহত হয়। পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানান, পাকিস্তানভিত্তিক তালেবানরা এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে—এমন ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। আল কায়দা সমর্থিত তালেবান পাকিস্তান সরকারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে। আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় তালেবানের বিরুদ্ধে মার্কিন চালকবিহীন বিমানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলা বন্ধ করা না হলে এ ধরনের আরও বোমা হামলা চালানো হবে বলে তালেবানরা হুশিয়ারি দিয়েছে। তালেবানের মুখপাত্র আজম তারিক অজ্ঞাত স্থান থেকে টেলিফোনে রয়টার্সকে বলেন, আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযান ও মার্কিন চালকবিহীন বিমান হামলা চলতে থাকলে এ ধরনের হামলাও অব্যাহত থাকবে।
লাহোরের প্রশাসক সাজ্জাদ ভাট জানান, গোয়েন্দা কার্যালয়ে গাড়িবোমা হামলায় প্রায় ৬০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। এই হামলার লক্ষ্যস্থল ছিল ফেডারেল পুলিশ কার্যালয়। এ বিস্ফোরক এতই শক্তিশালী ছিল যে, ঘটনাস্থল থেকে তিনশ’ মিটার দূরে একটি ভবনের বাসিন্দাও আহত হয়েছেন। তালেবানবিরোধী লড়াইয়ে বিজয়ের ঘোষণা দেয়া এবং শীর্ষস্থানীয় তালেবান নেতাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে প্রশংসিত পাকিস্তান সরকারের জন্য এ হামলা মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়ের শামিল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হাসপাতালে আহতদের চিকিত্সায় নিয়োজিত একজন চিকিত্সক জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন নারী এবং একটি শিশুও রয়েছে। বিস্ফোরণে প্রধান ফেডারেল গোয়েন্দা দফতরের সামনের রাস্তায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোয়েন্দা ভবনের সামনের অংশও ধ্বংস হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগেও এ ভবনকে লক্ষ্য করে দু’বার হামলা চালানো হয়েছিল।
লাহোরের প্রশাসক সাজ্জাদ ভাট জানান, গোয়েন্দা কার্যালয়ে গাড়িবোমা হামলায় প্রায় ৬০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। এই হামলার লক্ষ্যস্থল ছিল ফেডারেল পুলিশ কার্যালয়। এ বিস্ফোরক এতই শক্তিশালী ছিল যে, ঘটনাস্থল থেকে তিনশ’ মিটার দূরে একটি ভবনের বাসিন্দাও আহত হয়েছেন। তালেবানবিরোধী লড়াইয়ে বিজয়ের ঘোষণা দেয়া এবং শীর্ষস্থানীয় তালেবান নেতাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে প্রশংসিত পাকিস্তান সরকারের জন্য এ হামলা মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়ের শামিল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হাসপাতালে আহতদের চিকিত্সায় নিয়োজিত একজন চিকিত্সক জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন নারী এবং একটি শিশুও রয়েছে। বিস্ফোরণে প্রধান ফেডারেল গোয়েন্দা দফতরের সামনের রাস্তায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোয়েন্দা ভবনের সামনের অংশও ধ্বংস হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগেও এ ভবনকে লক্ষ্য করে দু’বার হামলা চালানো হয়েছিল।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


