শিরোপা ধরে রাখার পথে পা রেখেছে রাজশাহী
স্পোর্টস রিপোর্টার
জাতীয় ক্রিকেট লীগের পাঁচ দিনব্যাপী ফাইনালের চতুর্থ দিনশেষে এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী, যেখান থেকে অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট ট্রফি ধরে রাখার সাহসী উচ্চারণটা গতকালই করে ফেলতে পারতেন। তবে খেলাটি যেহেতু ক্রিকেট, তাই শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে কিছুই বলা যায় না। আর সে কারণেই আজ শেষ দিনটি অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে রাজশাহীকে। বিরাট কোনো অঘটন বা অলৌকিক কোনো কাণ্ড না হলে জাতীয় ক্রিকেট লীগ ২০০৯-১০ মৌসুমের শিরোপা থাকছে রাজশাহীর ঘরেই। কাল চতুর্থ দিন শেষে রাজশাহী তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে করেছে ২ উইকেটে ১৭৭ রান। এর মধ্যেই চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে তারা এগিয়ে আছে ২৪৮ রানে। আজ শেষ দিন যদি ম্যাচের সরাসরি হার-জিত নির্ধারিত নাও হয়, তাহলে লীগের দুই পর্বে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার সুবাদে চ্যাম্পিয়ন হবে রাজশাহীই। শিরোপা জিততে হলে জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই চট্টগ্রামের। কিন্তু সেই সুযোগ বাস্তবতার নিরিখে এখন ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর।
প্রথম ইনিংসে রাজশাহী লিড পায় ৭১ রানের। কারণ আগের দিনের ৬ উইকেটে ২৬৬ রান নিয়ে খেলতে নেমে চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানে অলআউট হয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে অপেক্ষাকৃত দু্রতগতিতে রান তোলার চেষ্টা করেছে রাজশাহী। ৪৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন সাব্বির ও সোহরোওয়ার্দী শুভ। ২০ রান করে চট্টগ্রামের বাঁহাতি পেসার কাজি কামরুলের বলে কিপার ইরফানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাব্বির। তারপরই ১১৬ রানের দুরন্ত জুটিটি গড়েন শুভ এবং জহুরুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ৬৮ রান করে ফয়সালের বলে ইরফানের গ্লাভসেই ধরা পড়েন শুভ। তার ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল নয়টি। সেখান থেকে বাকি দিনটুকু দলের আর কোনো ক্ষতি হতে দেননি জহুরুল এবং ফরহাদ হোসেন। ১০ চারে ৬৭ রান করে ক্রিজে রয়েছেন জহুরুল সঙ্গে ১৩ রানে ফরহাদ।
এর আগে চতুর্থ দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ২৬৬ রান নিয়ে খেলতে নেমে চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানে অলআউট হয়ে যায়। ৭২ রানে অপরাজিত থাকা মমিনুল হক নিজের স্কোরের সঙ্গে আর ১০ রান যোগ করেই ফরহাদের বলে এলবিডব্লু হয়ে যান। দলের রান তখন ২৯০। সেখান থেকে আর ১১ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে যায় চট্টগ্রাম। কেবল ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ইলিয়াস সানি। রাজশাহীর সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার সোহরোওয়ার্দী শুভ। ৭৩ রানে পেয়েছেন ৪ উইকেট। ৬২ রানে ৩ উইকেট নেন অপর বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীব।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ১ম ইনিংস : ৩৭২/১০ (জহুরুল ৫৯, শুভ ৩২, সাব্বির ৪১, নাসির ২৮, পাইলট ৫৫, আনিসুর ৫২, ধীমান ঘোষ ৬৬*; মামুন ৩/৪৪, সানি ২/৭৩, কামরুল ২/৮৪)।
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস : ৩০১/১০ (সালাউদ্দিন ১৯, মাহবুবুল ২৫, নাজিমউদ্দিন ৮০, ফয়সাল ২৮, মমিনুল ৮২, সানি ৪৬*; শুভ ৪/৭৩, সজীব ৩/৬২ )। রাজশাহী ২য় ইনিংস : ১৭৭/২ (শুভ ৬৮, জহুরুল ৬৭*; কামরুল ১/৪৮)।
প্রথম ইনিংসে রাজশাহী লিড পায় ৭১ রানের। কারণ আগের দিনের ৬ উইকেটে ২৬৬ রান নিয়ে খেলতে নেমে চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানে অলআউট হয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে অপেক্ষাকৃত দু্রতগতিতে রান তোলার চেষ্টা করেছে রাজশাহী। ৪৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন সাব্বির ও সোহরোওয়ার্দী শুভ। ২০ রান করে চট্টগ্রামের বাঁহাতি পেসার কাজি কামরুলের বলে কিপার ইরফানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাব্বির। তারপরই ১১৬ রানের দুরন্ত জুটিটি গড়েন শুভ এবং জহুরুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ৬৮ রান করে ফয়সালের বলে ইরফানের গ্লাভসেই ধরা পড়েন শুভ। তার ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল নয়টি। সেখান থেকে বাকি দিনটুকু দলের আর কোনো ক্ষতি হতে দেননি জহুরুল এবং ফরহাদ হোসেন। ১০ চারে ৬৭ রান করে ক্রিজে রয়েছেন জহুরুল সঙ্গে ১৩ রানে ফরহাদ।
এর আগে চতুর্থ দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ২৬৬ রান নিয়ে খেলতে নেমে চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানে অলআউট হয়ে যায়। ৭২ রানে অপরাজিত থাকা মমিনুল হক নিজের স্কোরের সঙ্গে আর ১০ রান যোগ করেই ফরহাদের বলে এলবিডব্লু হয়ে যান। দলের রান তখন ২৯০। সেখান থেকে আর ১১ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে যায় চট্টগ্রাম। কেবল ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ইলিয়াস সানি। রাজশাহীর সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার সোহরোওয়ার্দী শুভ। ৭৩ রানে পেয়েছেন ৪ উইকেট। ৬২ রানে ৩ উইকেট নেন অপর বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীব।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ১ম ইনিংস : ৩৭২/১০ (জহুরুল ৫৯, শুভ ৩২, সাব্বির ৪১, নাসির ২৮, পাইলট ৫৫, আনিসুর ৫২, ধীমান ঘোষ ৬৬*; মামুন ৩/৪৪, সানি ২/৭৩, কামরুল ২/৮৪)।
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস : ৩০১/১০ (সালাউদ্দিন ১৯, মাহবুবুল ২৫, নাজিমউদ্দিন ৮০, ফয়সাল ২৮, মমিনুল ৮২, সানি ৪৬*; শুভ ৪/৭৩, সজীব ৩/৬২ )। রাজশাহী ২য় ইনিংস : ১৭৭/২ (শুভ ৬৮, জহুরুল ৬৭*; কামরুল ১/৪৮)।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


