কেরানীগঞ্জে পুলিশের সহযোগিতায় কলেজ ও স্কুলের মাঠ দখল
রাকিব হোসেন কেরানীগঞ্জ
কেরানীগঞ্জে স্থানীয় এমপির নির্দেশে পুলিশের সহযোগিতায় ধলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও আবদুল মান্নান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে নিয়েছে স্থানীয় যুবলীগ। পাশাপাশি দখলকৃত জমিতে ওয়াল দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। দখলের প্রতিবাদ করায় স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে জখম ও ছাত্রছাত্রীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে। গতকাল উপজেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের মাঠ দখলের ঘনটাটি ঘটে।
স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এমএ আউয়াল জানান, ধলেশ্বর কল্যাণ ট্রাস্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে ধলেশ্বর স্কুল ও কলেজ। ট্রাস্টের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে ধলেশ্বর মৌজায় সিএসওএসএ ১৮২/৩০২ নং দাগের ৪৫ শতাংশ জমি কিনে স্কুল ও কলেজের নামে দান করা হয়। যা স্কুল- কলেজের ছাত্রছাত্রীরা খোলা মাঠ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলেজ মাঠের পাশে বুড়িগঙ্গার তীরে শাসক দলের স্থানীয় সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপুর ২৪০ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর তিনি হাউজিং প্রকল্প চালু করবেন এজন্য স্থানীয় যুব লীগ নেতা মামুন এমপির নির্দেশে ও পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার সকালে সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে কলেজ মাঠ দখল করে নেয়। দখলের পর গতকাল জমির ওপর পাকা ওয়াল তৈরি করে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে জখম করে। শিক্ষক পিটানোর প্রতিবাদে ধলেশ্বর স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মনির ছাত্রছাত্রীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে। এ ব্যাপারে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপুর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কলেজের মাঠ দখল করা হয়নি।
কলেজ মাঠের চারপাশে বাউন্ডারি ছিল না তাই ইউনিয়ন পরিষদের টাকা দিয়ে বাউন্ডারি দেয়া হচ্ছে। তিনি দখলের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি কলেজের সভাপতি, এলাকায় কলেজ। তাছাড়া আমাদের দান করা জমি ওপর কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আউয়াল তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ছাত্রছাত্রীদের ওপর লাঠিচার্জের ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে থানার এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলছে। লাঠিচার্জের মতো কোনো ঘনটাই ঘটেনি।
স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এমএ আউয়াল জানান, ধলেশ্বর কল্যাণ ট্রাস্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে ধলেশ্বর স্কুল ও কলেজ। ট্রাস্টের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে ধলেশ্বর মৌজায় সিএসওএসএ ১৮২/৩০২ নং দাগের ৪৫ শতাংশ জমি কিনে স্কুল ও কলেজের নামে দান করা হয়। যা স্কুল- কলেজের ছাত্রছাত্রীরা খোলা মাঠ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলেজ মাঠের পাশে বুড়িগঙ্গার তীরে শাসক দলের স্থানীয় সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপুর ২৪০ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর তিনি হাউজিং প্রকল্প চালু করবেন এজন্য স্থানীয় যুব লীগ নেতা মামুন এমপির নির্দেশে ও পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার সকালে সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে কলেজ মাঠ দখল করে নেয়। দখলের পর গতকাল জমির ওপর পাকা ওয়াল তৈরি করে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে জখম করে। শিক্ষক পিটানোর প্রতিবাদে ধলেশ্বর স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মনির ছাত্রছাত্রীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে। এ ব্যাপারে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ বিপুর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কলেজের মাঠ দখল করা হয়নি।
কলেজ মাঠের চারপাশে বাউন্ডারি ছিল না তাই ইউনিয়ন পরিষদের টাকা দিয়ে বাউন্ডারি দেয়া হচ্ছে। তিনি দখলের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি কলেজের সভাপতি, এলাকায় কলেজ। তাছাড়া আমাদের দান করা জমি ওপর কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আউয়াল তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ছাত্রছাত্রীদের ওপর লাঠিচার্জের ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করা হলে থানার এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলছে। লাঠিচার্জের মতো কোনো ঘনটাই ঘটেনি।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


