ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নাকাল নগরবাসী
স্টাফ রিপোর্টার
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ রাজধানীর বাসিন্দারা। প্রতিদিন রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকায় কয়েকবার বিদ্যুত্ বিভ্রাট ঘটছে। গরম আসতে না আসতেই বিদ্যুত্ বারবার যাওয়া-আসার ফলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। সরকার সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বাড়ালেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ পাচ্ছে না নগরবাসী। এ নিয়ে প্রতিদিনই হাজার অভিযোগ জমা হচ্ছে বিদ্যুত্ বিপণন ও অভিযোগ কেন্দ্রগুলোতে। এমনকি গণমাধ্যম অফিসগুলোতে অসংখ্য ব্যক্তি তাদের ভোগান্তির কথা জানিয়ে ফোন করছেন। তবে ঘন ঘন বিদ্যুত্ বিভ্রাট নিরসনে আশার কোনো বাণী শোনাতে পারছে না বিদ্যুত্ বিভাগ। বরং আগামীতে বিদ্যুত্ সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এবার গ্রীষ্মে বিদ্যুতের ঘাটতি ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় দিনে গড়ে সাত-আটবার লোডশেডিং হচ্ছে। রাতেও কয়েকবার বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করে। রামপুরার একাধিক বাসিন্দা জানান, গতকাল ওই এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২০ বার বিদ্যুত্ বিভ্রাট হয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় সেখানে বিদ্যুত্ ছিল না। পূর্ব রামপুরার বাসিন্দা মুহাম্মদ সাইদুল হাসান জানান, দিনে অসংখ্যবার লোডশেডিং হয়েছে। এ বিষয়ে খিলগাঁও জোন বিদ্যুত্ অভিযোগ কেন্দ্রের টেলিফোনে কল করা হলে কেউ রিসিভ করেননি। সদরঘাটের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, কিছু সময় বিদ্যুত্ থাকে, আবার চলে যায়। দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুত্ থাকে না। ফলে বাসার ফ্যান না চলায় শিশুরা গরমে টিকতে পারছে না। মধ্যরাতে বিদ্যুত্ বিভ্রাটের ফলে ঠিকমতো ঘুমানো যাচ্ছে না। মোটরের মাধ্যমে পানি তোলা যাচ্ছে না। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ না পাই তাহলে বিল দেব কেন? এদিকে বিদ্যুত্ না থাকায় রাজধানীর তেল ও সিএনজি স্টেশনগুলোও বিপাকে পড়েছে। স্টেশনের সামনে পড়ছে লম্বা লাইন। বাণিজ্যিক বাহনগুলোর চালকদেরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বিদ্যুত্ খাতের ওপর বিশেষ নজর দেয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবতা যেন উল্টো। বিদ্যুত্ খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় দিনে গড়ে সাত-আটবার লোডশেডিং হচ্ছে। রাতেও কয়েকবার বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করে। রামপুরার একাধিক বাসিন্দা জানান, গতকাল ওই এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২০ বার বিদ্যুত্ বিভ্রাট হয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় সেখানে বিদ্যুত্ ছিল না। পূর্ব রামপুরার বাসিন্দা মুহাম্মদ সাইদুল হাসান জানান, দিনে অসংখ্যবার লোডশেডিং হয়েছে। এ বিষয়ে খিলগাঁও জোন বিদ্যুত্ অভিযোগ কেন্দ্রের টেলিফোনে কল করা হলে কেউ রিসিভ করেননি। সদরঘাটের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, কিছু সময় বিদ্যুত্ থাকে, আবার চলে যায়। দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুত্ থাকে না। ফলে বাসার ফ্যান না চলায় শিশুরা গরমে টিকতে পারছে না। মধ্যরাতে বিদ্যুত্ বিভ্রাটের ফলে ঠিকমতো ঘুমানো যাচ্ছে না। মোটরের মাধ্যমে পানি তোলা যাচ্ছে না। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ না পাই তাহলে বিল দেব কেন? এদিকে বিদ্যুত্ না থাকায় রাজধানীর তেল ও সিএনজি স্টেশনগুলোও বিপাকে পড়েছে। স্টেশনের সামনে পড়ছে লম্বা লাইন। বাণিজ্যিক বাহনগুলোর চালকদেরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বিদ্যুত্ খাতের ওপর বিশেষ নজর দেয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবতা যেন উল্টো। বিদ্যুত্ খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


