কর্মকর্তাদের প্রেষণ ভাতা দেয়ার নীতিমালা হচ্ছে
স্টাফ রিপোর্টার
সরকারি নিয়োগবিধি অনুযায়ী প্রেষণে পূরণযোগ্য পদের কর্মকর্তারাই শুধু তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা পাবেন। নিয়োগবিধি অনুযায়ী প্রেষণে পূরণযোগ্য পদ নয় এমন পদে যদি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কোনো কর্মকর্তাকে প্রেষণে পদায়ন করে, তাহলে তিনি প্রেষণ-ভাতা পাবেন না। এমন বিধান রেখেই সামরিক-বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তাদের প্রেষণ-ভাতা প্রদানের নীতিমালা তৈরি করেছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আবদুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় প্রশাসনিক উন্নয়ন সচিব কমিটির বৈঠকে এ নীতিমালা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংত্রক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ৭ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা প্রদানে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু এই প্রজ্ঞাপনে প্রেষণে পূরণ করা কোন কোন পদের কর্মকর্তারা এই ভাতা পাবেন এটা স্পষ্ট ছিল না। পরে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় এটা স্পষ্ট করতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। নীতিমালা তৈরিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ইতোমধ্যে এই কমিটি কয়েকদফা বৈঠক করে প্রেষণ-ভাতার নীতিমালা প্রস্তুত করেছে।
নয়া নীতিমালা অনুসারে সেনাবাহিনীর কোনো কর্মকর্তাকে বেসামরিক কোনো পদে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হলে তিনি মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা পাবেন। সরকারি কোনো কর্মকর্তাকে স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রেষণে পূরণযোগ্য কোনো পদে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি এই ভাতা পাবেন। সরকারের এক মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থার কোনো কর্মকর্তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের প্রেষণে পূরণযোগ্য পদে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি প্রেষণ-ভাতা পাবেন। নিয়োগবিধিতে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়নের বিধান থাকার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কর্তৃক প্রেষণে কোনো কর্মকর্তাকে কোনো পদে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি এই ভাতা পাবেন।
এছাড়া স্ব-স্ব মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন কোনো প্রকল্পের পিপি বা ডিপিপিতে যেসব পদে প্রেষণে নিয়োগের বিধান রয়েছে এই পদে কোনো কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ প্রেষণে নিয়োগ করলে তিনি মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা পাবেন।
সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ৭ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা প্রদানে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু এই প্রজ্ঞাপনে প্রেষণে পূরণ করা কোন কোন পদের কর্মকর্তারা এই ভাতা পাবেন এটা স্পষ্ট ছিল না। পরে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় এটা স্পষ্ট করতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। নীতিমালা তৈরিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ইতোমধ্যে এই কমিটি কয়েকদফা বৈঠক করে প্রেষণ-ভাতার নীতিমালা প্রস্তুত করেছে।
নয়া নীতিমালা অনুসারে সেনাবাহিনীর কোনো কর্মকর্তাকে বেসামরিক কোনো পদে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হলে তিনি মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা পাবেন। সরকারি কোনো কর্মকর্তাকে স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রেষণে পূরণযোগ্য কোনো পদে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি এই ভাতা পাবেন। সরকারের এক মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থার কোনো কর্মকর্তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের প্রেষণে পূরণযোগ্য পদে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি প্রেষণ-ভাতা পাবেন। নিয়োগবিধিতে প্রেষণে নিয়োগ বা পদায়নের বিধান থাকার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কর্তৃক প্রেষণে কোনো কর্মকর্তাকে কোনো পদে নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে তিনি এই ভাতা পাবেন।
এছাড়া স্ব-স্ব মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন কোনো প্রকল্পের পিপি বা ডিপিপিতে যেসব পদে প্রেষণে নিয়োগের বিধান রয়েছে এই পদে কোনো কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ প্রেষণে নিয়োগ করলে তিনি মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রেষণ-ভাতা পাবেন।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


