মামলায় হেরে যাওয়ার জের : নোয়াখালীতে আইনজীবী তরুণের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী বার সমিতির সদস্য, বিএনপির সমর্থক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফউদ্দিন তরুণের বাড়িতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা দফায় দফায় হামলা-ভাংচুর, পুকুরের মাছ লুটে নেয়া ছাড়াও অর্ধ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
জানা গেছে, শনিবার, রোববার ও সোমবার রাতে ওই সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তরুণকে গত শুক্রবার বিকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির এক দিন পরও থানায় মামলা না নেয়ায় সোমবার সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তরুণের বোন ফরিদা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মামলা করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে ফয়েজ আহমেদ, জাকির হোসেন কামাল, আবুল হোসেন বাহার, বিমল মজুমদার, লিটন কুমার শীলসহ ১১-১২ জন হামলা চালিয়ে বসতঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাংচুরসহ পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যায়।
গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় তরুণের বোন ফরিদা ইয়াছমিন ও স্ত্রী নাদিয়া রহমান বার সমিতির সভাপতির চেম্বারে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, রাতে ওসি ও পুলিশ সুপারকে টেলিফোন করে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
জেলা বার সমিতির সভাপতি বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া ও বিএনপি নেতা বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল কবির বলেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আসামিদের পক্ষে যাতে কোনো আইনজীবী জামিন শুনানিতে অংশগ্রহণ না করে, সেজন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তিকৃত অ্যাডভোকেট তরুণের নিরাপত্তা না থাকায় গত সোমবার বিকালে তিনি ঢাকা চলে যান।
দীর্ঘদিন ধরে অ্যাডভোকেট তরুণের সঙ্গে প্রতিপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা চলে আসছে। ওই মামলায় তরুণের পক্ষে আদালত রায় দেন। আদালতে মামলা হেরে গিয়ে ওই সন্ত্রাসীরা জমি দখলের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এই তাণ্ডব চালায়।
জানা গেছে, শনিবার, রোববার ও সোমবার রাতে ওই সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তরুণকে গত শুক্রবার বিকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির এক দিন পরও থানায় মামলা না নেয়ায় সোমবার সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তরুণের বোন ফরিদা ইয়াছমিন বাদী হয়ে মামলা করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে ফয়েজ আহমেদ, জাকির হোসেন কামাল, আবুল হোসেন বাহার, বিমল মজুমদার, লিটন কুমার শীলসহ ১১-১২ জন হামলা চালিয়ে বসতঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাংচুরসহ পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যায়।
গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় তরুণের বোন ফরিদা ইয়াছমিন ও স্ত্রী নাদিয়া রহমান বার সমিতির সভাপতির চেম্বারে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, রাতে ওসি ও পুলিশ সুপারকে টেলিফোন করে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
জেলা বার সমিতির সভাপতি বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া ও বিএনপি নেতা বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল কবির বলেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আসামিদের পক্ষে যাতে কোনো আইনজীবী জামিন শুনানিতে অংশগ্রহণ না করে, সেজন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তিকৃত অ্যাডভোকেট তরুণের নিরাপত্তা না থাকায় গত সোমবার বিকালে তিনি ঢাকা চলে যান।
দীর্ঘদিন ধরে অ্যাডভোকেট তরুণের সঙ্গে প্রতিপক্ষের জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা চলে আসছে। ওই মামলায় তরুণের পক্ষে আদালত রায় দেন। আদালতে মামলা হেরে গিয়ে ওই সন্ত্রাসীরা জমি দখলের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এই তাণ্ডব চালায়।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


