মাটির নিচে নষ্ট হচ্ছে দুই কোটি টাকার যন্ত্রাংশ : গৌরীপুর পানি সরবরাহ প্রকল্প ১৪ বছরেও চালু হয়নি
ময়মনসিংহ ও গৌরীপুর প্রতিনিধি
সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে ২৩টি শহর পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে গৌরীপুর পৌরসভা পানি সরবরাহ প্রকল্পটি ১৪ বছরেও চালু হয়নি। মাটির নিচে নষ্ট হচ্ছে প্রায় দুই কোটি টাকার যন্ত্রাংশ। শহরের পানি সমস্যা সমাধান ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি নেয়া হলেও বাস্তবে পৌরবাসীর কোনো কাজেই লাগেনি। একযুগ পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় হতাশ শহরবাসী। প্রতি বছরই শুষ্ক মৌসুমে শহরবাসীকে পানির জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীপুর পৌরসভা পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে ২৩ শহর পানি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ১৯৯৭ সালে শেষ হয়। গৌরীপুর পৌরসভার প্রধান প্রধান বিপণি বিতান, অফিসপাড়াসহ ১৭ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, দুটি পানির ট্যাংক, পাম্প হাউস নির্মাণ করা হয়। পানি সরবরাহের আওতায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পথচারীদের জন্য দেয়া হয় মিনিকল। গৌরীপুর পৌরসভা এ প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য পাম্পচালক পদে দু’জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৭ সালে গৌরীপুর পৌরসভার কাছে প্রকল্পটির দায়িত্ব হস্তান্তর করার পর আজও চালু হয়নি। জানা যায়, প্রকল্পটি শুরুর কিছুদিন পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর এটি ত্রুটিমুক্ত করা হয়নি। ১৪ বছরেও গৌরীপুর পৌরসভার পানি সরবরাহ প্রকল্প ত্রুটিমুক্ত করতে না পারায় মাটির নিচে স্থাপিত প্রায় দুই কোটি টাকার যন্ত্রাংশ মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের অধীনে গৌরীপুর পৌরসভার দুজন কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খাতে ব্যয় নির্বাহ করতে হচ্ছে প্রতি বছর দেড় লক্ষাধিক টাকা।
এলাকাবাসী জানায়, গৌরীপুর পৌরসভা স্টেশন রোড, ইসলামাবাদ মাদ্রাসাসংলগ্ন, উত্তরবাজার, মধ্যবাজার এলাকায় নির্মিত মিনিকলগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, স্টেশন রোড ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নির্মিত পাইপগুলোয় ছিদ্র হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানির পাইপে ড্রেনের ময়লা ও শহরের পচা আবর্জনা ঢুকে পচে দুর্গন্ধ ও রাস্তার পাশে এসব পাইপ মাটির ওপরে ভেসে ওঠায় পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ১৪ বছরে গৌরীপুর পৌরসভার নাগরিকদের ট্যাক্সে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বেতন ও অন্যান্য খরচাদি পরিশোধ ও সরকারের দুই কোটি টাকা ব্যয় হলেও এ প্রকল্প থেকে পৌরবাসী এক ফোঁটা পানি সরবরাহ পায়নি।
গৌরীপুর পৌরসভার উপ-প্রকৌশলী মদন মোহন দাস জানান, ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ কাজের জন্য পানি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি
গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি জানান, বিষয়টি অবহিত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পুনঃসংস্কার করার জন্য অনুরোধসহ বারবার পত্র দিয়েছি। মেরামত করার তহবিল না থাকায় পৌরসভার পক্ষে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীপুর পৌরসভা পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে ২৩ শহর পানি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ১৯৯৭ সালে শেষ হয়। গৌরীপুর পৌরসভার প্রধান প্রধান বিপণি বিতান, অফিসপাড়াসহ ১৭ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, দুটি পানির ট্যাংক, পাম্প হাউস নির্মাণ করা হয়। পানি সরবরাহের আওতায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পথচারীদের জন্য দেয়া হয় মিনিকল। গৌরীপুর পৌরসভা এ প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য পাম্পচালক পদে দু’জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৭ সালে গৌরীপুর পৌরসভার কাছে প্রকল্পটির দায়িত্ব হস্তান্তর করার পর আজও চালু হয়নি। জানা যায়, প্রকল্পটি শুরুর কিছুদিন পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর এটি ত্রুটিমুক্ত করা হয়নি। ১৪ বছরেও গৌরীপুর পৌরসভার পানি সরবরাহ প্রকল্প ত্রুটিমুক্ত করতে না পারায় মাটির নিচে স্থাপিত প্রায় দুই কোটি টাকার যন্ত্রাংশ মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের অধীনে গৌরীপুর পৌরসভার দুজন কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খাতে ব্যয় নির্বাহ করতে হচ্ছে প্রতি বছর দেড় লক্ষাধিক টাকা।
এলাকাবাসী জানায়, গৌরীপুর পৌরসভা স্টেশন রোড, ইসলামাবাদ মাদ্রাসাসংলগ্ন, উত্তরবাজার, মধ্যবাজার এলাকায় নির্মিত মিনিকলগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, স্টেশন রোড ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নির্মিত পাইপগুলোয় ছিদ্র হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানির পাইপে ড্রেনের ময়লা ও শহরের পচা আবর্জনা ঢুকে পচে দুর্গন্ধ ও রাস্তার পাশে এসব পাইপ মাটির ওপরে ভেসে ওঠায় পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ১৪ বছরে গৌরীপুর পৌরসভার নাগরিকদের ট্যাক্সে প্রায় ২৮ লাখ টাকার বেতন ও অন্যান্য খরচাদি পরিশোধ ও সরকারের দুই কোটি টাকা ব্যয় হলেও এ প্রকল্প থেকে পৌরবাসী এক ফোঁটা পানি সরবরাহ পায়নি।
গৌরীপুর পৌরসভার উপ-প্রকৌশলী মদন মোহন দাস জানান, ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ কাজের জন্য পানি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি
গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি জানান, বিষয়টি অবহিত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পুনঃসংস্কার করার জন্য অনুরোধসহ বারবার পত্র দিয়েছি। মেরামত করার তহবিল না থাকায় পৌরসভার পক্ষে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


