Amardesh
আজঃ ঢাকা, বুধবার ১০ মার্চ ২০১০, ২৬ ফাল্গুন ১৪১৬, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

পটুয়াখালীর শৌলা বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে মানুষ

জাকারিয়া হৃদয় পটুয়াখালী
পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের শৌলা খালের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে মজবুত বাঁধ নির্মাণের দাবিতে গত সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস ঘেরাও করে। জানা গেছে, লোহালিয়া ও কমলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ এলাকার কয়েক হাজার নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস ঘেরাও করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একই দাবিতে এলাকার দু’শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী ওই খালের পাড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। খালটির দু’পাড়ের লোহালিয়া ও কমলাপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখানকার ১০টি গ্রামের শতাধিক হেক্টর জমির ফসল বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে শৌলা খালে উপযুক্ত বাঁধ নির্মাণের দাবি জানায়। উভয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এতে নেতৃত্ব দেন। এলাকাবাসী জানায়, বাধ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা, ফসলের ক্ষেত ও ঘরবাড়ি। অনেকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের দাবি, তদন্ত করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে শৌলা খালটিতে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা। লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মশিউর রহমান রেজা ও কমলাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনির হোসেন মৃধা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের গাফিলতি ও দুর্নীতির কারণে দু’বছর আগে এ বাঁধটি নির্মিত হলেও কাজ যথাযথভাবে না হওয়ায় বাঁধ টিকছে না। বর্ষা এলেই স্রোতের তোড়ে বাঁধটি ভেঙে যায়। ফলে বাঁধভাঙা পানির তোড়ে ক্ষতি হচ্ছে কৃষকের বাড়িঘর, জমি-জিরাতের। আশপাশের ১০ গ্রামের কৃষকদের কয়েকশ’ হেক্টর জমিতে রবিশস্যসহ ফসল চাষাবাদ ব্যাহত হয়।
একই খালের ওপর পটুয়াখালী-বাউফল সড়কে নির্মিত বেইলি সেতুটি ধসে পড়ায় মারাত্মক ঝুঁকি ও দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছে ৩টি উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ। বাঁধটি না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাঁধ নির্মাণে ঠিকাদার ব্যর্থ হয়েছেন। এজন্য বিলও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে নতুন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে বলে তিনি বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস দেন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?