শেরপুরে পানির অভাবে ৩৫ হাজার একর জমি অনাবাদি
শাহরিয়ার মিল্টন শেরপুর
জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ ও পাহাড়ি অঞ্চলে প্রয়োজনীয় গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হলে এলাকার ৩৫ হাজার একর অনাবাদি জমি ইরি-বোরো চাষের আওতায় আসবে। একটি রাবার ড্যামের অভাবে ঝিনাইগাতী থেকে উত্তর কোয়ারী রোডের এক পাশে সেচের মাধ্যমে পূর্ব দিকে দেখা যায় ইরি-বোরো ধানের সমারোহ আর পশ্চিম দিকে অনাবাদি জমি। সেচের অভাবে শুধু এসব জমিই নয়, গোটা উপজেলায় চাষযোগ্য হাজার হাজার একর জমি বছরের পর বছর থাকছে অনাবাদি। আবাদযোগ্য এসব পাহাড়ি জমি সেচের আওতায় এনে বছরে কোটি কোটি টাকার অতিরিক্ত ফসল উত্পাদন করা সম্ভব।
সরকারের উদ্যোগ ও পরিকল্পনার অভাবে এখানে কৃষি তথা কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন হচ্ছে না। কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানোর বিপুল সম্ভবনা থাকা সত্ত্বেও সেচের অভাবে প্রতি বছর উপজেলার নলকুড়া, শালচূড়া, ডাকাবর, ডেফলাই, সন্ধ্যাকুড়া, গোমড়া, হলদিগ্রাম, রাংটিয়া, জারুলতলা, মানিককুড়া, ভারুয়া, গোসাইকুড়া, মরিয়মনগর, বন্ধভাটপাড়া, গজারিকুড়া, দুধনই, টিলাপাড়া, দীঘিরপাড়, প্রতাবনগর, নয়াগাঁও, মোল্লাপাড়া, খৈলকুড়া, বনগাঁওসহ গোটা উপজেলায় প্রতি বছর প্রায় ৩৫ হাজার একর জমি সেচের আওতায় না আসায় কমপক্ষে ৫ কোটি টাকার অতিরিক্ত ধান উত্পাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলার ৫৭ হাজার ৮০ একর জমির মধ্যে ১৬ হাজার ৩শ একর জমি আবাদি। সেচের ব্যবস্থা করতে পারলে আরও ৩৫ হাজার একর জমি চাষের আওতায় আসবে। এতে এলাকার হাজার হাজার কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি দেশ অর্জন করবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা।
সরকারের উদ্যোগ ও পরিকল্পনার অভাবে এখানে কৃষি তথা কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন হচ্ছে না। কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানোর বিপুল সম্ভবনা থাকা সত্ত্বেও সেচের অভাবে প্রতি বছর উপজেলার নলকুড়া, শালচূড়া, ডাকাবর, ডেফলাই, সন্ধ্যাকুড়া, গোমড়া, হলদিগ্রাম, রাংটিয়া, জারুলতলা, মানিককুড়া, ভারুয়া, গোসাইকুড়া, মরিয়মনগর, বন্ধভাটপাড়া, গজারিকুড়া, দুধনই, টিলাপাড়া, দীঘিরপাড়, প্রতাবনগর, নয়াগাঁও, মোল্লাপাড়া, খৈলকুড়া, বনগাঁওসহ গোটা উপজেলায় প্রতি বছর প্রায় ৩৫ হাজার একর জমি সেচের আওতায় না আসায় কমপক্ষে ৫ কোটি টাকার অতিরিক্ত ধান উত্পাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলার ৫৭ হাজার ৮০ একর জমির মধ্যে ১৬ হাজার ৩শ একর জমি আবাদি। সেচের ব্যবস্থা করতে পারলে আরও ৩৫ হাজার একর জমি চাষের আওতায় আসবে। এতে এলাকার হাজার হাজার কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি দেশ অর্জন করবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

