বাগেরহাটে এসিড সন্ত্রাস মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে গণঅনশন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের এসিডদগ্ধ নাসিমাকে আসামি কর্তৃক হয়রানি বন্ধ এবং এসিড নিক্ষেপের মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠন গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করেছে। পরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজম খান অনশনস্থলে উপস্থিত হয়ে দাবি পূরণে প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে অনশন ভঙ্গ করান। ২০০২ সালের ২১ আগস্ট গভীর রাতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে নাসিমা বেগমের ওপর এসিড ছোড়া হয়। এসিডে তার মুখ-গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়। এ ঘটনায় তিনি ২৩ আগস্ট একই এলাকার ছুটে শেখ, মুসা শেখ ও হাফিজুর রহমান নামে তিনজনের নাম উল্লেখ করে বাগেরহাট থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই তিনজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
অনশনস্থলে উপস্থিত এসিড হামলার শিকার নাসিমা জানান, তার দায়ের করা মামলাটি এখন বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। মামলার তিন আসামি জামিনে রয়েছেন। তারা নাসিমাকে ভয়ভীতি, হুমকি, নির্যাতনসহ মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। আসামিদের ভয়ে গত দুই মাস ধরে নাসিমা নিজ বাড়ি ছেড়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত গণঅনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলো হচ্ছে মহিলা পরিষদ, আমরাই পারি জেলা জোট, শাপলা ফুল প্রভৃতি।
, রূপান্তর, অগ্রযাত্রা, বাঁধন, দীপ, শেড বাংলাদেশ, আস বাংলাদেশ, উদয়ন মহিলা সমিতি, শেলটার, আশার আলো, উদয়ন ও সিডিপি।
বাগেরহাট এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি রেহানা পারভীন লাকি জানান, আট বছর ধরে নাসিমার ওপর এসিড নিক্ষেপের মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। নাসিমা গত আট বছর ধরে সুবিচারের আশায় আদালতসহ বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কিন্তু বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিরা মামলাটি দীর্ঘায়িত করে চলেছে। মামলার রায়ে কী হবে আমরা জানি না। আমরা শুধু চাই দ্রুত মামলাটির নিষ্পত্তি হোক। নাসিমার ওপর হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ হোক।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজম খান জানান, নাসিমার ওপর এসডি নিক্ষেপের মামলাটিতে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি রয়েছে। আসামিরা মামলাটি রাজনৈতিক মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে তা প্রত্যাহার করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। মামলাটি এখন জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
অনশনস্থলে উপস্থিত এসিড হামলার শিকার নাসিমা জানান, তার দায়ের করা মামলাটি এখন বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। মামলার তিন আসামি জামিনে রয়েছেন। তারা নাসিমাকে ভয়ভীতি, হুমকি, নির্যাতনসহ মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। আসামিদের ভয়ে গত দুই মাস ধরে নাসিমা নিজ বাড়ি ছেড়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত গণঅনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলো হচ্ছে মহিলা পরিষদ, আমরাই পারি জেলা জোট, শাপলা ফুল প্রভৃতি।
, রূপান্তর, অগ্রযাত্রা, বাঁধন, দীপ, শেড বাংলাদেশ, আস বাংলাদেশ, উদয়ন মহিলা সমিতি, শেলটার, আশার আলো, উদয়ন ও সিডিপি।
বাগেরহাট এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি রেহানা পারভীন লাকি জানান, আট বছর ধরে নাসিমার ওপর এসিড নিক্ষেপের মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। নাসিমা গত আট বছর ধরে সুবিচারের আশায় আদালতসহ বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কিন্তু বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিরা মামলাটি দীর্ঘায়িত করে চলেছে। মামলার রায়ে কী হবে আমরা জানি না। আমরা শুধু চাই দ্রুত মামলাটির নিষ্পত্তি হোক। নাসিমার ওপর হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ হোক।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজম খান জানান, নাসিমার ওপর এসডি নিক্ষেপের মামলাটিতে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি রয়েছে। আসামিরা মামলাটি রাজনৈতিক মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে তা প্রত্যাহার করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। মামলাটি এখন জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

