সোনালী ব্যাংকের এমডি পদের জন্য ৫ কোটি টাকার তদবির বাণিজ্য
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী পদে নিয়োগ পেতে জোর তদবির শুরু হয়েছে। এ পদে পছন্দের লোককে নিয়োগ পাইয়ে দিতে এখন পর্যন্ত তার ব্যবসায়ী অনুসারীরা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত দর হেঁকেছে। এছাড়াও সরকার দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও এ পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসাতে জোর তত্পরতা চালাচ্ছেন।
জানা গেছে, এখন পর্যন্ত চারজনের নাম প্রধানমন্ত্রীর দফতরে গেলেও নিয়োগ পেতে আরও দু’জন মাঠে নেমেছেন। একদিকে সমর্থক ব্যবসায়ীদের টাকা আর অন্যদিকে লবিং-তদবিরে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হন এটাই এখন ব্যাংকিং সেক্টরের আলোচিত বিষয়।
জানা গেছে, এ পদে নিয়োগ পেতে অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি নিজেদের একান্ত অনুগত কাউকে নিয়োগ দেয়া হবে। বিশেষ করে ব্যাংকের বোর্ডের ক’জন কর্মকর্তা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এ জাতীয় নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। সদ্য বিদায় নেয়া এমডি দলীয় অনুগত, সত্, দক্ষ হলেও বোর্ডের আজ্ঞাবহ না হওয়ায় পুনর্নিয়োগ পাননি।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে দু’বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া এমডি এসএ চৌধুরীর চাকরির মেয়াদ শেষ হবার পর দেশের এ শীর্ষ ব্যাংকের ডিএমডি-১ কাজী ফখরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে এমডি পদে স্থায়ী নিয়োগ দিতে ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ থেকে চারজনের একটি তালিকা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ তালিকা এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আছে। এ তালিকায় রয়েছেন কৃষি ব্যাংকের বর্তমান এমডি মোখতার হোসেন, নবগঠিত বিডিবিএল-এর এমডি মিজানুর রহমান, আইসিবির এমডি হুমায়ুন কবীর এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকের এমডি ইউসুফ আলী। এছাড়াও এ তালিকার বাইরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত এমডি কাজী ফখরুল ইসলাম এবং ডিএমডি-২ প্রদীপ দত্ত।
জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের বড় একটি গ্রুপ তাদের পছন্দের একজনকে এমডি পদে বসাতে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা দর উঠিয়েছেন। অন্যদিকে বাকিদের ক্ষেত্রেও টাকা বা ক্ষমতাধর গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যাংকারদের তিনজনই সোনালী ব্যাংকের ব্যাংকার হওয়ায় তাদের সবাই নিজেকে দক্ষ ও অভিজ্ঞ বলে দাবি করেছেন।
এদিকে এমডি পদে নিয়োগ ও সোনালী ব্যাংকের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে বেনামে কয়েকটি প্রচারপত্র বিলি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এমডি বিদায় নেবার পর পর্ষদ তড়িঘড়ি করে কয়েকটি ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। পাশাপাশি ব্যাংকের আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন করে ফেলে।
জানা গেছে, এখন পর্যন্ত চারজনের নাম প্রধানমন্ত্রীর দফতরে গেলেও নিয়োগ পেতে আরও দু’জন মাঠে নেমেছেন। একদিকে সমর্থক ব্যবসায়ীদের টাকা আর অন্যদিকে লবিং-তদবিরে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হন এটাই এখন ব্যাংকিং সেক্টরের আলোচিত বিষয়।
জানা গেছে, এ পদে নিয়োগ পেতে অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি নিজেদের একান্ত অনুগত কাউকে নিয়োগ দেয়া হবে। বিশেষ করে ব্যাংকের বোর্ডের ক’জন কর্মকর্তা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এ জাতীয় নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। সদ্য বিদায় নেয়া এমডি দলীয় অনুগত, সত্, দক্ষ হলেও বোর্ডের আজ্ঞাবহ না হওয়ায় পুনর্নিয়োগ পাননি।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে দু’বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া এমডি এসএ চৌধুরীর চাকরির মেয়াদ শেষ হবার পর দেশের এ শীর্ষ ব্যাংকের ডিএমডি-১ কাজী ফখরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে এমডি পদে স্থায়ী নিয়োগ দিতে ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ থেকে চারজনের একটি তালিকা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ তালিকা এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আছে। এ তালিকায় রয়েছেন কৃষি ব্যাংকের বর্তমান এমডি মোখতার হোসেন, নবগঠিত বিডিবিএল-এর এমডি মিজানুর রহমান, আইসিবির এমডি হুমায়ুন কবীর এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকের এমডি ইউসুফ আলী। এছাড়াও এ তালিকার বাইরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত এমডি কাজী ফখরুল ইসলাম এবং ডিএমডি-২ প্রদীপ দত্ত।
জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের বড় একটি গ্রুপ তাদের পছন্দের একজনকে এমডি পদে বসাতে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা দর উঠিয়েছেন। অন্যদিকে বাকিদের ক্ষেত্রেও টাকা বা ক্ষমতাধর গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যাংকারদের তিনজনই সোনালী ব্যাংকের ব্যাংকার হওয়ায় তাদের সবাই নিজেকে দক্ষ ও অভিজ্ঞ বলে দাবি করেছেন।
এদিকে এমডি পদে নিয়োগ ও সোনালী ব্যাংকের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে বেনামে কয়েকটি প্রচারপত্র বিলি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এমডি বিদায় নেবার পর পর্ষদ তড়িঘড়ি করে কয়েকটি ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। পাশাপাশি ব্যাংকের আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন করে ফেলে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


