পরিবেশ বিপর্যয় রোধে বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না : অর্থমন্ত্রী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে কারিগরি ও অর্থ সহায়তা পাওয়া গেলেও বড় ধরনের কোনো বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণকারী চামড়া শিল্পের জন্য সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েও কোনো রকম বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল চতুর্থ গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটিজের (জিইএফ) সাউথ এশিয়া কনসিটিউয়েন্সি সভা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দু’দিনব্যাপী আয়োজিত সাউথ এশিয়া কনসিটিউয়েন্সি সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং বিশ্ব ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জিইএফের কাউন্সিল মেম্বার পুলক চ্যাটার্জি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া। সভায় বাংলাদেশসহ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে কারিগরি ও অর্থ সহায়তা পাওয়া গেলেও বড় ধরনের কোনো বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণকারী চামড়া শিল্পের জন্য সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েও কোনো রকম বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৮শ’ বায়ু দূষণকারী শিল্পকে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে না এখনও। এর কারণ হিসেবে শিল্প মালিকরা বলছেন বিনিয়োগে অপারগতার কথা।
রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দু’দিনব্যাপী আয়োজিত সাউথ এশিয়া কনসিটিউয়েন্সি সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং বিশ্ব ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জিইএফের কাউন্সিল মেম্বার পুলক চ্যাটার্জি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া। সভায় বাংলাদেশসহ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে কারিগরি ও অর্থ সহায়তা পাওয়া গেলেও বড় ধরনের কোনো বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণকারী চামড়া শিল্পের জন্য সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েও কোনো রকম বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৮শ’ বায়ু দূষণকারী শিল্পকে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে না এখনও। এর কারণ হিসেবে শিল্প মালিকরা বলছেন বিনিয়োগে অপারগতার কথা।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


