সাত শিবির কর্মীর রিমান্ড বাতিল : জামিন মঞ্জুর
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে গ্রেফতারকৃত ৭ শিবির কর্মীর বিরুদ্ধে রিমান্ড বাতিল করে জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল বিকালে মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম কোর্ট) বিচারক মোমিনুল হাসান ৭ কর্মীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গতকাল দুপুরে পুলিশ গ্রেফতারকৃত শিবির কর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ এনে আদালতে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রলীগ নেতকর্মীরা ওই হলের জামিন পাওয়া ৭ শিবির কর্মীকে তাদের রুম থেকে ধরে নিয়ে ২১৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরা হলো হলের ৪০৪ নম্বর কক্ষের মাহমুদুর রহমান নকীব (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্টাডিজ, ২য় বর্ষ), ১১৭ নম্বর কক্ষের মোস্তাক আহমেদ সাব্বির (বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব, ২য় বর্ষ), একই রুমের মনিরউদ্দিন সাইফুল (আরবি, ২য় বর্ষ), ৩১৩ নম্বর কক্ষের শাহ আলম (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মাস্টার্স), ১১৩ নম্বর কক্ষের নাসির উদ্দিন (সমাজবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ), ৩১৪ নম্বর কক্ষের মুহাম্মদ আবদুল্লাহ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ) ও মুহাম্মদ সাগর (ব্যাংকিং, ৩য় বর্ষ)।
রাত তিনটার দিকে হল ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নবীরুজ্জামান বাবু প্রভোস্টকে জানায়, ৭ শিবির কর্মীকে হলের ছাদ থেকে মিটিং করা অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তারা অপতত্পরতার সঙ্গে যুক্ত। তাদের কাছে একটি ডায়েরি, একটি ফোন বুক ও একটি গ্রুপ ছবি পাওয়া গেছে। প্রভোস্ট হলে না এসে ছাত্রলীগের কথামতো পুলিশকে খবর দেয়। রাত সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ এসে ২১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতের মধ্যে সাগর গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে আগেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাকে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া জিয়া হলের ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে আবদুল ওহাব (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ) এক শিবির কর্মীকে হল ছাত্রলীগ সভাপতি জিকুর রুমে ধরে নির্যাতন করা হয়। তাকেও ওই রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে। তবে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত ৮ শিবির কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। ছাত্রলীগ হল সভাপতি শাহীন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নবীরুজ্জামান বাবু দাবি করেছে, তারা গভীর রাতে হলের ছাদে মিটিং করছিল। টের পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের আটক করে প্রভোস্টকে খবর দেয়। শিবির কর্মীরা বলেছে, তাদের গভীর রাতে রুম থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। কর্মীরা তাদের সেলফোন ও টাকা পয়সা লুট করে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট বায়তুল্লাহ কাদেরীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গতকাল দুপুরে পুলিশ গ্রেফতারকৃত শিবির কর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ এনে আদালতে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রলীগ নেতকর্মীরা ওই হলের জামিন পাওয়া ৭ শিবির কর্মীকে তাদের রুম থেকে ধরে নিয়ে ২১৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরা হলো হলের ৪০৪ নম্বর কক্ষের মাহমুদুর রহমান নকীব (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্টাডিজ, ২য় বর্ষ), ১১৭ নম্বর কক্ষের মোস্তাক আহমেদ সাব্বির (বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব, ২য় বর্ষ), একই রুমের মনিরউদ্দিন সাইফুল (আরবি, ২য় বর্ষ), ৩১৩ নম্বর কক্ষের শাহ আলম (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মাস্টার্স), ১১৩ নম্বর কক্ষের নাসির উদ্দিন (সমাজবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ), ৩১৪ নম্বর কক্ষের মুহাম্মদ আবদুল্লাহ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ) ও মুহাম্মদ সাগর (ব্যাংকিং, ৩য় বর্ষ)।
রাত তিনটার দিকে হল ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নবীরুজ্জামান বাবু প্রভোস্টকে জানায়, ৭ শিবির কর্মীকে হলের ছাদ থেকে মিটিং করা অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তারা অপতত্পরতার সঙ্গে যুক্ত। তাদের কাছে একটি ডায়েরি, একটি ফোন বুক ও একটি গ্রুপ ছবি পাওয়া গেছে। প্রভোস্ট হলে না এসে ছাত্রলীগের কথামতো পুলিশকে খবর দেয়। রাত সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ এসে ২১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতের মধ্যে সাগর গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে আগেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাকে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া জিয়া হলের ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে আবদুল ওহাব (রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ) এক শিবির কর্মীকে হল ছাত্রলীগ সভাপতি জিকুর রুমে ধরে নির্যাতন করা হয়। তাকেও ওই রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে। তবে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত ৮ শিবির কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। ছাত্রলীগ হল সভাপতি শাহীন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নবীরুজ্জামান বাবু দাবি করেছে, তারা গভীর রাতে হলের ছাদে মিটিং করছিল। টের পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের আটক করে প্রভোস্টকে খবর দেয়। শিবির কর্মীরা বলেছে, তাদের গভীর রাতে রুম থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। কর্মীরা তাদের সেলফোন ও টাকা পয়সা লুট করে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট বায়তুল্লাহ কাদেরীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


