বিডিআর সপ্তাহে বিশেষ দরবার : প্রধানমন্ত্রী দক্ষভাবে বিদ্রোহ মোকাবিলা করেছেন : ডিজি
স্টাফ রিপোর্টার
বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম পিলখানায় গত বছরের বিদ্রোহের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেদিন দরবারে যারা ছিল তারা দুর্বলচিত্তের। তারা সক্রিয় হলে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতো না। ওই ঘটনা জাতির কাছে আমাদের ছোট করে দিয়েছে। এই বাহিনীকেও ছোট করেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ক্ষতচিহ্ন আমাদের কাঁধে রয়েই যাবে। গতকাল সকালে পিলখানায় দরবার হলের পাশের মাল্টিপারপাস ট্রেনিং শেডে রাইফেলস সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ দরবারে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে গতকাল দিনব্যাপী অনাড়ম্বর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন বিডিআর মহাপরিচালক মইনুল। দরবারে বক্তব্য দেয়ার পর জেনারেল মইনুল চোরাচালান দমনে দক্ষতার জন্য সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, এত মৃত্যুর পরে কোনো দাবি পূরণ হয় না। সন্ত্রাস করে কেউ কখনও দাবি আদায় করতে পারে না। সেদিন সবাই ভুল করেছিল। তারা মনে করেছিল, বোকার রাজ্যে বাস করছি। হত্যা, লাশ গুম করে কেউ পার পেয়ে যাবে—গণতান্ত্রিক দেশে এটা অসম্ভব।
বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারিও একইভাবে দরবার শুরু হয়। সৈনিকরা সেখানে ‘জাগো’ বলে দরবার হল ত্যাগ করে। তারা যদি সেদিন ওভাবে চলে না যেত তাহলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতো না। বিডিআর বিদ্রোহ গণতান্ত্রিকভাবে দমন হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহের বিচার সম্পর্কে তিনি বলেন, অনেকেই সত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমাদের একটাই কথা, শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। বিডিআরের ভেতরে বসে জুয়া খেলবে, তা হবে না। এমন হলে তাকে জেলে পাঠিয়ে পরে বাড়ি পাঠানো হবে।
এক বছর আগের বিদ্রোহের ক্ষতচিহ্ন নিয়েও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে দাবি করে মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীতে পরিণত হবে। এক বছর আগের রক্তক্ষয়ী বিদ্রোহে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, অপরাধীরা পার পাবে না। তবে নিরপরাধী কেউ যেন শাস্তি না পায়, সেদিকেও সজাগ থাকতে হবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবার রাইফেলস সপ্তাহের সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, একদিনেই তিনটি পর্বের মাধ্যমে সপ্তাহ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা একটি ভুলের মাশুল দিচ্ছি। প্রতিবার বিডিআরের দরবার হতো জাঁকজমকের সঙ্গে। কিন্তু এবার তা আমরা করতে পারছি না। সীমান্তে সাম্প্রতিক কিছু গোলযোগের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, সীমান্তের কিছু ঘটনায় সবাই ভাবছে বিডিআর দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু বিডিআর মোটেও দুর্বল নয়, এতবড় একটা ঘটনার পরও বিডিআর ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে। সাধারণ মানুষের আস্থাও ফিরে আসছে। বিদ্রোহের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে বিডিআরের নতুন নাম বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) নীতিগত অনুমোদন করেছে সরকার। পরিবর্তন আসছে পোশাকেও। তিনি বলেন, সেদিন বিদ্রোহ পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গেই মোকাবিলা করেছেন। অন্যথায় আরও প্রাণহানি হতে পারত।
জওয়ানদের উদ্দেশে বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, আমাদের নতুন শপথ নিতে হবে। আমরা নতুন, আমরা এক, আমরা বলীয়ান—এই মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। হতে হবে সুশৃঙ্খল, সুশৃঙ্খল এবং সুশৃঙ্খল। বিদ্রোহের ন্যায়সঙ্গত বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, সাক্ষ্য যথাযথভাবে পাওয়া গেলে নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাবে। মেজর জেনারেল মইনুল বলেন, বিদ্রোহের পর অনেক আবাসিক স্থান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছিল। আশা করা হয়েছিল, সেসব পরিবারের সদস্যরা এসে জানাবে কারা এগুলো এনেছিল। কিন্তু সে বিষয়ে কেউ সাক্ষ্য দিতে আসছেন না।
গতকাল সকাল ১১টায় বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম মাল্টিপারপাস ট্রেনিং শেডের সামনে পৌঁছার পর বিউগল বাজিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি সরাসরি মঞ্চে এসে তার নির্ধারিত আসনে বসেন। তার পাশে আসন নেন বিডিআরের উপ-মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওবায়দুল হক। এ সময় হলে ৮৫০ জন জওয়ানসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারিও একইভাবে দরবার শুরু হয়। সৈনিকরা সেখানে ‘জাগো’ বলে দরবার হল ত্যাগ করে। তারা যদি সেদিন ওভাবে চলে না যেত তাহলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতো না। বিডিআর বিদ্রোহ গণতান্ত্রিকভাবে দমন হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহের বিচার সম্পর্কে তিনি বলেন, অনেকেই সত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমাদের একটাই কথা, শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। বিডিআরের ভেতরে বসে জুয়া খেলবে, তা হবে না। এমন হলে তাকে জেলে পাঠিয়ে পরে বাড়ি পাঠানো হবে।
এক বছর আগের বিদ্রোহের ক্ষতচিহ্ন নিয়েও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে দাবি করে মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীতে পরিণত হবে। এক বছর আগের রক্তক্ষয়ী বিদ্রোহে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, অপরাধীরা পার পাবে না। তবে নিরপরাধী কেউ যেন শাস্তি না পায়, সেদিকেও সজাগ থাকতে হবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবার রাইফেলস সপ্তাহের সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, একদিনেই তিনটি পর্বের মাধ্যমে সপ্তাহ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা একটি ভুলের মাশুল দিচ্ছি। প্রতিবার বিডিআরের দরবার হতো জাঁকজমকের সঙ্গে। কিন্তু এবার তা আমরা করতে পারছি না। সীমান্তে সাম্প্রতিক কিছু গোলযোগের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, সীমান্তের কিছু ঘটনায় সবাই ভাবছে বিডিআর দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু বিডিআর মোটেও দুর্বল নয়, এতবড় একটা ঘটনার পরও বিডিআর ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে। সাধারণ মানুষের আস্থাও ফিরে আসছে। বিদ্রোহের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে বিডিআরের নতুন নাম বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) নীতিগত অনুমোদন করেছে সরকার। পরিবর্তন আসছে পোশাকেও। তিনি বলেন, সেদিন বিদ্রোহ পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গেই মোকাবিলা করেছেন। অন্যথায় আরও প্রাণহানি হতে পারত।
জওয়ানদের উদ্দেশে বিডিআর মহাপরিচালক বলেন, আমাদের নতুন শপথ নিতে হবে। আমরা নতুন, আমরা এক, আমরা বলীয়ান—এই মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। হতে হবে সুশৃঙ্খল, সুশৃঙ্খল এবং সুশৃঙ্খল। বিদ্রোহের ন্যায়সঙ্গত বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, সাক্ষ্য যথাযথভাবে পাওয়া গেলে নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাবে। মেজর জেনারেল মইনুল বলেন, বিদ্রোহের পর অনেক আবাসিক স্থান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছিল। আশা করা হয়েছিল, সেসব পরিবারের সদস্যরা এসে জানাবে কারা এগুলো এনেছিল। কিন্তু সে বিষয়ে কেউ সাক্ষ্য দিতে আসছেন না।
গতকাল সকাল ১১টায় বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম মাল্টিপারপাস ট্রেনিং শেডের সামনে পৌঁছার পর বিউগল বাজিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি সরাসরি মঞ্চে এসে তার নির্ধারিত আসনে বসেন। তার পাশে আসন নেন বিডিআরের উপ-মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওবায়দুল হক। এ সময় হলে ৮৫০ জন জওয়ানসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


