চমেক হাসপাতালে এক্সরে ফিল্ম সঙ্কট : রোগীদের দুর্ভোগ
চমেক প্রতিনিধি
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্সরে কার্যক্রম। এক্সরে ফিল্মের সঙ্কটের কারণে এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হাসপাতালের সুলভমূল্যের চিকিত্সাসেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। চট্টগ্রাম অঞ্চলের সর্ববৃহত্ সরকারি এ হাসপাতালের এমন অব্যবস্থাপনায় রোগীদের দুর্ভোগ এখন চরমে। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন শত শত রোগীকে বাইরে এক্সরে করতে হচ্ছে। ফিল্মের অভাবে দীর্ঘ ১ মাস ধরে এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ১৭শ’ থেকে ২১শ’ রোগী ভর্তি থাকে। প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর এক্সরে করতে হয়ী বেশিরভাগ রোগী আসে দুর্ঘটনা ও মারামারিতে আহত হয়ে। মাত্র ৭০ টাকায় বড় ফিল্ম এবং ৫০ টাকায় ছোট ফিল্মে এক্সরে করা হতো হাসপাতালে। যেখানে বাইরের ক্লিনিকে খরচ পড়ে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া শুক্রবার ব্যতীত হাসপাতালের বহিঃবিভাগেও প্রতিদিন শত শত রোগী দেখা হয়। এদের অনেকেরই এক্সরে করার প্রয়োজন পড়ে।
হাসপাতালের এক্সরে মেশিন বন্ধ থাকায় ফায়দা লুটছে বাইরের ক্লিনিকগুলো। অভিযোগ উঠেছে, যোগসাজশে হাসপাতালের এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে অসাধু চক্র। বিনিময়ে পাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ মাস ধরে এখানে এক্সরে করা যাচ্ছে না। এক্সরের বড় বা ছোট সাইজের কোনো ফিল্ম সরবরাহ করা হচ্ছে না। তবে নেহায়েত জরুরি প্রয়োজনে জরুরি বিভাগের এবং ২৮নং নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডের মাথায় গুরুতর আহত রোগীদের দু’একটি এক্সরে করা হচ্ছে। সেটাও কেবল মাঝারি সাইজের ফিল্ম দিয়ে। কিন্তু এসব ফিল্মও ত্রুটিপূর্ণ।
গতকাল সন্ধ্যায় সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালের এক্সরে রুম বন্ধ রয়েছে। কক্ষের সামনে এক দারোয়ান এক্সরে করতে আসা লোকজনকে ফেরত্ পাঠাচ্ছে। সে জানায়, প্রতিদিন এখানে এক্সরে করতে এক-দেড়শ’ রোগী আসত। সেটা কমে এখন ২০-৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় এক্সরে কক্ষের সামনে অনেক রোগীকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ১৭শ’ থেকে ২১শ’ রোগী ভর্তি থাকে। প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর এক্সরে করতে হয়ী বেশিরভাগ রোগী আসে দুর্ঘটনা ও মারামারিতে আহত হয়ে। মাত্র ৭০ টাকায় বড় ফিল্ম এবং ৫০ টাকায় ছোট ফিল্মে এক্সরে করা হতো হাসপাতালে। যেখানে বাইরের ক্লিনিকে খরচ পড়ে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া শুক্রবার ব্যতীত হাসপাতালের বহিঃবিভাগেও প্রতিদিন শত শত রোগী দেখা হয়। এদের অনেকেরই এক্সরে করার প্রয়োজন পড়ে।
হাসপাতালের এক্সরে মেশিন বন্ধ থাকায় ফায়দা লুটছে বাইরের ক্লিনিকগুলো। অভিযোগ উঠেছে, যোগসাজশে হাসপাতালের এক্সরে কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে অসাধু চক্র। বিনিময়ে পাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ মাস ধরে এখানে এক্সরে করা যাচ্ছে না। এক্সরের বড় বা ছোট সাইজের কোনো ফিল্ম সরবরাহ করা হচ্ছে না। তবে নেহায়েত জরুরি প্রয়োজনে জরুরি বিভাগের এবং ২৮নং নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডের মাথায় গুরুতর আহত রোগীদের দু’একটি এক্সরে করা হচ্ছে। সেটাও কেবল মাঝারি সাইজের ফিল্ম দিয়ে। কিন্তু এসব ফিল্মও ত্রুটিপূর্ণ।
গতকাল সন্ধ্যায় সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালের এক্সরে রুম বন্ধ রয়েছে। কক্ষের সামনে এক দারোয়ান এক্সরে করতে আসা লোকজনকে ফেরত্ পাঠাচ্ছে। সে জানায়, প্রতিদিন এখানে এক্সরে করতে এক-দেড়শ’ রোগী আসত। সেটা কমে এখন ২০-৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় এক্সরে কক্ষের সামনে অনেক রোগীকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


