তেঁতুলিয়ার আনিস সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী
এম এ বাসেত, তেঁতুলিয়া
তেঁতুলিয়া উপজেলার খুনিয়াভিটা গ্রামের চাষী কাজী আনিসুর রহমান (আনিস) সমন্বিত পদ্ধতিতে শাক-সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। আনিস বালুময় পতিত ৩৬ একর ডাঙ্গা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আম্রপলি, উন্নত জাতের লিচু, কমলা ও মেহের সাগর কলা চাষাবাদ করেছেন। বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্পের সহায়তায় জমিতে নিয়মিত সেচব্যবস্থার জন্য নিজ খরচে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। একই জমির কিছু অংশে তিনি সমন্বিত পদ্ধতিতে বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি, মুলা, বেগুন, টমেটো, লাফা শাক, ধনে পাতা, শিম ও লাউ চাষাবাদ করেন। কৃষি খামারে ১০ শ্রমিক ১৫০ টাকা মজুরি হিসেবে নিয়মিত বাগান পরিচর্চার কাজ করেন। স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা খামারে এসে উত্পাদিত শাক-সবজি পাইকারি দামে কিনে উপজেলার রণচণ্ডি বাজার, তেঁতুলিয়া বাজার, তিরনই বাজার ও শালবাহান বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন। এ ছাড়া বেশির ভাগ জমিতে তিনি গমের চাষ করেছেন। কোনোরকম দুর্যোগ না হলে তিনি এবার ১০০ মণ গম ফলনের কথা জানান।
আনিসুর রহমান জানান, এ মৌসুমে খামারের উত্পাদিত বাঁধাকপি ৭০ হাজার টাকা, ফুলকপি ৫০ হাজার টাকা, ওলকপি ১৬ হাজার টাকা, উচ্চফলনশীল আলু এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, টমেটো ৮ হাজার টাকা, মুলা পাঁচ হাজার টাকা, লাফা শাক তিন হাজার টাকা, ধুনে পাতা তিন হাজার টাকা, লাউ দুই হাজার টাকা, শিম পাঁচ হাজার টাকাসহ সর্বমোট তিন লাখ ১২ হাজার টাকার শাক-সবজি বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া তার খামার থেকে আরও লক্ষাধিক টাকার শাক-সবজি বিক্রির আশা করেন। এ মৌসুমে শাক-সবজি চাষাবাদে খামারে তার ব্যয় হয়েছে এক লাখ টাকা। খামারের উত্পাদিত খরচ বাদে তার আয় হবে দুই লাখ ১২ হাজার টাকা। তার এ লাভজনক সমন্বিত ফসল উত্পাদন কৃষি খামারটি একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা আসেন এবং একই জমিতে অধিক ফসল উত্পাদন সম্পর্কে পরামর্শ নেন।
পঞ্চগড় জেলা কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যান কর্মকর্তা কমল কুমার সরকার বলেন, চাষী আনিসের সমন্বিত পদ্ধতির খামারটি পঞ্চগড়ের আদর্শ চাষীদের মধ্যে নজির হিসেবে ধরা যেতে পারে। তার মতে, এলাকার কৃষকরা সরকারিভাবে সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও ব্যাংক ঋণ সহায়তা পেলে স্বল্পজমিতে অল্প খরচে সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে অধিক ফসল উত্পাদন করতে পারেন।
আনিসুর রহমান জানান, এ মৌসুমে খামারের উত্পাদিত বাঁধাকপি ৭০ হাজার টাকা, ফুলকপি ৫০ হাজার টাকা, ওলকপি ১৬ হাজার টাকা, উচ্চফলনশীল আলু এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, টমেটো ৮ হাজার টাকা, মুলা পাঁচ হাজার টাকা, লাফা শাক তিন হাজার টাকা, ধুনে পাতা তিন হাজার টাকা, লাউ দুই হাজার টাকা, শিম পাঁচ হাজার টাকাসহ সর্বমোট তিন লাখ ১২ হাজার টাকার শাক-সবজি বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া তার খামার থেকে আরও লক্ষাধিক টাকার শাক-সবজি বিক্রির আশা করেন। এ মৌসুমে শাক-সবজি চাষাবাদে খামারে তার ব্যয় হয়েছে এক লাখ টাকা। খামারের উত্পাদিত খরচ বাদে তার আয় হবে দুই লাখ ১২ হাজার টাকা। তার এ লাভজনক সমন্বিত ফসল উত্পাদন কৃষি খামারটি একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা আসেন এবং একই জমিতে অধিক ফসল উত্পাদন সম্পর্কে পরামর্শ নেন।
পঞ্চগড় জেলা কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যান কর্মকর্তা কমল কুমার সরকার বলেন, চাষী আনিসের সমন্বিত পদ্ধতির খামারটি পঞ্চগড়ের আদর্শ চাষীদের মধ্যে নজির হিসেবে ধরা যেতে পারে। তার মতে, এলাকার কৃষকরা সরকারিভাবে সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও ব্যাংক ঋণ সহায়তা পেলে স্বল্পজমিতে অল্প খরচে সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে অধিক ফসল উত্পাদন করতে পারেন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


