ভৈরব মাদক পাচারের ট্রানজিট
ভৈরব প্রতিনিধি
মাদক চোরাচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বন্দর ও বাণিজ্যনগরী ভৈরব। রাজধানী শহর ঢাকার কাছে হওয়ায়, নৌ-সড়ক-রেলপথে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এবং ভারতীয় সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় এখান থেকে খুব সহজে দেশের যে কোনো স্থানে মাদক আনা-নেয়া করা যায় বলে ভৈরবকে ব্যবহার করা হচ্ছে মাদকের অবাধ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে। প্রায়ই ভৈরব থানা পুলিশ, র্যাব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের লোকজন অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য বহনকারীদের ধরলেও মূল হোতারা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মাদক চোরাচালানি জানায়, চালান বুঝে তারা একশ’ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকলেও লাখ থেকে কোটি টাকার মালিকরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে ছাড়ানো থেকে শুরু করে কোর্ট-কাচারির টাকা মূল হোতারাই আড়ালে থেকে তাদের লোকজন মারফত দিয়ে থাকেন। এসময় খরচাপাতিও তারাই দেন। শর্ত থাকে ধরা পড়ার পর শত নির্যাতনেও ওদের নাম বলা যাবে না। একই শর্তে অন্য এক মাদক ব্যবসায়ী জানায়, সাংবাদিকরা লেখালেখি করলে আমাদের ব্যবসার তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। শুধু বিভিন্ন জায়গাতে দেয়া মাসিক বখরাটা বেড়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয়ভাবে কে বা কারা মাদকদ্রব্য চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এবং কারা এর নিয়ন্ত্রক, তা জেনেও আমরা কিছুই করতে পারি না। কারণ হিসেবে তিনি জানান, ওই সিন্ডিকেটটি সব সময় রাজনৈতিকভাবে এমন শক্তিশালী থাকে যে তাদের নাম মুখে আনা তো দূরের কথা, তাদের কোনো লোককে ধরে গন্তব্যেও ফেরা যায় না। পরে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হতে হয়।
ভৈরব রেলস্টেশন চোরাকারবারি, চোরাচালানি আর মাদক ব্যবসায়ীদের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। এখানে গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের বিশাল সিন্ডিকেট। দিনরাত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেন ও বাস থেকে ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা, আইএইচপিল, হেরোইন ও বিয়ারের চালান এখানে খালাস করা হচ্ছে। প্রতিদিন দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে ট্রেনে করে কোটি টাকার মাদকদ্রব্য এসে নামছে ভৈরবে। এর মধ্যে বিরাট একটি অংশ হচ্ছে ফেনসিডিল। এখান থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের সুবিধামতো জায়গায় মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, রিকশা, ভ্যান ও সিএনজিতে কিংবা পায়ে হেঁটে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। বর্তমানে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনটি মাদকদ্রব্য পাচারের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যেন তেমন কিছু করার নেই। প্রতি মাসে কোটি টাকার হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা, আফিম, কোকেন, দেশি-বিদেশি মদ ও বিয়ার এ পথে পাচার হয়ে আসছে। রেলওয়ে পুলিশ ও রেল বিভাগের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় এ মাদক ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
দিনরাত ২৪ ঘণ্টা ভৈরব রেলস্টেশনে ট্রেনযোগে মাদকের চালান এসে নামছে। বেশিরভাগ চালান আসে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, বুড়িচং ও সিংগারবিল থেকে এবং সরাসরি চলে যায় রাজধানী ঢাকায়।
ভৈরব রেলস্টেশন চোরাকারবারি, চোরাচালানি আর মাদক ব্যবসায়ীদের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। এখানে গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের বিশাল সিন্ডিকেট। দিনরাত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেন ও বাস থেকে ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা, আইএইচপিল, হেরোইন ও বিয়ারের চালান এখানে খালাস করা হচ্ছে। প্রতিদিন দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে ট্রেনে করে কোটি টাকার মাদকদ্রব্য এসে নামছে ভৈরবে। এর মধ্যে বিরাট একটি অংশ হচ্ছে ফেনসিডিল। এখান থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের সুবিধামতো জায়গায় মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, রিকশা, ভ্যান ও সিএনজিতে কিংবা পায়ে হেঁটে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। বর্তমানে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনটি মাদকদ্রব্য পাচারের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যেন তেমন কিছু করার নেই। প্রতি মাসে কোটি টাকার হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা, আফিম, কোকেন, দেশি-বিদেশি মদ ও বিয়ার এ পথে পাচার হয়ে আসছে। রেলওয়ে পুলিশ ও রেল বিভাগের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় এ মাদক ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
দিনরাত ২৪ ঘণ্টা ভৈরব রেলস্টেশনে ট্রেনযোগে মাদকের চালান এসে নামছে। বেশিরভাগ চালান আসে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, বুড়িচং ও সিংগারবিল থেকে এবং সরাসরি চলে যায় রাজধানী ঢাকায়।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


