বকেয়া দাবি : টঙ্গীতে গার্মেন্ট শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী
টঙ্গী বাজার সেনাকল্যাণ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের জায়েন্ট অ্যান্ড সিক্স এইচ গার্মেন্ট কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে গতকাল ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রায় ৫ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। যাত্রী ও স্কুল- কলেজগামী ছাত্রছাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
গার্মেন্ট শ্রমিকরা জানান, কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে নির্ধারিত ১০ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে না। প্রায় ৬০ লাখ টাকা ফ্লোর ভাড়া বকেয়া পড়ায় সেনাকল্যাণ কর্তৃপক্ষ ১৪ জানুয়ারি কারখানার বিদ্যুত্, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এরপর থেকে উত্পাদন বন্ধ রেখে কারখানা খোলা রাখা হলেও মালিক পক্ষের লোকজন কারখানায় আসছেন না। শ্রমিকরা মালিকের খোঁজে ঢাকায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। বিজিএমইএ কার্যালয়ে শ্রমিকরা জানতে পারেন তাদের কারখানার মালিক খোদ বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান। এরপর শ্রমিকরা গুলশান ২ নম্বরে গিয়ে গত মাসে ফারুক হাসানের বাড়ি ঘেরাও করেন।
এ সময় ফারুক হাসান কারখানার মালিকানার বিষয়টি অস্বীকার করে শ্রমিকদের জানান, তিনি কারখানাটি জনৈক নওশাদ সাঈদ ও হাসান সাঈদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে শ্রমিকরা নওশাদ সাঈদ ও হাসান সাঈদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও মালিকানার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ অবস্থায় হতাশাগ্রস্ত ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বকেয়া বেতনসহ যাবতীয় সার্ভিস বেনিফিটের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। ৬ শতাধিক শ্রমিক গতকাল সকাল পৌনে ৯টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। বেলা পৌনে ২টায় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। পুলিশ অবরোধ ভেঙে দিতে মারমুখো অবস্থান নিলে শ্রমিকরা কারখানায় ফিরে যায়। এরপর বেলা পৌনে ২টা থেকে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। গতকাল রাতে এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসন ও গার্মেন্ট মালিক পক্ষের সঙ্গে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমঝোতা বৈঠক চলছিল।
যানজটে নাকাল নারী শিশু ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা : সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা পৌনে ২টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা বেকায়দায় পড়েন। টঙ্গী ও তার আশপাশের এলাকার লোকজন পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। অফিস-আদালতে না গিয়ে অনেকে বাসায় ফিরে গেছেন। শিশু ও নারী যাত্রীসহ স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের এসময় দ্বিগুণ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কেউ কেউ স্কুলে যাওয়া-আসার উভয় পথেই তীব্র যানজটে দুর্ভোগের শিকার হন। উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী মাহবুবা সুলতানা কলি জানান, গার্মেন্ট শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল না করায় তিনি উত্তরা থেকে ৪ ঘণ্টায় পায়ে হেঁটে স্থানীয় কলেজ গেট এলাকায় পৌঁছেছেন।
গার্মেন্ট শ্রমিকরা জানান, কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে নির্ধারিত ১০ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে না। প্রায় ৬০ লাখ টাকা ফ্লোর ভাড়া বকেয়া পড়ায় সেনাকল্যাণ কর্তৃপক্ষ ১৪ জানুয়ারি কারখানার বিদ্যুত্, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এরপর থেকে উত্পাদন বন্ধ রেখে কারখানা খোলা রাখা হলেও মালিক পক্ষের লোকজন কারখানায় আসছেন না। শ্রমিকরা মালিকের খোঁজে ঢাকায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। বিজিএমইএ কার্যালয়ে শ্রমিকরা জানতে পারেন তাদের কারখানার মালিক খোদ বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান। এরপর শ্রমিকরা গুলশান ২ নম্বরে গিয়ে গত মাসে ফারুক হাসানের বাড়ি ঘেরাও করেন।
এ সময় ফারুক হাসান কারখানার মালিকানার বিষয়টি অস্বীকার করে শ্রমিকদের জানান, তিনি কারখানাটি জনৈক নওশাদ সাঈদ ও হাসান সাঈদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে শ্রমিকরা নওশাদ সাঈদ ও হাসান সাঈদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও মালিকানার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ অবস্থায় হতাশাগ্রস্ত ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বকেয়া বেতনসহ যাবতীয় সার্ভিস বেনিফিটের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। ৬ শতাধিক শ্রমিক গতকাল সকাল পৌনে ৯টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। বেলা পৌনে ২টায় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। পুলিশ অবরোধ ভেঙে দিতে মারমুখো অবস্থান নিলে শ্রমিকরা কারখানায় ফিরে যায়। এরপর বেলা পৌনে ২টা থেকে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। গতকাল রাতে এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসন ও গার্মেন্ট মালিক পক্ষের সঙ্গে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমঝোতা বৈঠক চলছিল।
যানজটে নাকাল নারী শিশু ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা : সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা পৌনে ২টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা বেকায়দায় পড়েন। টঙ্গী ও তার আশপাশের এলাকার লোকজন পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। অফিস-আদালতে না গিয়ে অনেকে বাসায় ফিরে গেছেন। শিশু ও নারী যাত্রীসহ স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের এসময় দ্বিগুণ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কেউ কেউ স্কুলে যাওয়া-আসার উভয় পথেই তীব্র যানজটে দুর্ভোগের শিকার হন। উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী মাহবুবা সুলতানা কলি জানান, গার্মেন্ট শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল না করায় তিনি উত্তরা থেকে ৪ ঘণ্টায় পায়ে হেঁটে স্থানীয় কলেজ গেট এলাকায় পৌঁছেছেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


