সাংবাদিক টিপু সুলতানকে মেরেছে এটা অপপ্রচার : জয়নাল হাজারীকে সন্ত্রাসী বলবেন না : গাফ্ফার চৌধুরী
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাসী সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেছেন, জয়নাল হাজারীকে সন্ত্রাসী বলবেন না। সাংবাদিক টিপু সুলতানকে হাজারী মেরেছে, এটা অপপ্রচার। এই অপপ্রচার চালিয়ে একটি পত্রিকা ওই সময়ের সরকারকে উত্খাত করার চেষ্টা করেছে। গতকাল জয়নাল হাজারীর একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ জয়নাল অকপটে অনেক সত্য কথা লিখেছেন। সাহস থাকলে এই বইয়ের তথ্য সত্য নয়, এটা প্রমাণ করুন। তার বাকস্বাধীনতা হরণ করবেন না। তিনি বলেন, হাজারীর রাজনৈতিক জীবনের ওপর যে কালিমা লেপনের চেষ্টা করা হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ‘শুভ বুদ্ধির উদয়’ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই মুক্তিযোদ্ধার বিষয়ে সব বাধা সরিয়ে তাকে আওয়ামী লীগে ফিরিয়ে নেয়া হোক।
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জয়নাল হাজারীর আত্মজীবনী ‘জয়নাল হাজারী বলছি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। নিজের বই ও রাজনীতি সম্পর্কে জয়নাল হাজারী বলেন, ভালো হোক মন্দ হোক আমি আমার কথাগুলো লিখে যেতে পেরেছি, এটাই আমার সান্ত্বনা। এখন মরে গেলেও আর কষ্ট থাকবে না। তার নির্বাচনী এলাকা ফেনীর একজন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আপনি যদি আমার ফেনী দখল করেন তাহলে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে রাজাকারদের প্রতিহত করতে ঢাকা দখল করব। ওই সাংবাদিকের নামে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব চাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের সুপারিশে আপনি চাকরি করছেন। আর যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতের টাকায় আপনি দু’দুবার হজ করেছেন।
সাবেক সচিব বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধুর প্রেস সচিব আমিনুল হক বাদশা, সাংবাদিক খোন্দকার মোজাম্মেল হক, কাজী রফিক, মাহবুবুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকেই হাজারীর শত শত অনুসারী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হয়। ফেনী থেকে হাজারীর নিজস্ব ‘ক্যাডার’ বাহিনীকে নিয়ে আসা হয় বলে অনেকে অভিযোগ করেন। পুরো অনুষ্ঠানে তারা টিভি ক্যামেরাম্যান এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। তারা প্রায় সবাই হাজারীর বক্তৃতা রেকর্ড করে মোবাইল সেটে। কাউকে কাউকে হাজারীর বক্তৃতা সেল ফোনের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজনকে শোনাতে দেখা গেছে।
অনুষ্ঠানে যোগ না দিতে অনেক সাংবাদিক তাকে বারণ করেছে অভিযোগ করে লেখক গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, তাকে যখন স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয় তখন তিনি তা গ্রহণ করতে অনাগ্রহ দেখান। যুক্তি দেখিয়ে বলেন, যুদ্ধাপরাধী শর্ষিনার পীর আর বঙ্গবন্ধুর খুনি মাহবুবুল আলম চাষীর এই পদক পাওয়ার পর স্বাধীনতা পদকের আর কোনো মর্যাদা এখন নেই। তারপরও সবার অনুরোধে আমি স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করেছি। জিয়াউর রহমান শর্ষিনার পীরকে জেল থেকে বের করে পদক দিয়েছিলেন। এখন প্রশ্ন হলো—এরা যদি স্বাধীনতা পদক পেতে পারে তাহলে মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল হাজারীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যেতে বাধা কোথায়?
এই বই পড়ে জয়নাল হাজারীর প্রতি তার শ্রদ্ধা বেড়েছে মন্তব্য করে গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, অকপটে তিনি অনেক সত্যকথা লিখেছেন। সাহস থাকলে এই বইয়ের তথ্য সত্য নয়, এটা প্রমাণ করুন। হাজারী যদি ‘নৃশংস সন্ত্রাসী’ হয়ে থাকেন তাহলে তার বিচার হোক। অন্যথায় হাজারীকে সন্ত্রাসী বলবেন না।
গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক টিপু সুলতানকে হাজারী মেরেছে—এই অপপ্রচার চালিয়ে একটি পত্রিকা সেসময় শেখ হাসিনার সরকার উত্খাতের চেষ্টা চালিয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বেইমান এবং পাকিস্তানের দোসর আখ্যা দিয়ে জয়নাল হাজারী বলেন, এদেশের মাটিতে তাদের কবর হয়েছে এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাদের লাশ তুলে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেয়া হোক।
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জয়নাল হাজারীর আত্মজীবনী ‘জয়নাল হাজারী বলছি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। নিজের বই ও রাজনীতি সম্পর্কে জয়নাল হাজারী বলেন, ভালো হোক মন্দ হোক আমি আমার কথাগুলো লিখে যেতে পেরেছি, এটাই আমার সান্ত্বনা। এখন মরে গেলেও আর কষ্ট থাকবে না। তার নির্বাচনী এলাকা ফেনীর একজন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আপনি যদি আমার ফেনী দখল করেন তাহলে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে রাজাকারদের প্রতিহত করতে ঢাকা দখল করব। ওই সাংবাদিকের নামে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব চাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের সুপারিশে আপনি চাকরি করছেন। আর যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতের টাকায় আপনি দু’দুবার হজ করেছেন।
সাবেক সচিব বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন বঙ্গবন্ধুর প্রেস সচিব আমিনুল হক বাদশা, সাংবাদিক খোন্দকার মোজাম্মেল হক, কাজী রফিক, মাহবুবুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকেই হাজারীর শত শত অনুসারী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হয়। ফেনী থেকে হাজারীর নিজস্ব ‘ক্যাডার’ বাহিনীকে নিয়ে আসা হয় বলে অনেকে অভিযোগ করেন। পুরো অনুষ্ঠানে তারা টিভি ক্যামেরাম্যান এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। তারা প্রায় সবাই হাজারীর বক্তৃতা রেকর্ড করে মোবাইল সেটে। কাউকে কাউকে হাজারীর বক্তৃতা সেল ফোনের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজনকে শোনাতে দেখা গেছে।
অনুষ্ঠানে যোগ না দিতে অনেক সাংবাদিক তাকে বারণ করেছে অভিযোগ করে লেখক গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, তাকে যখন স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয় তখন তিনি তা গ্রহণ করতে অনাগ্রহ দেখান। যুক্তি দেখিয়ে বলেন, যুদ্ধাপরাধী শর্ষিনার পীর আর বঙ্গবন্ধুর খুনি মাহবুবুল আলম চাষীর এই পদক পাওয়ার পর স্বাধীনতা পদকের আর কোনো মর্যাদা এখন নেই। তারপরও সবার অনুরোধে আমি স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করেছি। জিয়াউর রহমান শর্ষিনার পীরকে জেল থেকে বের করে পদক দিয়েছিলেন। এখন প্রশ্ন হলো—এরা যদি স্বাধীনতা পদক পেতে পারে তাহলে মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল হাজারীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যেতে বাধা কোথায়?
এই বই পড়ে জয়নাল হাজারীর প্রতি তার শ্রদ্ধা বেড়েছে মন্তব্য করে গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, অকপটে তিনি অনেক সত্যকথা লিখেছেন। সাহস থাকলে এই বইয়ের তথ্য সত্য নয়, এটা প্রমাণ করুন। হাজারী যদি ‘নৃশংস সন্ত্রাসী’ হয়ে থাকেন তাহলে তার বিচার হোক। অন্যথায় হাজারীকে সন্ত্রাসী বলবেন না।
গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক টিপু সুলতানকে হাজারী মেরেছে—এই অপপ্রচার চালিয়ে একটি পত্রিকা সেসময় শেখ হাসিনার সরকার উত্খাতের চেষ্টা চালিয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বেইমান এবং পাকিস্তানের দোসর আখ্যা দিয়ে জয়নাল হাজারী বলেন, এদেশের মাটিতে তাদের কবর হয়েছে এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাদের লাশ তুলে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেয়া হোক।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

