কেরানীগঞ্জ থানার ওসিসহ ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান, এসআই জাহিদুর রহমান ও এএসআই হারুনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। থানায় আটকের পর নির্যাতনে আসামির মৃত্যু হওয়ায় এই মামলা করেন নিহত মানিকের বাবা আদু মিয়া।
গতকাল ঢাকা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে এই মামলা করা হয়। মামলার আর্জিতে বলা হয়, ২৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই জাহিদুর রহমান মানিক ওরফে লুত্ফর মিয়াকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাকে কোর্টে না পাঠিয়ে ওসি আসাদুজ্জামান অমানুষিক নির্যাতন চালায়। চারদিন ধরে চলে নির্যাতন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে মানিক ৩১ জানুয়ারি মারা যায়। মৃত্যুর পর পুলিশ নিহত মানিকের লাশ থানা হাজতের বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। পরে ১ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যার নাটক সাজায়।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পুলিশের নির্যাতনে উপজেলার মানিকনগরের রিকশাচালক মানিক নিহত হন। ২৭ জানুয়ারি থানার এসআই জাহিদুর রহমান তাকে গ্রেফতারের পর তাকে দিয়ে জানুয়ারি মাসে নিহত নাজমা হত্যা মামলায় সমাজের বিভিন্ন ধনী লোকদের নাম বলানোর চেষ্টা চালায়। মানিক রাজি না হওয়ায় পুলিশ নির্যাতন চালায়। এছাড়া কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় আটকের পর নির্যাতন করে টাকা আদায়ের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল ঢাকা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে এই মামলা করা হয়। মামলার আর্জিতে বলা হয়, ২৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই জাহিদুর রহমান মানিক ওরফে লুত্ফর মিয়াকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাকে কোর্টে না পাঠিয়ে ওসি আসাদুজ্জামান অমানুষিক নির্যাতন চালায়। চারদিন ধরে চলে নির্যাতন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে মানিক ৩১ জানুয়ারি মারা যায়। মৃত্যুর পর পুলিশ নিহত মানিকের লাশ থানা হাজতের বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। পরে ১ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যার নাটক সাজায়।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পুলিশের নির্যাতনে উপজেলার মানিকনগরের রিকশাচালক মানিক নিহত হন। ২৭ জানুয়ারি থানার এসআই জাহিদুর রহমান তাকে গ্রেফতারের পর তাকে দিয়ে জানুয়ারি মাসে নিহত নাজমা হত্যা মামলায় সমাজের বিভিন্ন ধনী লোকদের নাম বলানোর চেষ্টা চালায়। মানিক রাজি না হওয়ায় পুলিশ নির্যাতন চালায়। এছাড়া কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় আটকের পর নির্যাতন করে টাকা আদায়ের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


