কবিতায় আগ্রহ কম
জাকির হোসেন
বরাবরের মতো এবারের বইমেলাতেও কবিতার বইয়ের কাটতি কম। যদিও মেলায় প্রতিদিনই উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আসছে প্রবীণ এবং তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল কবিদের বিপুলসংখ্যক কাব্যগ্রন্থ। গত আট দিনে মেলায় এসেছে বিভিন্ন ধরনের ৮৯২টি বই। এর মধ্যে উপন্যাস এসেছে ১৭৯টি। এর সঙ্গে পাল্পা দিয়ে কাব্যগ্রন্থ এসেছে ১৭৫টি। কিন্তু পাঠক-ক্রেতাদের এসব কাব্যগ্রন্থের প্রতি তেমন একটা আগ্রহ নেই। তবে প্রতিষ্ঠিত কবিদের কাব্যগ্রন্থ বিক্রির সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। মেলায় আগত কাব্যরসিক ক্রেতারা উপন্যাসের পাশাপাশি কিনছেন কবিতার বইও। কবিতার বইয়ের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে একুশে বাংলা থেকে প্রকাশিত মহাদেব সাহার কাব্যগন্থ ‘ও বর্ষা ও বসন্ত’। তবে পিছিয়ে নেই শহীদ কাদরীর কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার জন্য’, আবুবকর সিদ্দিকের ‘হাওরের হাহাকার’, হাসান হাফিজের ‘ধুলোমাটি আসক্তির বীজ’, ইকবাল হাসান এবং সৈয়দ ইকবালের ‘যুগলবন্দি’।
বর্তমান সময়ের কবিতা সম্পর্কে ড. আনিসুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কবিতার মান ভালো, তবে বর্তমান সময়ে অনেকেই মানের দিক থেকে স্কুল এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের গণ্ডি পার হতে পারছেন না। তবে অনেকের কবিতা অনেক উঁচুমানের। একটু যত্ন নিলে আরও অনেক ভালো করা সম্ভব। কবিতার বইয়ের কম কাটতি বিষয়ে কবি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, কবিতায় নতুন আবেগ তৈরি হওয়া দরকার। কিন্তু এটা নতুনভাবে বিকশিত হচ্ছে না। জাতীয়ভাবে নতুন করে কোনো আন্দোলন না হলে কবিতা বিকশিত হয় না। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমরা একটি অস্থির সময় পার করছি। এ অবস্থা কবিতা রচনার জন্য উপযোগী হলেও নতুন পাঠক সৃষ্টির জন্য উপযোগী নয়।
গতকাল মেলায় এসেছে ১০১টি নতুন বই। এর মধ্যে ১২টি গল্প, ২১টি উপন্যাস, ৫টি প্রবন্ধ, ২৪টি কবিতা, ৩টি গবেষণা, ৮টি শিশুসাহিত্য, ২টি রাজনীতি এবং বাকিগুলো অন্যান্য বিষয়ের বই। গত কয়েক দিনের মতো এদিনও লেখক, পাঠক এবং ক্রেতাদের ভিড়ে মেলা ছিল প্রাণবন্ত। বিক্রি হয়েছে আশানুরূপ এবং প্রকাশকরাও এতে খুশি। দিনের বিভিন্ন সময় মেলার নজরুল চত্বরে ১৩টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে অংশ নেন ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন, ড. আনিসুজ্জামান, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রমুখ।
এবারের মেলায় আসা ১৭৫টি কবিতার বইয়ের মধ্যে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ঐতিহ্য’ এনেছে তরুণ এবং প্রতিশ্রুতিশীল কবিদের ৬টি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—সুব্রত অগাস্টিন গোমেজের ‘মর্নিং গ্লোরি’, আসমা বীথির ‘আধখাওয়া ফলের জীবনী’, শিমুল সালাহ্উদ্দিনের ‘শিরস্ত্রাণগুলি’, পলাশ দত্তের ‘ক্যাশিয়ারের ডায়েরী’, জুয়েল মোস্তাফিজের ‘ভাতের ভূগোল’ এবং পরাগ রিছিলের ‘উমাচরণ কর্ম্মকার’। আগামী প্রকাশনী এনেছে ৪টি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—অমর রায়ের ‘আধো আলো আধো আঁধার’, রুহুল আমীনের ‘মধুমতির মুখোমুখি’ এবং শফিকুল ইসলামের ‘শ্রাবণ দিনের কাব্য’। নান্দনিক এনেছে চারটি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—খোন্দকার আশরাফ হোসেনের ‘আয়(না) দেখে অন্ধ মানুষ’, খালিদ আহসানের ‘এনেসেথসিয়া’, রাসেল শাহরিয়ারের ‘ দিনলিপির পৃষ্ঠাগুলি’ এবং ফারহান ইশরাকের ‘ঝিনুকের কব্জা খুলে উঠে আসে চাঁদ’। অনন্যা থেকে প্রকাশিত হয়েছে হাসান হাফিজের কাব্যগ্রন্থ ‘ধুলোমাটি আসক্তির বীজ’। অন্য প্রকাশ এনেছে শাহাবুদ্দীন নাগরী’র ‘জলের নিচে জলছায়া’। একুশে বাংলা এনেছে মহাদেব সাহার ‘ও বর্ষা ও বসন্ত’ এবং তরুণ কবি খায়রুল ইসলাম তাজের ‘ফাগুনের প্রথম বৃষ্টি’। অবসর প্রকাশ করেছে শহীদ কাদরীর প্রেমের কবিতা ‘তোমার জন্য’। কথা প্রকাশ এনেছে আবুবকর সিদ্দিকের ‘হাওরের হাহাকার’। মিজান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে সাইফুল বারীর ‘শীতের বিবর্ণ বিকেলে’, দি রয়েল পাবলিশার্স এনেছে ইকবাল হাসান এবং সৈয়দ ইকবালের ‘যুগলবন্দি’। খান ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানি এনেছে আহমদ ছফার কবিতাসমগ্র। ইত্যাদি এনেছে দুটি কাব্যগ্রন্থ। এদুটি হচ্ছে—আদিত্য অন্তরের ‘রোদ পাখি ও বৃক্ষের ক্রন্দন’ এবং ‘ওবায়েদ আকাশের ‘যা কিছু সবুজ, সঙ্কেতময়’।
বর্তমান সময়ের কবিতা সম্পর্কে ড. আনিসুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কবিতার মান ভালো, তবে বর্তমান সময়ে অনেকেই মানের দিক থেকে স্কুল এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের গণ্ডি পার হতে পারছেন না। তবে অনেকের কবিতা অনেক উঁচুমানের। একটু যত্ন নিলে আরও অনেক ভালো করা সম্ভব। কবিতার বইয়ের কম কাটতি বিষয়ে কবি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, কবিতায় নতুন আবেগ তৈরি হওয়া দরকার। কিন্তু এটা নতুনভাবে বিকশিত হচ্ছে না। জাতীয়ভাবে নতুন করে কোনো আন্দোলন না হলে কবিতা বিকশিত হয় না। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমরা একটি অস্থির সময় পার করছি। এ অবস্থা কবিতা রচনার জন্য উপযোগী হলেও নতুন পাঠক সৃষ্টির জন্য উপযোগী নয়।
গতকাল মেলায় এসেছে ১০১টি নতুন বই। এর মধ্যে ১২টি গল্প, ২১টি উপন্যাস, ৫টি প্রবন্ধ, ২৪টি কবিতা, ৩টি গবেষণা, ৮টি শিশুসাহিত্য, ২টি রাজনীতি এবং বাকিগুলো অন্যান্য বিষয়ের বই। গত কয়েক দিনের মতো এদিনও লেখক, পাঠক এবং ক্রেতাদের ভিড়ে মেলা ছিল প্রাণবন্ত। বিক্রি হয়েছে আশানুরূপ এবং প্রকাশকরাও এতে খুশি। দিনের বিভিন্ন সময় মেলার নজরুল চত্বরে ১৩টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে অংশ নেন ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন, ড. আনিসুজ্জামান, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রমুখ।
এবারের মেলায় আসা ১৭৫টি কবিতার বইয়ের মধ্যে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ঐতিহ্য’ এনেছে তরুণ এবং প্রতিশ্রুতিশীল কবিদের ৬টি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—সুব্রত অগাস্টিন গোমেজের ‘মর্নিং গ্লোরি’, আসমা বীথির ‘আধখাওয়া ফলের জীবনী’, শিমুল সালাহ্উদ্দিনের ‘শিরস্ত্রাণগুলি’, পলাশ দত্তের ‘ক্যাশিয়ারের ডায়েরী’, জুয়েল মোস্তাফিজের ‘ভাতের ভূগোল’ এবং পরাগ রিছিলের ‘উমাচরণ কর্ম্মকার’। আগামী প্রকাশনী এনেছে ৪টি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—অমর রায়ের ‘আধো আলো আধো আঁধার’, রুহুল আমীনের ‘মধুমতির মুখোমুখি’ এবং শফিকুল ইসলামের ‘শ্রাবণ দিনের কাব্য’। নান্দনিক এনেছে চারটি কাব্যগ্রন্থ। এগুলো হচ্ছে—খোন্দকার আশরাফ হোসেনের ‘আয়(না) দেখে অন্ধ মানুষ’, খালিদ আহসানের ‘এনেসেথসিয়া’, রাসেল শাহরিয়ারের ‘ দিনলিপির পৃষ্ঠাগুলি’ এবং ফারহান ইশরাকের ‘ঝিনুকের কব্জা খুলে উঠে আসে চাঁদ’। অনন্যা থেকে প্রকাশিত হয়েছে হাসান হাফিজের কাব্যগ্রন্থ ‘ধুলোমাটি আসক্তির বীজ’। অন্য প্রকাশ এনেছে শাহাবুদ্দীন নাগরী’র ‘জলের নিচে জলছায়া’। একুশে বাংলা এনেছে মহাদেব সাহার ‘ও বর্ষা ও বসন্ত’ এবং তরুণ কবি খায়রুল ইসলাম তাজের ‘ফাগুনের প্রথম বৃষ্টি’। অবসর প্রকাশ করেছে শহীদ কাদরীর প্রেমের কবিতা ‘তোমার জন্য’। কথা প্রকাশ এনেছে আবুবকর সিদ্দিকের ‘হাওরের হাহাকার’। মিজান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে সাইফুল বারীর ‘শীতের বিবর্ণ বিকেলে’, দি রয়েল পাবলিশার্স এনেছে ইকবাল হাসান এবং সৈয়দ ইকবালের ‘যুগলবন্দি’। খান ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানি এনেছে আহমদ ছফার কবিতাসমগ্র। ইত্যাদি এনেছে দুটি কাব্যগ্রন্থ। এদুটি হচ্ছে—আদিত্য অন্তরের ‘রোদ পাখি ও বৃক্ষের ক্রন্দন’ এবং ‘ওবায়েদ আকাশের ‘যা কিছু সবুজ, সঙ্কেতময়’।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


