ছাত্র ও মেধাবীদের নিয়োগদানের প্রত্যাশা : দীর্ঘদিনের সঙ্কট কাটিয়ে সিলেট ছাত্রলীগের কমিটি হচ্ছে
সিলেট অফিস
সিলেটে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে জেলা ও মহানগর শাখার সভাপতি এবং সম্পাদক পদে নতুন দায়িত্বশীলের নাম শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে। বিষয়টি এখন সময়ের ব্যাপার বলে জানা গেছে। ১২ ফেব্র্রুয়ারি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণার কথা থাকলেও তা মাসখানেক পিছিয়ে যেতে পারে। আসন্ন কমিটিকে ঘিরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্সাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নেতৃত্বে আসতে শেষ মুহূর্তের লবিংয়ে ব্যস্ত অনেকেই। কে হাল ধরবেন ঝিমিয়ে পড়া ছাত্রলীগের—এমন আলাপচারিতা এখন কর্মীদের মুখে মুখে। এদিকে, আগামীদিনে বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর আন্দোলনের মোকাবিলায় ছাত্রলীগকে দ্রুত মাঠে দেখতে চায় আওয়ামী লীগ। সবকিছু দেখেশুনে সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনের পথে এগুচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থকদের প্রত্যাশা নতুন জেলা ও মহানগর কমিটি হবে দুর্নামমুক্ত। অছাত্র ও বয়স্কদের বাইরে রেখে প্রকৃত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি গঠিত হবে। তবে বাস্তবে কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা কোন্ পথে পা বাড়ান তা দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সমর্থকরা।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ সমর্থক এমসি কলেজের ইতিহাসের ছাত্র সামন্ত ধর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে গঠনতন্ত্র সঠিকভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। এতে বয়স্ক, বিবাহিত ও অছাত্ররা স্থান পাবে না। ফলে নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে। নতুনদের অগ্রাধিকার দেয়া হলে উগ্রতা কমবে ও সহনশীল পরিবেশ তৈরি হবে। মেধাবী ও প্রকৃত ছাত্ররা কমিটিতে স্থান পাবে এই প্রত্যাশা সামন্ত ধরের মতো সবার। মদনমোহন কলেজের শেষবর্ষের ছাত্র জহিরুল ইসলাম লিপন বলেন, প্রকৃত ছাত্র এবং যারা অতীতে সংগঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের নেতৃত্বে রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা অপেক্ষাকৃত কম বয়সের, তাদের দলে স্থান দেয়ার ওপর নীতিনির্ধারকদের জোর দেয়া উচিত। তার মতে, নতুন নেতৃত্বে সিলেটে ছাত্রলীগ আরও সুসংগঠিত হবে।
সিলেটে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গত দুইযুগ মরহুম আবদুস সামাদ আজাদ এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পক্ষের দুই ধারা সক্রিয় ছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ কয়েক বছর সম্মেলন এবং মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ছাড়াই ছাত্রলীগ গত ৭-৮ বছর ধরে সিলেটে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়। জরুরি অবস্থার পর মহানগর ছাত্রলীগ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। নেতৃত্বের সিংহভাগ নিজ নিজ পেশায় ব্যস্ত বা কেউ বিদেশ চলে যাওয়ায় ছাত্রলীগ কাণ্ডারীবিহীন হয়ে পড়ে। ফলে আগের দুই ধারা বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন নেতৃত্বশূন্য থাকায় বর্তমান নেতৃত্ব ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগে দেখা দেয় সাংগঠনিক স্থবিরতা। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর নতুন নতুন গ্রুপের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জোরদার হয়ে ওঠে। সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিজয়ী হওয়ার পর তাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের নতুন বলয় সৃষ্টি হয়। আগামীদিনের ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন গ্রুপের আধিপত্য প্রতিফলিত হতে পারে।
ছাত্রলীগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠলেও অতীতে মহানগরের বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক গ্রুপ ছাত্রলীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করত। ৫-৬টি গ্রুপে বিভক্ত ছাত্রলীগ নিজ এলাকা ছাড়াও নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় থাকে। এসব গ্রুপের অন্যতম ছিল টিলাগড় গ্রুপ, তেলিহাওর গ্রুপ, সোনার বাংলা গ্রুপ, তালতলা গ্রুপ, দর্শন দেউড়ি গ্রুপ ও কাশ্মীর গ্রুপ। হালআমলে এসব গ্রুপের পুরান নেতৃত্ব ঝরে পড়ে এবং নতুন নতুন একাধিক গ্রুপ বিচ্ছিন্নভাবে সক্রিয় থাকে।
গত দুই মাস থেকে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এলাকাভিত্তিক ছাত্রলীগের নেতৃত্ব সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অস্থান থেকে লবিং শুরু করে। কেন্দ্র থেকে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এখন অপেক্ষা চলছে ঘোষণার। কেন্দ্র থেকে সভাপতি ও সম্পাদক নাম ঘোষণার পর এ মাসের শেষে বা আগামী মাসের শুরুতে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। নতুন জেলা কমিটিতে সভাপতি ও সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন ইস্তেজা চৌধুরী মনি, শামসুল ইসলাম মিলন, জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদ আহমদ ইমন, এম ফরহাদ হোসেন খান, পঙ্কজ পুরকায়স্থ, রাহাত তরফদার, মাজহার সুমন, জাবেদ সিরাজী, সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হতে পারে এমন ছাত্রলীগ নেতারা হচ্ছেন অরুন দেবনাথ সাগর, আবদুল লতিফ রিপন, দেবাংশু দাস মিঠু, মিজানুর রহমান, তোজাম্মেল হক তাজুল, হিরন মাহমুদ নিপু, অপু দেব, মিজান পারভেজ, তোফায়েল আহমদ তালুকদার, ইয়ামীন আরাফাত, লাভলু আহমদ ও জামাল আহমদ। এছাড়া এই তালিকার বাইরে একাধিক নতুন মুখ জেলা ও মহানগর কমিটিতে স্থান পেতে পারেন।
ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থকদের প্রত্যাশা নতুন জেলা ও মহানগর কমিটি হবে দুর্নামমুক্ত। অছাত্র ও বয়স্কদের বাইরে রেখে প্রকৃত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি গঠিত হবে। তবে বাস্তবে কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা কোন্ পথে পা বাড়ান তা দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সমর্থকরা।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ সমর্থক এমসি কলেজের ইতিহাসের ছাত্র সামন্ত ধর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে গঠনতন্ত্র সঠিকভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। এতে বয়স্ক, বিবাহিত ও অছাত্ররা স্থান পাবে না। ফলে নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে। নতুনদের অগ্রাধিকার দেয়া হলে উগ্রতা কমবে ও সহনশীল পরিবেশ তৈরি হবে। মেধাবী ও প্রকৃত ছাত্ররা কমিটিতে স্থান পাবে এই প্রত্যাশা সামন্ত ধরের মতো সবার। মদনমোহন কলেজের শেষবর্ষের ছাত্র জহিরুল ইসলাম লিপন বলেন, প্রকৃত ছাত্র এবং যারা অতীতে সংগঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের নেতৃত্বে রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা অপেক্ষাকৃত কম বয়সের, তাদের দলে স্থান দেয়ার ওপর নীতিনির্ধারকদের জোর দেয়া উচিত। তার মতে, নতুন নেতৃত্বে সিলেটে ছাত্রলীগ আরও সুসংগঠিত হবে।
সিলেটে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গত দুইযুগ মরহুম আবদুস সামাদ আজাদ এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পক্ষের দুই ধারা সক্রিয় ছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ কয়েক বছর সম্মেলন এবং মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ছাড়াই ছাত্রলীগ গত ৭-৮ বছর ধরে সিলেটে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়। জরুরি অবস্থার পর মহানগর ছাত্রলীগ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। নেতৃত্বের সিংহভাগ নিজ নিজ পেশায় ব্যস্ত বা কেউ বিদেশ চলে যাওয়ায় ছাত্রলীগ কাণ্ডারীবিহীন হয়ে পড়ে। ফলে আগের দুই ধারা বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন নেতৃত্বশূন্য থাকায় বর্তমান নেতৃত্ব ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগে দেখা দেয় সাংগঠনিক স্থবিরতা। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর নতুন নতুন গ্রুপের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জোরদার হয়ে ওঠে। সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিজয়ী হওয়ার পর তাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের নতুন বলয় সৃষ্টি হয়। আগামীদিনের ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন গ্রুপের আধিপত্য প্রতিফলিত হতে পারে।
ছাত্রলীগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠলেও অতীতে মহানগরের বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক গ্রুপ ছাত্রলীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করত। ৫-৬টি গ্রুপে বিভক্ত ছাত্রলীগ নিজ এলাকা ছাড়াও নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় থাকে। এসব গ্রুপের অন্যতম ছিল টিলাগড় গ্রুপ, তেলিহাওর গ্রুপ, সোনার বাংলা গ্রুপ, তালতলা গ্রুপ, দর্শন দেউড়ি গ্রুপ ও কাশ্মীর গ্রুপ। হালআমলে এসব গ্রুপের পুরান নেতৃত্ব ঝরে পড়ে এবং নতুন নতুন একাধিক গ্রুপ বিচ্ছিন্নভাবে সক্রিয় থাকে।
গত দুই মাস থেকে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এলাকাভিত্তিক ছাত্রলীগের নেতৃত্ব সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অস্থান থেকে লবিং শুরু করে। কেন্দ্র থেকে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এখন অপেক্ষা চলছে ঘোষণার। কেন্দ্র থেকে সভাপতি ও সম্পাদক নাম ঘোষণার পর এ মাসের শেষে বা আগামী মাসের শুরুতে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। নতুন জেলা কমিটিতে সভাপতি ও সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন ইস্তেজা চৌধুরী মনি, শামসুল ইসলাম মিলন, জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদ আহমদ ইমন, এম ফরহাদ হোসেন খান, পঙ্কজ পুরকায়স্থ, রাহাত তরফদার, মাজহার সুমন, জাবেদ সিরাজী, সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হতে পারে এমন ছাত্রলীগ নেতারা হচ্ছেন অরুন দেবনাথ সাগর, আবদুল লতিফ রিপন, দেবাংশু দাস মিঠু, মিজানুর রহমান, তোজাম্মেল হক তাজুল, হিরন মাহমুদ নিপু, অপু দেব, মিজান পারভেজ, তোফায়েল আহমদ তালুকদার, ইয়ামীন আরাফাত, লাভলু আহমদ ও জামাল আহমদ। এছাড়া এই তালিকার বাইরে একাধিক নতুন মুখ জেলা ও মহানগর কমিটিতে স্থান পেতে পারেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


