সিট দখল নিয়ে রাবিতে শিবির ছাত্রলীগ সংঘর্ষে আহত ৪ : হলগুলোতে ছাত্রলীগের রণপ্রস্তুতি, পুলিশের তল্লাশি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সিট দখল কেন্দ্র করে গতকাল রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ছাত্রলীগের ২ জনসহ ৪ জন ছাত্র আহত হয়েছে। গুরুতর আহত দুই ছাত্রলীগ কর্মী কাওছার (ব্যবস্থাপনা ৪র্থ বর্ষ) ও আসাদকে (হিসাব বিজ্ঞান ২য় বর্ষ) রাতেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর শিবির কর্মীদের গ্রেফতার ও আক্রমণ করতে প্রায় ৮-১০ প্লাটুন পুলিশ ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পুরো ক্যাম্পাস রণপ্রস্তুতি গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু হলসহ বিভিন্ন হলে পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে। রাত সাড়ে ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সব হলের গেট বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশের মহড়া চলছিল। যে কোনো মুহূর্তে উভয় সংগঠনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিবির ও ছাত্রলীগ একে অপরকে দায়ী করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল রাত ৮টার দিকে ছাত্রলীগ কর্মী আসাদ সিট দখল করতে ৫-৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিবির কর্মী হাফিজের (বৈধ সিট) অবস্থান করা ১৩১ নম্বর কক্ষে যায়। সেখানে গিয়ে হাফিজকে তার সিট ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিলে তিনি প্রতিবাদ জানান। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে সেখানে হলে অবস্থান করা শিবির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় আসাদ তার সহযোগীদের বিষয়টি অবহিত করলে ৫-৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা কাওছার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগের আসাদ ও কাওছার গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ দিয়ে মুজিব হলের চারপাশ ঘিরে তল্লাশি শুরু করে। প্রায় ৮-১০ প্লাটুন পুলিশ এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পুরো ক্যাম্পাস ঘিরে নিয়ে হলগুলোতে মহড়া দিচ্ছিল। রাত সাড়ে ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হলগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।
এদিকে এ ঘটনার জন্য ছাত্রলীগ ও শিবির পরস্পরকে দায়ী করেছে। শিবির সভাপতি সামছুল আলম গোলাপ বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডাররা শিবির কর্মীর বৈধ সিট দখল ও মারার চেষ্টার করলে তারা তার প্রতিবাদ করে। অন্যদিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলেন, শিবির পূর্বপরিকল্পনা করেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এদিকে সিট দখলকে কেন্দ্র রাজশাহী শহরের লক্ষ্মীপুর ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা অবস্থা সৃষ্টি হয়। তবে কেউ হতাহত ও কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল রাত ৮টার দিকে ছাত্রলীগ কর্মী আসাদ সিট দখল করতে ৫-৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিবির কর্মী হাফিজের (বৈধ সিট) অবস্থান করা ১৩১ নম্বর কক্ষে যায়। সেখানে গিয়ে হাফিজকে তার সিট ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিলে তিনি প্রতিবাদ জানান। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে সেখানে হলে অবস্থান করা শিবির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় আসাদ তার সহযোগীদের বিষয়টি অবহিত করলে ৫-৬ জন নেতাকর্মী নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা কাওছার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগের আসাদ ও কাওছার গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ দিয়ে মুজিব হলের চারপাশ ঘিরে তল্লাশি শুরু করে। প্রায় ৮-১০ প্লাটুন পুলিশ এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পুরো ক্যাম্পাস ঘিরে নিয়ে হলগুলোতে মহড়া দিচ্ছিল। রাত সাড়ে ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হলগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।
এদিকে এ ঘটনার জন্য ছাত্রলীগ ও শিবির পরস্পরকে দায়ী করেছে। শিবির সভাপতি সামছুল আলম গোলাপ বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডাররা শিবির কর্মীর বৈধ সিট দখল ও মারার চেষ্টার করলে তারা তার প্রতিবাদ করে। অন্যদিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলেন, শিবির পূর্বপরিকল্পনা করেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এদিকে সিট দখলকে কেন্দ্র রাজশাহী শহরের লক্ষ্মীপুর ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা অবস্থা সৃষ্টি হয়। তবে কেউ হতাহত ও কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


