Amardesh
আজঃ ঢাকা, মঙ্গলবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ২৭ মাঘ ১৪১৬, ২৩ সফর ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ১.৩০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আ’লীগ নেতারা হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করে আছে : গয়েশ্বর : সরকার ১/১১’র কুশীলবদের পুনর্বাসন করছে

স্টাফ রিপোর্টার
আওয়ামী লীগ নেতারা হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করে আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৫৩তম বছর এবং দেশ কোনপথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ অভিযোগ করেন। মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদের সভাপতি নজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন, কলামিস্ট হায়দার আকবর খান রনো, অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ, শওকত মাহমুদ, সৈয়দ ইরফানুল বারী ও ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক মিশু।
গয়েশ্বর রায় বর্তমান সরকার ১/১১ ’র কুশীলবদের পুনর্বাসিত করছে বলে অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেআইনি, অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা দিয়েছে। সরকারের এক বছরের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে ১/১১ সৃষ্টিতে আওয়ামী লীগের সহযোগিতা আছে।
তিনি বলেন, ১/১১’র নায়ক ফখরুদ্দীন, মইন উদ্দিনের বিচার করতে হবে। কারণ এরা দেশের জনগণকে দুই বছর কারাগারে রেখেছিল। দেশকে রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্য করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালিয়েছে। বর্তমান সরকার যদি ১/১১’র কুশীলবদের বিচার না করে তাহলে জনগণই তাদের বিচার করবে।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সব চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রের জন্য বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএনপির ওপর আঘাতের পর আঘাত করা হচ্ছে। সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। অথচ সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো ঢালাওভাবে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
তিনি সংসদে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দায়িত্বহীন বক্তব্য দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে বলেন, সরকারের কাজ দেশ পরিচালনা করা। কার লাশ কোথায় আছে এটা নির্ধারণ করার জন্য মানুষ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করেনি। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।
ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন বলেন, মওলানা ভাসানীকে এই ধরা থেকে বিলীন করা যাবে না। ভাষা আন্দোলন না হলে আমরা পাকিস্তানের অংশ থাকতাম। কথায় কথায় ভুল, ইতিহাস আজ বিকৃত হচ্ছে কেন? ভাসানী পরিষদের সবাইকে আজ একত্রিত হতে হবে।
শওকত মাহমুদ বলেন, মওলানা ভাসানী বেঁচে থাকলে আমাদের কেউ সাম্প্রদায়িক হতে পারত না এবং শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা হতে পারতেন না। শেখ হাসিনা নিজের নিরাপত্তার জন্য ভারতের কাছে আমাদের গছিয়ে দিয়েছেন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?