বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা : দণ্ডিতদের ক্ষমা করার সুযোগ নেই : আইনমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দণ্ডিত আসামিদের ক্ষমা করার সুযোগ নেই। তারপরও সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ক্ষমাভিক্ষার আবেদন অনুযায়ী আসামিদের ক্ষমা করতে পারেন, আবার নাও করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণই তার এখতিয়ার। আসামিদের ক্ষমাভিক্ষার আবেদনে এই মতামত দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আসামিদের কাছ থেকে জোর করে প্রাণভিক্ষার আবেদনে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। আসামিরা স্বেচ্ছায় নিজের হাতে ক্ষমা চেয়ে প্রাণভিক্ষার আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত রোববার কারা কর্তৃপক্ষ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার) ও লে. কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমদের (আর্টিলারি) প্রাণভিক্ষার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। ওইদিনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। আইন মন্ত্রণালয় তাত্ক্ষণিকভাবে আসামিদের ক্ষমা করা উচিত হবে না বলে মতামত দিয়ে তা ওইদিন রাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে রোববারই ওই আসামিদের দু’জন আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। ওই সময় আদালতে আসামিদের আত্মীয়-স্বজন ও আইনজীবীরা প্রাণভিক্ষার আবেদনের কথা নাকচ করে দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এখনও আইনি প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি। আমরা আদালতে রিভিউ আবেদন করেছি। আশা করি এ আদালত থেকে আমরা ন্যায়বিচার পাব। কিন্তু তার আগেই সরকার ফাঁসি কার্যকর করার যাবতীয় ব্যবস্থা করছে। এটা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য তাড়াহুড়ো করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। বজলুল হুদার বোন মাহফুজা পাশা এবং একেএম মহিউদ্দিনের স্ত্রী হোসনেয়ারা মহিউদ্দিন ওই সময় সাংবাদিকদের আরও বলেন, বজলুল হুদা ও মহিউদ্দিন প্রাণভিক্ষা চাননি। তারা রিভিউর জন্য আবেদন করেছেন। তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক প্রাণভিক্ষার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকার আইন অনুযায়ী সবকিছু করছে। আইনের বাইরে কিছু করা হচ্ছে না। রিভিউ আবেদনে আসামিরা খালাস কিংবা তাদের দণ্ড হ্রাস হলে ফাঁসি কার্যকর করার উদ্যোগ বেআইনি হবে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আগে আদালতের রায় হোক, তারপর সরকার সে আলোকেই সবকিছু করবে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার কারা কর্তৃপক্ষ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার) ও লে. কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমদের (আর্টিলারি) প্রাণভিক্ষার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। ওইদিনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। আইন মন্ত্রণালয় তাত্ক্ষণিকভাবে আসামিদের ক্ষমা করা উচিত হবে না বলে মতামত দিয়ে তা ওইদিন রাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে রোববারই ওই আসামিদের দু’জন আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। ওই সময় আদালতে আসামিদের আত্মীয়-স্বজন ও আইনজীবীরা প্রাণভিক্ষার আবেদনের কথা নাকচ করে দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এখনও আইনি প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি। আমরা আদালতে রিভিউ আবেদন করেছি। আশা করি এ আদালত থেকে আমরা ন্যায়বিচার পাব। কিন্তু তার আগেই সরকার ফাঁসি কার্যকর করার যাবতীয় ব্যবস্থা করছে। এটা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য তাড়াহুড়ো করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। বজলুল হুদার বোন মাহফুজা পাশা এবং একেএম মহিউদ্দিনের স্ত্রী হোসনেয়ারা মহিউদ্দিন ওই সময় সাংবাদিকদের আরও বলেন, বজলুল হুদা ও মহিউদ্দিন প্রাণভিক্ষা চাননি। তারা রিভিউর জন্য আবেদন করেছেন। তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক প্রাণভিক্ষার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকার আইন অনুযায়ী সবকিছু করছে। আইনের বাইরে কিছু করা হচ্ছে না। রিভিউ আবেদনে আসামিরা খালাস কিংবা তাদের দণ্ড হ্রাস হলে ফাঁসি কার্যকর করার উদ্যোগ বেআইনি হবে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আগে আদালতের রায় হোক, তারপর সরকার সে আলোকেই সবকিছু করবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


