আপনাদের জামিনের দরকার নেই, আল্লাহ তাকে জামিন দিয়েছেন : ব্যারিস্টার রফিক : মৃত বাকিরের জামিনের শুনানি কাল
অলিউল্লাহ নোমান
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মরহুম বিএম বাকির হোসেনের জামিনের শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত ফুলবেঞ্চ গতকাল বিএম বাকির হোসেনের মামলার শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করেন।
শুনানির শুরুতে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, বিএম বাকিরকে আপনাদের জামিন দেয়ার আর দরকার হবে না, আল্লাহ তাকে চিরস্থায়ী জামিন দিয়েছেন। তিনি আদালতকে জানান, বিএম বাকির হোসেন গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তার অসুস্থতার বিষয়টি জানিয়ে মেডিকেল সার্টি-ফিকেটসহ গত ৪ জানুয়ারি আপিল বিভাগে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত জামিন মঞ্জুর না করে ১১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আদালতকে জানান, গুরুতর অসুস্থ বাকির হোসেন এরই মধ্যে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি বলেন, কীভাবে বাকির হোসেন মারা গেলেন এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া দরকার।
বাকির হোসেনের অপর আইনজীবী সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালতকে জানান, বাকিরের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তিনি আদালতকে আরও বলেন, জরুরি অবস্থার সরকারের সময় আমি নিজেও কারাগারে ছিলাম। কারাগারে বাকির হোসেনকে সুস্থ-স্বাভাবিক দেখে এসেছি। এক বছরের বেশি সময় কারাগারে একসঙ্গে থাকা অবস্থায় বাকির হোসেনকে কখনও অসুস্থ দেখিনি। সব সময় তাকে সুস্থ ও হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেছে। কিন্তু হঠাত্ করে বাকির হোসেন যেভাবে কারা হেফাজতে মারা গেলেন তাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলা যায় না। তিনি বাকিরের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সব রিপোর্ট তলব করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আদালতের কাছে নিবেদন জানান। আদালত তখন এ বিষয়গুলো উল্লেখ করে একটি পিটিশন দেয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
আপিল বিভাগের ১নং বেঞ্চের মামলার তালিকায় বাকির হোসেনের জামিনের শুনানির বিষয়টি গতকাল প্রথম আইটেম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। আপিল বিভাগের ১নং আদালতের সময়সূচি নির্ধারিত ছিল সকাল ৯টায়। সে হিসেবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ৯টা বাজার ১ মিনিট আগেই আপিল বিভাগের ১নং আদালত কক্ষে উপস্থিত হন। তখনও আদালত বসেনি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের পর ৯টা ৫ মিনিটে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন। তবে আদালত বসে সাড়ে ৯টায়। শুরুতেই প্রথম আইটেম হিসেবে বাকির হোসেনের মামলাটি নিয়ে আলোচনা হয় আদালতে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে শুনানি শুরু হওয়ার আগে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তবে শুনানি শুরু হওয়ার আগেই তিনি আদালত কক্ষ ত্যাগ করেন। শুনানি চলাকালে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল উপস্থিত থাকলেও তিনি আদালতে কিছু বলেননি।
উল্লেখ্য, জরুরি অবস্থার সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ হিসেবে প্রকাশিত প্রথম ৫০ জনের নামের তালিকায় সর্বশেষ নামটি ছিল বাকির হোসেনের। এ তালিকা প্রকাশের পর ৭ দিনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে বাকির হোসেন নিজে উপস্থিত হয়ে দুদকে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। সম্পদের হিসাব দাখিলের কয়েকদিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অপর একটি মামলা দায়ের করে। দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বাকির হোসেনকে জরুরি অবস্থার সরকারের সময় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ আদালত ১৩ বছরের সাজা দেয়। এ সাজার বিরুদ্ধে বাকির হোসেন আপিল করেন। হাইকোর্ট বিভাগ তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। মৃত্যু পর্যন্ত বাকির হোসেন এই মামলায় জামিনে ছিলেন। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মামলায় আটক ছিলেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে বাকির হোসেন হাইকোর্ট বিভাগে কোয়াশমেন্ট আবেদন করেন। হাইকোর্ট বিভাগে কোয়াশমেন্টের শুনানি শেষে মামলাটি বাতিল করে রায় দেন আদালত। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সরকার। আপিলের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগের রায়টি স্থগিত হয়ে যায়। আপিল বিভাগে মামলাটি চারবার শুনানি হয়। বাকিরের জামিনের বিরোধিতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। সরকার পক্ষের বিরোধিতার কারণে আদালতে জামিন পাননি বাকির হোসেন। সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর অসুস্থ হওয়ার পরও ৪ জানুয়ারি আপিল বিভাগে জামিনের নিবেদন করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। জামিন না পাওয়ায় ৭ জানুয়ারি কারা হেফাজতেই ইন্তেকাল করেন বাকির হোসেন।
জরুরি অবস্থার সরকারের প্রকাশিত কথিত ৫০ দুর্নীতিবাজের যে তালিকায় বাকির হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেই তালিকাভুক্ত একাধিক ব্যক্তি এখন বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। বাকির হোসেনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আমার দেশকে জানান, যে মামলায় বাকির হোসেনকে আদালত জামিন মঞ্জুর করেননি, একই গ্রাউন্ডের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা পঙ্কজ দেবনাথকে জামিন মঞ্জুর করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একই গ্রাউন্ডে দায়ের করা মামলায় পঙ্কজ দেবনাথসহ অনেকেই হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগে জামিন পেয়েছেন। কিন্তু বাকির হোসেনের বিরুদ্ধে এনবিআরের মামলা হাইকোর্ট বিভাগ অবৈধ ঘোষণার পরও তিনি জামিন পাননি। সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগে বাকির হোসেনের জামিন পাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, বাকির হোসেন ২২ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কারাগারে অসুস্থ হলে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ইনজেকশন দেয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা কারা হাসপাতালে অজ্ঞান অবস্থায় থাকার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অজ্ঞান বাকের হোসেনকে গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় পিজি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিইউ ইউনিটে সিট খালি না থাকায় নেয়া হয় বারডেম হাসপাতালে। এখানেও চিকিত্সা সম্ভব না হওয়ায় রাত ২টায় লালমাটিয়ায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেয়া হয়। ততক্ষণে তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে অজ্ঞান বাকির হোসেনকে এ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে ভর্তি করা হয় লাইফ সাপোর্ট দেয়ার জন্য। ২৫ ডিসেম্বর থেকে বাকির হোসেন এ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে বেঁচে ছিলেন। ৭ জানুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। বাকিরের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, কারা হাসপাতালে ইনজেকশন দিয়ে বাকিরকে মেরে ফেলা হয়েছে। মেরে ফেলার জন্যই কারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অজ্ঞান হওয়ার পরও তাকে ৫ ঘণ্টা সেখানে রেখে দেয়।
শুনানির শুরুতে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, বিএম বাকিরকে আপনাদের জামিন দেয়ার আর দরকার হবে না, আল্লাহ তাকে চিরস্থায়ী জামিন দিয়েছেন। তিনি আদালতকে জানান, বিএম বাকির হোসেন গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তার অসুস্থতার বিষয়টি জানিয়ে মেডিকেল সার্টি-ফিকেটসহ গত ৪ জানুয়ারি আপিল বিভাগে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত জামিন মঞ্জুর না করে ১১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আদালতকে জানান, গুরুতর অসুস্থ বাকির হোসেন এরই মধ্যে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি বলেন, কীভাবে বাকির হোসেন মারা গেলেন এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া দরকার।
বাকির হোসেনের অপর আইনজীবী সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালতকে জানান, বাকিরের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তিনি আদালতকে আরও বলেন, জরুরি অবস্থার সরকারের সময় আমি নিজেও কারাগারে ছিলাম। কারাগারে বাকির হোসেনকে সুস্থ-স্বাভাবিক দেখে এসেছি। এক বছরের বেশি সময় কারাগারে একসঙ্গে থাকা অবস্থায় বাকির হোসেনকে কখনও অসুস্থ দেখিনি। সব সময় তাকে সুস্থ ও হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেছে। কিন্তু হঠাত্ করে বাকির হোসেন যেভাবে কারা হেফাজতে মারা গেলেন তাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলা যায় না। তিনি বাকিরের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সব রিপোর্ট তলব করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আদালতের কাছে নিবেদন জানান। আদালত তখন এ বিষয়গুলো উল্লেখ করে একটি পিটিশন দেয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
আপিল বিভাগের ১নং বেঞ্চের মামলার তালিকায় বাকির হোসেনের জামিনের শুনানির বিষয়টি গতকাল প্রথম আইটেম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। আপিল বিভাগের ১নং আদালতের সময়সূচি নির্ধারিত ছিল সকাল ৯টায়। সে হিসেবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ৯টা বাজার ১ মিনিট আগেই আপিল বিভাগের ১নং আদালত কক্ষে উপস্থিত হন। তখনও আদালত বসেনি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের পর ৯টা ৫ মিনিটে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন। তবে আদালত বসে সাড়ে ৯টায়। শুরুতেই প্রথম আইটেম হিসেবে বাকির হোসেনের মামলাটি নিয়ে আলোচনা হয় আদালতে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে শুনানি শুরু হওয়ার আগে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তবে শুনানি শুরু হওয়ার আগেই তিনি আদালত কক্ষ ত্যাগ করেন। শুনানি চলাকালে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল উপস্থিত থাকলেও তিনি আদালতে কিছু বলেননি।
উল্লেখ্য, জরুরি অবস্থার সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ হিসেবে প্রকাশিত প্রথম ৫০ জনের নামের তালিকায় সর্বশেষ নামটি ছিল বাকির হোসেনের। এ তালিকা প্রকাশের পর ৭ দিনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে বাকির হোসেন নিজে উপস্থিত হয়ে দুদকে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। সম্পদের হিসাব দাখিলের কয়েকদিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অপর একটি মামলা দায়ের করে। দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বাকির হোসেনকে জরুরি অবস্থার সরকারের সময় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ আদালত ১৩ বছরের সাজা দেয়। এ সাজার বিরুদ্ধে বাকির হোসেন আপিল করেন। হাইকোর্ট বিভাগ তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। মৃত্যু পর্যন্ত বাকির হোসেন এই মামলায় জামিনে ছিলেন। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মামলায় আটক ছিলেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে বাকির হোসেন হাইকোর্ট বিভাগে কোয়াশমেন্ট আবেদন করেন। হাইকোর্ট বিভাগে কোয়াশমেন্টের শুনানি শেষে মামলাটি বাতিল করে রায় দেন আদালত। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে সরকার। আপিলের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগের রায়টি স্থগিত হয়ে যায়। আপিল বিভাগে মামলাটি চারবার শুনানি হয়। বাকিরের জামিনের বিরোধিতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। সরকার পক্ষের বিরোধিতার কারণে আদালতে জামিন পাননি বাকির হোসেন। সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর অসুস্থ হওয়ার পরও ৪ জানুয়ারি আপিল বিভাগে জামিনের নিবেদন করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। জামিন না পাওয়ায় ৭ জানুয়ারি কারা হেফাজতেই ইন্তেকাল করেন বাকির হোসেন।
জরুরি অবস্থার সরকারের প্রকাশিত কথিত ৫০ দুর্নীতিবাজের যে তালিকায় বাকির হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেই তালিকাভুক্ত একাধিক ব্যক্তি এখন বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। বাকির হোসেনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আমার দেশকে জানান, যে মামলায় বাকির হোসেনকে আদালত জামিন মঞ্জুর করেননি, একই গ্রাউন্ডের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা পঙ্কজ দেবনাথকে জামিন মঞ্জুর করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একই গ্রাউন্ডে দায়ের করা মামলায় পঙ্কজ দেবনাথসহ অনেকেই হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগে জামিন পেয়েছেন। কিন্তু বাকির হোসেনের বিরুদ্ধে এনবিআরের মামলা হাইকোর্ট বিভাগ অবৈধ ঘোষণার পরও তিনি জামিন পাননি। সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগে বাকির হোসেনের জামিন পাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, বাকির হোসেন ২২ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কারাগারে অসুস্থ হলে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ইনজেকশন দেয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা কারা হাসপাতালে অজ্ঞান অবস্থায় থাকার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অজ্ঞান বাকের হোসেনকে গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় পিজি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিইউ ইউনিটে সিট খালি না থাকায় নেয়া হয় বারডেম হাসপাতালে। এখানেও চিকিত্সা সম্ভব না হওয়ায় রাত ২টায় লালমাটিয়ায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেয়া হয়। ততক্ষণে তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে অজ্ঞান বাকির হোসেনকে এ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে ভর্তি করা হয় লাইফ সাপোর্ট দেয়ার জন্য। ২৫ ডিসেম্বর থেকে বাকির হোসেন এ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে বেঁচে ছিলেন। ৭ জানুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। বাকিরের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, কারা হাসপাতালে ইনজেকশন দিয়ে বাকিরকে মেরে ফেলা হয়েছে। মেরে ফেলার জন্যই কারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অজ্ঞান হওয়ার পরও তাকে ৫ ঘণ্টা সেখানে রেখে দেয়।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


