Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ১১ জানুয়ারি ২০১০, ২৮ পৌষ ১৪১৬, ২৪ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

রিহ্যাবের মতবিনিময় : পূর্ত প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে শাহ আলমের বাহাস

স্টাফ রিপোর্টার
গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নানের সঙ্গে গতকাল রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও রিহ্যাব সদস্য আহমদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলমের বাহাস হয়েছে। প্রতিনিধিদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে। রিহ্যাবের সভাপতি তানভিরুল হক প্রবালসহ অন্য সদস্যরা বসে থেকে পুরো তর্কবিতর্ক প্রত্যক্ষ করলেও অন্যদের এতে জড়াতে দেখা যায়নি। হাউজিং ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিতর্কের শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত নানা বিষয়ে গড়ায় তর্ক। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে প্রভাবশালী এই হাউজিং ব্যবসায়ীর বাহাসের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রচার করে বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভি। এতে দেখা যায় ওয়ান-ইলেভেনের সেনাসমর্থিত জরুরি সরকারের সময় হাউজিং ব্যবসায়ীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছিলেন এসব প্রসঙ্গ তুলে ধরেন শাহ আলম।
একপর্যায়ে হাউজিং প্রজেক্টের অনুমতি প্রদানে সরকারি নানা টালবাহানা ও বিলম্বের বিষয়টি তুলে ধরেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, হাউজিং খাতে বিনিয়োগকারীরা এরই মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০০৪ সালে আবেদন করেও বিভিন্ন প্রকল্পের এখন পর্যন্ত অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। জবাবে পূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা সরকারি জায়গা, জলাভূমি দখল করছেন। একটি জমি ২০ ফুট পানির নিচে, নিজেদের মালিকানা নেই, জায়গার অস্তিত্ব নেই—এমনসব জায়গার অমুক কোম্পানি, তমুক কোম্পানির বিশাল সাইনবোর্ড টানিয়ে দিচ্ছেন। লোভনীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। সাংবাদিকরা যদি বলে দেয়, প্রতিমন্ত্রী ভূমিদস্যুদের সঙ্গে মিটিং করেছেন, তবে আমি কী জবাব দেব। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনসঙ্গতভাবে আসেন, কেউ যদি এক মিনিট দেরি করে, আমার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সে যত বড় হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আমার সচিব যদি কাজ না করে, দরকার হলে তিনি চাকরি করবেন, না হলে আমি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে রাজপথে চলে যাব। তিনি বলেন, আপনারা জেনুইন কেস নিয়ে আসেন, আমি ১৫ দিনের মধ্যে অনুমতি দিয়ে দেব। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, ল্যান্ড ডেভেলপাররা যেহেতু পুঁজি বিনিয়োগ করেছে—এ পুঁজি বিনিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে তারা কমিটমেন্টও করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে জমি আপনার না সে জমি বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করার অধিকার কেউ আপনাকে, আমাকে দেয়নি। আপনার জমির মালিকরা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।
আপনি বলছেন, আপনার ৭০ হাজার কোটি টাকা পড়ে আছে। বিনীতভাবে দেশবাসী যদি জিজ্ঞাস করে ২০ বছর আগে কয় কোটি টাকার মালিক ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের পর আপনাদের যে চোখ বেঁধে নিয়ে গিয়েছিল। এ পর্যায়ে শাহ আলম বলেন, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি ফেল করে থাকে, তবে এর মূল কারণ ছিল ব্যবসায়ীদের অসহযোগিতা। আমি বিদেশে থেকে আমার লোকদের নির্দেশ দিয়েছিলাম সবকিছু বন্ধ করে দিতে। প্রতিমন্ত্রী পাল্টা বলেন, কতিপয় মুনাফাখোর ব্যবসায়ী ওয়ান-ইলেভেনকে নিমন্ত্রণ করে এনেছিলেন। এটা দেশবাসী জানে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?