Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ১১ জানুয়ারি ২০১০, ২৮ পৌষ ১৪১৬, ২৪ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আলেমদের মানববন্ধনে মন্তব্য : ইসলামী রাজনীতি রক্ষায় যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

স্টাফ রিপোর্টার
ইসলাম ও ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে রাজধানীর মুক্তাঙ্গন ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সচেতন আলেম সমাজ। এ সময় বক্তারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বনী ইসরাইল থেকে শুরু করে রাসুল (সা.) এবং তারপর থেকে বর্তমান পর্যন্ত ইসলামী রাজনীতি চালু রয়েছে। অথচ সেই রাজনীতিকেই নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এটা বাংলাদেশের সচেতন আলেম, ওলামা, পীর মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতা কিছুতেই মেনে নেবে না।
মুক্তাঙ্গনে মানবন্ধনে নেতৃত্ব দেন ইসলামী ঐক্যজোট মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, আইম্মাহ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, ছারছিনা দরবার শরিফের পীর মাওলানা আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী, মসজিদ মিশনের সেক্রেটারি ড. খলিলুর রহমান মাদানী, বাংলাদেশ ইসলামী পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আইনুল ইসলাম, আহকামে শরিয়া হেফাজত কমিটির সেক্রেটারি আবদুস ছবুর মাতুব্বর ও আইম্মাহ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক মুসাসহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম।
সমাবেশে আবদুল লতিফ নেজামী ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে আলেমদের ভূমিকা স্মরণ করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী রাজনীতি রক্ষায় আলেমরা যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। মৌলভীদের সম্পর্কে আশরাফের বক্তব্য দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করে বলেন, আলেমদের কথায় দেশ চালালে আপনাদের এত বিপদ হতো না। আবারও বাম-রামপীন্থরা সরকারের ঘাড়ে সওয়ার হয়েছে। তারা ফতোয়া, মিরাছি আইন পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। যেভাবে ইসলাম, মুসলিম ও ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে তাতে আলেমরা মানববন্ধনে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তৌহিদি জনতা সরকার পতনের আন্দোলনে বাধ্য হবে।
মাওলানা যাইনুল আবেদীন আইনমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ইসলামী রাজনীতি নিছক রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটা শরিয়তী বিষয়। আপনি ধর্মীয় রাজনীতি না করতে পারেন, নামাজ না পড়তে পারেন, কিন্তু এটাকে অস্বীকার করলে ইমান থাকবে না। যারা কোরআনের বিরোধিতা করছে তাদের অনতিবিলম্বে সরকার থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যথায় পরিস্থিতি ভালো হবে না। আর উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। আলেম-ওলামারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা এবং প্রয়োজনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করবে। অন্যান্য বক্তা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি আলেম সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আপনি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতিহারে ওয়াদা করেছিলেন কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন করবেন না। কিন্তু এখন নাস্তিক মুরতাদদের দোসর মন্ত্রী পরিষদের কতিপয় সদস্যের পরামর্শে আপনি যদি ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কোনো ষড়যন্ত্র করেন তাহলে এদেশের ইসলামপ্রিয় জনগণ সোচ্চার প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আপনি আইনমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করুন, আর তা না হলে জনগণ তাকে পদত্যাগে বাধ্য করাবে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?