রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার : প্রথম দিনেই ৬ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানির ছাড়পত্র
আতিয়ার পারভেজ, খুলনা
রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই ৬ কোটি টাকার গলদা চিংড়ি সরকারের মত্স্য অধিদফতরের মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ছাড়পত্র পেয়েছে। আরও ১৫ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানির ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত খুলনা অঞ্চলের ২২টি চিংড়ি প্রসেসিং প্লান্টে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানির অপেক্ষায় আছে। দীর্ঘ ৮ মাস পর গতকাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে গলদা চিংড়ি রফতানি শুরু হয়।
খুলনা মত্স্য মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ডিডি ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ আমার দেশকে এসব তথ্য দিয়ে জানান, গতকাল আমরা ৬টি লটের (কনসাইনমেন্ট) নমুনা পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দিয়েছি, যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। একই দিন আরও ১৫টি (কনসাইনমেন্টের) নমুনা জমা পড়েছে। এ ১৫টির বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। দ্রুত এগুলোর ছাড়পত্র দেয়া হবে।
মত্স্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবদুল খালেক জানান, ইইউ থেকে গলদা চিংড়ি রফতানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা না থাকায় রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে এ সেক্টরের সঙ্কট কাটতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, রফতানির জন্য অপেক্ষায় থাকা চিংড়ি যাতে দ্রুত ছাড়পত্র পায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা রেখেছি।
এদিকে ইইউ’র উচ্চ পর্যায়ের একটি পরিদর্শক টিম আগামী ১৮ জানুয়ারি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের চিংড়ি জোন ঘুরে দেখবে। সেই সঙ্গে তারা মত্স্যমন্ত্রী, সচিব, মত্স্য কর্মকর্তা, রফতানিকারক ও খামারিদের সঙ্গেও কথা বলবেন।
উল্লেখ্য, দেশে মোট উত্পাদিত গলদা চিংড়ির ৮০ ভাগ খুলনা অঞ্চলে চাষ হয়। আর এ গলদা চিংড়ির শরীরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক নাইট্রোফুরান ধরা পড়ার পর একাধিক চিংড়ির চালান গত বছরের শুরুতে ফেরত আসে। যার কারণে বাংলাদেশের চিংড়ি ইইউতে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার উপক্রম হয়। এ জন্য বিএফএফই-এর অনুরোধে সরকার ২০০৯ সালের ১ জুন থেকে রফতানি বন্ধ রাখার আদেশ দেয়। পরবর্তীকালে গত ৯ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে ইইউকে আবার গলদা চিংড়ি রফতানির আগ্রহের কথা জানিয়ে চিংড়ি এখন নাইট্রোফুরানমুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়। ইইউ এতে সন্তোষ প্রকাশ করে চিংড়ি রফতানিতে গ্রিন সিগন্যাল দেয়।
খুলনা মত্স্য মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ডিডি ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ আমার দেশকে এসব তথ্য দিয়ে জানান, গতকাল আমরা ৬টি লটের (কনসাইনমেন্ট) নমুনা পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দিয়েছি, যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা। একই দিন আরও ১৫টি (কনসাইনমেন্টের) নমুনা জমা পড়েছে। এ ১৫টির বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। দ্রুত এগুলোর ছাড়পত্র দেয়া হবে।
মত্স্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবদুল খালেক জানান, ইইউ থেকে গলদা চিংড়ি রফতানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা না থাকায় রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে এ সেক্টরের সঙ্কট কাটতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, রফতানির জন্য অপেক্ষায় থাকা চিংড়ি যাতে দ্রুত ছাড়পত্র পায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা রেখেছি।
এদিকে ইইউ’র উচ্চ পর্যায়ের একটি পরিদর্শক টিম আগামী ১৮ জানুয়ারি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের চিংড়ি জোন ঘুরে দেখবে। সেই সঙ্গে তারা মত্স্যমন্ত্রী, সচিব, মত্স্য কর্মকর্তা, রফতানিকারক ও খামারিদের সঙ্গেও কথা বলবেন।
উল্লেখ্য, দেশে মোট উত্পাদিত গলদা চিংড়ির ৮০ ভাগ খুলনা অঞ্চলে চাষ হয়। আর এ গলদা চিংড়ির শরীরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক নাইট্রোফুরান ধরা পড়ার পর একাধিক চিংড়ির চালান গত বছরের শুরুতে ফেরত আসে। যার কারণে বাংলাদেশের চিংড়ি ইইউতে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার উপক্রম হয়। এ জন্য বিএফএফই-এর অনুরোধে সরকার ২০০৯ সালের ১ জুন থেকে রফতানি বন্ধ রাখার আদেশ দেয়। পরবর্তীকালে গত ৯ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে ইইউকে আবার গলদা চিংড়ি রফতানির আগ্রহের কথা জানিয়ে চিংড়ি এখন নাইট্রোফুরানমুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়। ইইউ এতে সন্তোষ প্রকাশ করে চিংড়ি রফতানিতে গ্রিন সিগন্যাল দেয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


