ওজোপাডিকোতে দলীয়করণ : শ্রমিকদল সমর্থিত ৭৬ কর্মচারী বদলি
যশোর ও খুলনা অফিস
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) ১৭ সিবিএ নেতাসহ ৭৬ কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মচারীদের সবাই জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের অঙ্গীভূত পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুত্ বিতরণ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতা ও কর্মী। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থের জন্য সরকার সমর্থক শ্রমিক লীগ নেতাদের চাপে একযোগে এই হয়রানিমূলক বদলির আদেশ দেয়া হয়েছে। এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপক (এইচআরএমঅ্যান্ডডি) মুহাম্মদ ফজলে রাব্বী স্বাক্ষরিত দফতরাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ৭৬ কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হয়। বৃহস্পতিবারের তারিখে বদলি আদেশে স্বাক্ষর করা হলেও প্রকৃতপক্ষে কাজটি গোপনে সারা হয় শুক্রবার ছুটির দিনে। গতকাল রোববার সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাতে বদলির আদেশ পৌঁছে।
উল্লেখযোগ্য যেসব সিবিএ নেতা বদলি হয়েছেন তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সামসুল হক সর্দারকে ফরিদপুর থেকে ভোলায়, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এমজি ফারুককে বরিশাল থেকে মেহেরপুরে, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেনকে খুলনা থেকে কুষ্টিয়ায়, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আবদুল গফুরকে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়ায়, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলামকে ঝিনাইদহ থেকে পটুয়াখালীতে, কেন্দ্রীয় যুব সম্পাদক মোঃ বেদার হোসেনকে বাগেরহাট থেকে চুয়াডাঙ্গায়, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক শেখ মোঃ আলমগীর হোসেনকে খুলনা থেকে কাঁঠালিয়ায়, খুলনা জেলা সভাপতি শেখ আবদুল আলিমকে খুলনা থেকে বরগুনায়, বরিশাল জেলা সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলামকে বরিশাল থেকে কুষ্টিয়ায়, খুলনা জেলা সহ-সভাপতি কবির হোসেন ফারাজীকে খুলনা থেকে পটুয়াখালীতে, কুষ্টিয়া জেলা সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রঞ্জুকে কুষ্টিয়া থেকে বরগুনায়, মাগুরা জেলা সভাপতি মোঃ মশিউর রহমানকে মাগুরা থেকে চুয়াডাঙ্গায়, যশোর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিনকে যশোর থেকে বরিশালে, ফরিদপুর জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আইএম আসলাম উদ্দিন আহমেদকে ফরিদপুর থেকে নলছিটিতে, পটুয়াখালী জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল রাজ্জাককে পটুয়াখালী থেকে চুয়াডাঙ্গায়, বরিশাল জেলা সহ-সভাপতি শহিদুল আলমকে বরিশাল থেকে কুষ্টিয়ায় এবং দফতর সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুককে ভেড়ামারায় বদলি করা হয়েছে।
বদলির আদেশপ্রাপ্ত কর্মচারী নেতাদের দ্রুত ছাড়পত্র দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টিরও অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিক লীগ সমর্থিত বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারীদের একটি সংগঠনের নেতারা এ কাজ করছেন। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেও কথা বলা যায়নি যশোর বিদ্যুত্ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর ব্যবস্থাপক ইখতিয়ারউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। তার অফিস থেকে বলা হয়, ‘স্যার ডিসি অফিসে মিটিংয়ে গেছেন’।
পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুত্ বিতরণ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (রেজি. নং : বি-২১৪০) পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারি দল সমর্থিত শ্রমিক লীগের অঙ্গীভূত বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের চাপের কারণে কোম্পানি ভিন্ন মতাদর্শের শ্রমিকনেতাদের হয়রানিমূলক বদলি করেছে। এই বদলি আদেশ অবৈধ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান জানান, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন। পাশাপাশি বদলি আদেশ বাতিলের দাবিতে চলবে শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওজোপাডিকোতে শ্রমিক লীগ সমর্থিত দুটি ইউনিয়ন রয়েছে, তাদের কাউকেই এভাবে বদলি করা হয়নি। তাদের ইউনিয়নটি জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অর্ন্তভুক্ত হওয়ার কারণে প্রতিপক্ষের চাপে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। খুব শিগগিরই কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করার জন্য কর্তৃপক্ষ হয়রানিমূলক বদলি করছে।
ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হায়দার আলী অভিযোগ প্রসঙ্গে আমার দেশ’কে বলেন, ‘কর্মচারীদের নিয়োগ-বদলি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের দিকে আমরা বদলির কাজটি করে থাকি। এবার বেশ কিছু সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার কারণে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।’ হয়রানিমূলক বদলির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, শ্রমিক লীগ সমর্থিত সিবিএ নেতাদেরও একইসঙ্গে বদলি করা হয়েছে। তাদের ওপর শ্রমিক লীগের কোনো চাপ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বিদ্যুত্ বিভাগে সবাই ইউনিয়ন করে, এ জন্য তাদের বদলিতে আমাদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।’
তাত্ক্ষণিকভাবে ঘোষিত আন্দোলন কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল বিকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান শহরগুলোতে বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে অবিলম্বে হয়রানিমূলক বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপক (এইচআরএমঅ্যান্ডডি) মুহাম্মদ ফজলে রাব্বী স্বাক্ষরিত দফতরাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ৭৬ কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হয়। বৃহস্পতিবারের তারিখে বদলি আদেশে স্বাক্ষর করা হলেও প্রকৃতপক্ষে কাজটি গোপনে সারা হয় শুক্রবার ছুটির দিনে। গতকাল রোববার সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাতে বদলির আদেশ পৌঁছে।
উল্লেখযোগ্য যেসব সিবিএ নেতা বদলি হয়েছেন তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সামসুল হক সর্দারকে ফরিদপুর থেকে ভোলায়, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এমজি ফারুককে বরিশাল থেকে মেহেরপুরে, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেনকে খুলনা থেকে কুষ্টিয়ায়, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আবদুল গফুরকে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়ায়, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলামকে ঝিনাইদহ থেকে পটুয়াখালীতে, কেন্দ্রীয় যুব সম্পাদক মোঃ বেদার হোসেনকে বাগেরহাট থেকে চুয়াডাঙ্গায়, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক শেখ মোঃ আলমগীর হোসেনকে খুলনা থেকে কাঁঠালিয়ায়, খুলনা জেলা সভাপতি শেখ আবদুল আলিমকে খুলনা থেকে বরগুনায়, বরিশাল জেলা সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলামকে বরিশাল থেকে কুষ্টিয়ায়, খুলনা জেলা সহ-সভাপতি কবির হোসেন ফারাজীকে খুলনা থেকে পটুয়াখালীতে, কুষ্টিয়া জেলা সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রঞ্জুকে কুষ্টিয়া থেকে বরগুনায়, মাগুরা জেলা সভাপতি মোঃ মশিউর রহমানকে মাগুরা থেকে চুয়াডাঙ্গায়, যশোর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিনকে যশোর থেকে বরিশালে, ফরিদপুর জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আইএম আসলাম উদ্দিন আহমেদকে ফরিদপুর থেকে নলছিটিতে, পটুয়াখালী জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল রাজ্জাককে পটুয়াখালী থেকে চুয়াডাঙ্গায়, বরিশাল জেলা সহ-সভাপতি শহিদুল আলমকে বরিশাল থেকে কুষ্টিয়ায় এবং দফতর সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুককে ভেড়ামারায় বদলি করা হয়েছে।
বদলির আদেশপ্রাপ্ত কর্মচারী নেতাদের দ্রুত ছাড়পত্র দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টিরও অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিক লীগ সমর্থিত বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারীদের একটি সংগঠনের নেতারা এ কাজ করছেন। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেও কথা বলা যায়নি যশোর বিদ্যুত্ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর ব্যবস্থাপক ইখতিয়ারউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। তার অফিস থেকে বলা হয়, ‘স্যার ডিসি অফিসে মিটিংয়ে গেছেন’।
পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুত্ বিতরণ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (রেজি. নং : বি-২১৪০) পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারি দল সমর্থিত শ্রমিক লীগের অঙ্গীভূত বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের চাপের কারণে কোম্পানি ভিন্ন মতাদর্শের শ্রমিকনেতাদের হয়রানিমূলক বদলি করেছে। এই বদলি আদেশ অবৈধ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান জানান, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন। পাশাপাশি বদলি আদেশ বাতিলের দাবিতে চলবে শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওজোপাডিকোতে শ্রমিক লীগ সমর্থিত দুটি ইউনিয়ন রয়েছে, তাদের কাউকেই এভাবে বদলি করা হয়নি। তাদের ইউনিয়নটি জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অর্ন্তভুক্ত হওয়ার কারণে প্রতিপক্ষের চাপে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। খুব শিগগিরই কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করার জন্য কর্তৃপক্ষ হয়রানিমূলক বদলি করছে।
ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হায়দার আলী অভিযোগ প্রসঙ্গে আমার দেশ’কে বলেন, ‘কর্মচারীদের নিয়োগ-বদলি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের দিকে আমরা বদলির কাজটি করে থাকি। এবার বেশ কিছু সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার কারণে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।’ হয়রানিমূলক বদলির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, শ্রমিক লীগ সমর্থিত সিবিএ নেতাদেরও একইসঙ্গে বদলি করা হয়েছে। তাদের ওপর শ্রমিক লীগের কোনো চাপ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বিদ্যুত্ বিভাগে সবাই ইউনিয়ন করে, এ জন্য তাদের বদলিতে আমাদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।’
তাত্ক্ষণিকভাবে ঘোষিত আন্দোলন কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল বিকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান শহরগুলোতে বিদ্যুত্ শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে অবিলম্বে হয়রানিমূলক বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


