অর্থসঙ্কটে কর্ণফুলী কাগজ কলে উত্পাদন বন্ধ
কাপ্তাই প্রতিনিধি
দেশের বৃহত্তম কাগজকল কর্ণফুলী পেপার মিল লিমিটেডে (কেপিএম) কাগজ উত্পাদন এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মিলের বিপুল পরিমাণ কাগজ অবিক্রীত থাকায় চরম অর্থ সঙ্কটের কারণে গতকাল সকাল থেকে কারখানার উত্পাদন বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। তবে বন্ধ ঘোষণার কারণ হিসেবে মিল কর্তৃপক্ষ বলেছে, বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কিন্তু নানা সূত্রে জানা গেছে, কেপিএমের উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়ায় কারখানাটি ভয়াবহ অর্থ সঙ্কটে পড়েছে। অর্থাভাবে মিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন-ভাতা ও ঠািকাদারদের পাওনা পরিশোধেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কেপিএমের গুদামে প্রায় ২ হাজার টন কাগজ অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে বলে মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কেপিএম ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সমন্বয়কারী কর্মকর্তা মোঃ হারুন জানান, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এই কারখানার উত্পাদন এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটা কারখানার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়াটাও একটি কারণ বলে তিনি স্বীকার করেন। মিলের বিপুল পরিমাণ কাগজ অবিক্রীত থাকা এবং অর্থ সঙ্কট প্রসঙ্গে মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী পেপার মিলের উত্পাদিত কাগজের প্রধান ক্রেতা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। প্রতিবছর উত্পাদিত কাগজের বড় অংশই এনসিটিবি কিনে থাকে। চলতি অর্থবছরেও এই বোর্ডের জন্য ১৬ হাজার টন কাগজের অর্ডার ছিল। কিন্তু এনসিটিবি অর্ডার অনুযায়ী কাগজ কর্ণফুলী পেপার মিল থেকে কিনে না নিয়ে বেসরকারি বিভিন্ন কাগজকল থেকে এই কাগজ কিনেছে। অর্থবছরের শুরু থেকে এনসিটিবির কাগজের চাহিদা পূরণ করতে কেপিএম কর্তৃপক্ষ ধারদেনার মাধ্যমে কাঁচামাল সংগ্রহ করে দ্রুতগতিতে কাগজ উত্পাদন করলেও অর্ডার অনুযায়ী এনসিটিবি কাগজ কিনছে না। কেপিএম কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগে এনসিটিবির অর্ডার থাকায় মিলের স্থানীয় ডিলারদের কাছেও কাগজ বিক্রি করা হয়নি। এ অবস্থায় কারখানায় প্রায় দুই হাজার টন কাগজ অবিক্রীত পড়ে আছে। ফলে কারখানাটি এখন চরম অর্থ সঙ্কটে পতিত হয়েছে।
মিলের সিবিএ সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, মিলের উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়ায় কারখানাটি বিপুল অঙ্কের দেনার মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ একান্ত বাধ্য হয়ে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এক মাস মিলের উত্পাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, বিপুল পরিমাণ কাগজ অবিক্রীত থাকায় কারখানা অর্থ সঙ্কটে রয়েছে। এতে চলতি অর্থবছরে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এনসিটিবি অর্ডার অনুযায়ী এখনই কাগজ কিনে নিলে এই সঙ্কট কেটে যাবে বলে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।
অর্ডার অনুযায়ী কাগজ না কেনার কারণে এনসিটিবির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সূত্র জানায়, তাদের কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে তারা এখনও তার কোনো জবাব দেয়নি।
এদিকে কারখানার এই চলমান অবস্থায় গতকাল বিসিআইসির চেয়ারম্যান কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী গতকাল কর্ণফুলী পেপার মিল পরিদর্শন করেছেন। কারখানা সঙ্কট নিরসন ও অন্যান্য বিষয়ে মিলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন।
কিন্তু নানা সূত্রে জানা গেছে, কেপিএমের উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়ায় কারখানাটি ভয়াবহ অর্থ সঙ্কটে পড়েছে। অর্থাভাবে মিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন-ভাতা ও ঠািকাদারদের পাওনা পরিশোধেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কেপিএমের গুদামে প্রায় ২ হাজার টন কাগজ অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে বলে মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কেপিএম ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সমন্বয়কারী কর্মকর্তা মোঃ হারুন জানান, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এই কারখানার উত্পাদন এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এটা কারখানার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়াটাও একটি কারণ বলে তিনি স্বীকার করেন। মিলের বিপুল পরিমাণ কাগজ অবিক্রীত থাকা এবং অর্থ সঙ্কট প্রসঙ্গে মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী পেপার মিলের উত্পাদিত কাগজের প্রধান ক্রেতা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। প্রতিবছর উত্পাদিত কাগজের বড় অংশই এনসিটিবি কিনে থাকে। চলতি অর্থবছরেও এই বোর্ডের জন্য ১৬ হাজার টন কাগজের অর্ডার ছিল। কিন্তু এনসিটিবি অর্ডার অনুযায়ী কাগজ কর্ণফুলী পেপার মিল থেকে কিনে না নিয়ে বেসরকারি বিভিন্ন কাগজকল থেকে এই কাগজ কিনেছে। অর্থবছরের শুরু থেকে এনসিটিবির কাগজের চাহিদা পূরণ করতে কেপিএম কর্তৃপক্ষ ধারদেনার মাধ্যমে কাঁচামাল সংগ্রহ করে দ্রুতগতিতে কাগজ উত্পাদন করলেও অর্ডার অনুযায়ী এনসিটিবি কাগজ কিনছে না। কেপিএম কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগে এনসিটিবির অর্ডার থাকায় মিলের স্থানীয় ডিলারদের কাছেও কাগজ বিক্রি করা হয়নি। এ অবস্থায় কারখানায় প্রায় দুই হাজার টন কাগজ অবিক্রীত পড়ে আছে। ফলে কারখানাটি এখন চরম অর্থ সঙ্কটে পতিত হয়েছে।
মিলের সিবিএ সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, মিলের উত্পাদিত কাগজ বিক্রি না হওয়ায় কারখানাটি বিপুল অঙ্কের দেনার মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ একান্ত বাধ্য হয়ে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এক মাস মিলের উত্পাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, বিপুল পরিমাণ কাগজ অবিক্রীত থাকায় কারখানা অর্থ সঙ্কটে রয়েছে। এতে চলতি অর্থবছরে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এনসিটিবি অর্ডার অনুযায়ী এখনই কাগজ কিনে নিলে এই সঙ্কট কেটে যাবে বলে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।
অর্ডার অনুযায়ী কাগজ না কেনার কারণে এনসিটিবির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সূত্র জানায়, তাদের কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে তারা এখনও তার কোনো জবাব দেয়নি।
এদিকে কারখানার এই চলমান অবস্থায় গতকাল বিসিআইসির চেয়ারম্যান কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী গতকাল কর্ণফুলী পেপার মিল পরিদর্শন করেছেন। কারখানা সঙ্কট নিরসন ও অন্যান্য বিষয়ে মিলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


