বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী : ক্ষমতায় থেকে খালেদা জিয়া গঙ্গার পানি আদায় করতে পারেননি
স্টাফ রিপোর্টার
নদী কমিশনের আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি হিস্যা সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। আগামীতে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হবে। বৈঠক পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তিসহ অভিন্ন নদীর পানির সমস্যার সমাধান করা হবে।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যার্বতন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাওয়ার আগে গতকাল সর্বশেষ দেয়া এ বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরের সফলতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। একই সঙ্গে সফরের সফলতা কামনার জন্য বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানান। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেত্রীর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনারা ক্ষমতায় থাকতে দেশের স্বার্থের কথা ভুলে যান। আর ক্ষমতা চলে গেলেই সব মনে পড়ে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী থাকতে উনি (বেগম খালেদা জিয়া) দিল্লি গিয়ে গঙ্গা পানিবণ্টনের কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন। ক্ষমতায় থাকতে উনি তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা নিয়ে আসলেন না কেন? তারা যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকও ঠিকমত করতে পারেননি। টিপাইমুখের কথা ক্ষমতায় থাকতে উনার মুখে শুনিনি। এ বিষয়ে তখন তিনি মুখ টিপে রেখেছিলেন। এখন সব দাবির কথা আসছে।
তিনি বলেন, দেশের জন্য কী করতে হবে আর কী করতে হবে না সেটা আমরা ভুলে যাইনি। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে গঙ্গা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করেছি। আমরা তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির জন্য নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা চালাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে। বিএনপির সময় সমুদ্রসীমানা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলেও এটা সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার সমুদ্রসীমা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার সমাধানে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি জাতিসংঘের সালিশি আদালতে নালিশ জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে। যুদ্ধে তাদের ১৬ হাজারের মতো সৈনিক মারা গেছে। নেপালও আমাদের অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পালিয়ে গেলে দেশের মানুষের জীবন বিপন্ন হবে মনে করে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিয়েছিলেন। অথচ একটি মহল এ ঘটনা নিয়ে মিথ্যাকে দিয়ে সত্যকে ঢাকা অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
ভারত সফর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম পড়শি দেশ। আমরা তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। এই সফরে সবার কছে দোয়া চাই যেন সফর সফল করে দেশের মাটিতে ফিরতে পারি।
সরকারের এক বছরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় মধ্যে নিয়ে আসি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার ৪৫ টাকার চাল আমরা কমিয়ে ১৮ টাকায় নিয়ে আসি। বর্তমানে কিছুটা বাড়লেও তা ২২ থেকে ২৪ টাকার মধ্যে রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি সাড়ে ১০ ভাগ থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ৫ ভাগে নিয়ে এসেছিলাম। বর্তমানে এটি ভাগের মতো হয়েছে। আমরা জিনিসপত্রের দাম কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের উত্পাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য দেয়ার বিষয়ে সচেতন। অথচ দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিরোধী দল অপপ্রচার চালাচ্ছে।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর জোট সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘুদের ওপর অমানুষিক অত্যাচার নির্যাতন হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এসবের প্রতিশোধ নিতে চাই না। কোনো প্রতিশোধ-প্রতিহিংসায় আমরা বিশ্বাস করি না। তবে, হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক অত্যাচার নির্যাতনের তদন্তে কমিশন গঠন করা হয়েছে। ওই অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার যারা হয়েছে তারা কমিশনে এসে তথ্য দেবেন।
চট্টগ্রামে আটক ১০ ট্রাক অস্ত্র ও বগুড়ায় আটক ৩ কোটি গোলাবারুদের গন্তব্যস্থল ভারত ছিল উল্লেখ করে আলোচনা সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, খালেদা-নিজামী সরকার পাকিস্তানের সহযোগিতায় ভারতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দিয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, উপরে উপরে ভালো সম্পর্কের কথা বলা হলেও বিএনপি-জামায়াতের ৫ বছরসহ বিগত ৭ বছরে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এই সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যই ভারত যাচ্ছেন। সফরে কী পেলাম আর কী পেলাম না এটা বড় কথা নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সফরটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বিশ্বাস ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনই এই সফরের মূল লক্ষ্য।
সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজুলল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, সতীশ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদ নাসিম, আবদুল মতিন খসরু, এমএ আজিজ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
এদিকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন গতকাল নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করেছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা এ উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কেন্দ্রীয়ভাবে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যার্বতন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাওয়ার আগে গতকাল সর্বশেষ দেয়া এ বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরের সফলতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। একই সঙ্গে সফরের সফলতা কামনার জন্য বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানান। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেত্রীর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনারা ক্ষমতায় থাকতে দেশের স্বার্থের কথা ভুলে যান। আর ক্ষমতা চলে গেলেই সব মনে পড়ে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী থাকতে উনি (বেগম খালেদা জিয়া) দিল্লি গিয়ে গঙ্গা পানিবণ্টনের কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন। ক্ষমতায় থাকতে উনি তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা নিয়ে আসলেন না কেন? তারা যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকও ঠিকমত করতে পারেননি। টিপাইমুখের কথা ক্ষমতায় থাকতে উনার মুখে শুনিনি। এ বিষয়ে তখন তিনি মুখ টিপে রেখেছিলেন। এখন সব দাবির কথা আসছে।
তিনি বলেন, দেশের জন্য কী করতে হবে আর কী করতে হবে না সেটা আমরা ভুলে যাইনি। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে গঙ্গা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করেছি। আমরা তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির জন্য নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা চালাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে। বিএনপির সময় সমুদ্রসীমানা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলেও এটা সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার সমুদ্রসীমা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার সমাধানে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি জাতিসংঘের সালিশি আদালতে নালিশ জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে। যুদ্ধে তাদের ১৬ হাজারের মতো সৈনিক মারা গেছে। নেপালও আমাদের অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পালিয়ে গেলে দেশের মানুষের জীবন বিপন্ন হবে মনে করে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিয়েছিলেন। অথচ একটি মহল এ ঘটনা নিয়ে মিথ্যাকে দিয়ে সত্যকে ঢাকা অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
ভারত সফর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম পড়শি দেশ। আমরা তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। এই সফরে সবার কছে দোয়া চাই যেন সফর সফল করে দেশের মাটিতে ফিরতে পারি।
সরকারের এক বছরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় মধ্যে নিয়ে আসি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার ৪৫ টাকার চাল আমরা কমিয়ে ১৮ টাকায় নিয়ে আসি। বর্তমানে কিছুটা বাড়লেও তা ২২ থেকে ২৪ টাকার মধ্যে রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি সাড়ে ১০ ভাগ থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ৫ ভাগে নিয়ে এসেছিলাম। বর্তমানে এটি ভাগের মতো হয়েছে। আমরা জিনিসপত্রের দাম কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের উত্পাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য দেয়ার বিষয়ে সচেতন। অথচ দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিরোধী দল অপপ্রচার চালাচ্ছে।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর জোট সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘুদের ওপর অমানুষিক অত্যাচার নির্যাতন হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এসবের প্রতিশোধ নিতে চাই না। কোনো প্রতিশোধ-প্রতিহিংসায় আমরা বিশ্বাস করি না। তবে, হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক অত্যাচার নির্যাতনের তদন্তে কমিশন গঠন করা হয়েছে। ওই অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার যারা হয়েছে তারা কমিশনে এসে তথ্য দেবেন।
চট্টগ্রামে আটক ১০ ট্রাক অস্ত্র ও বগুড়ায় আটক ৩ কোটি গোলাবারুদের গন্তব্যস্থল ভারত ছিল উল্লেখ করে আলোচনা সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, খালেদা-নিজামী সরকার পাকিস্তানের সহযোগিতায় ভারতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দিয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, উপরে উপরে ভালো সম্পর্কের কথা বলা হলেও বিএনপি-জামায়াতের ৫ বছরসহ বিগত ৭ বছরে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী এই সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যই ভারত যাচ্ছেন। সফরে কী পেলাম আর কী পেলাম না এটা বড় কথা নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সফরটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বিশ্বাস ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনই এই সফরের মূল লক্ষ্য।
সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজুলল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, সতীশ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদ নাসিম, আবদুল মতিন খসরু, এমএ আজিজ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
এদিকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন গতকাল নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করেছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা এ উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কেন্দ্রীয়ভাবে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


