কারওয়ান বাজারে পল্লী ভবনের নিচতলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (পল্লী ভবন) নিচতলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গতকাল দুপুরে নিচতলার বেজমেন্টে আগুন লাগার পর ভবনের বিভিন্ন তলায় অবস্থান করা প্রায় ৫ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে থাকে ভবন থেকে। ভবনে আটকা পড়ে অন্তত ২০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিচতলা থেকে কালো ধোঁয়া মুহূর্তের মধ্যে ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আশপাশের এলাকাও। ভেতরে থাকা লোকজন ভয়ে চিত্কার-কান্নাকাটি শুরু করে দেন। অনেকেই দ্রুত নিচে নেমে আসেন। কয়েকজন দৌড়ে গিয়ে ছাদে আশ্রয় নেন। আশপাশের ভবনের লোকজনের মধ্যেও আতঙ্ক দেখা দেয়। হাজার হাজার উত্সুক মানুষ ভিড় করেন চারপাশে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫ নম্বর কারওয়ান বাজারস্থ পল্লী ভবনে দুপুর আড়াইটার দিকে মাটির নিচের তলায় বিকট শব্দ হওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ভবনের সিকিউরিটি গার্ড আমির হোসেন জানান, জোহরের নামাজের একটু পরেই বিকট শব্দ হয়। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ভবনে বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই আরও কয়েকটি শব্দ হয়ে আগুন ধরে যায়। নিচতলায় ৭টি নতুন গাড়ি, তিনটি পুরনো গাড়ি, পুরনো গাড়ির খোলা যন্ত্রাংশ ছিল। এক পাশে বিদ্যুতের সাব স্টেশন, গ্যাস সিলিন্ডার, তার পাশেই স্তূপ করে রাখা ছিল অনেক পুরনো টায়ার, টিউব, জীর্ণ কাগজ এবং অব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের আসবাব। সেখান থেকে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। অল্প সময়ের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় নিচতলা। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে থাকে। এর মধ্যেই ৭ তলা ভবনের প্রতিটি তলা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটির পর গতকাল কর্মস্থলে যোগ দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানের অনেকেই। প্রায় পাঁচশ’ কর্মকর্তা-কর্মচারী ভবনে অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। আশপাশের ভবনগুলোতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় লোকজন নিচে নেমে আসেন। ছুটে আসে র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট।
পল্লী ভবনের দক্ষিণ পাশেই পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। পশ্চিম পাশেই রয়েছে বিএসইসি ভবন। বিএসইসি ভবনে তিন বছর আগে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। তাই গতকাল পল্লী ভবনে আগুন লাগার পরই স্থানীয় লোকজনের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়। যারা ছাদে আটকা ছিলেন তাদের আত্মীয়স্বজন নিচে বসে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। পুলিশ ও র্যাব ভবনের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন থাকে পুলিশ।
ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট আগুন নির্বাপণের চেষ্টা চালায়। উদ্ধারকর্মীরা ফায়ার সার্ভিসের টার্ন টেবিল লেডার (টিটিএল) দিয়ে ৭ তলার ছাদে চলে যান। সেখান থেকে ৬ জনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। ছাদ থেকে নিচে নেমে আসা পল্লী ভবনের কর্মচারী বেলাল জানান, ৭ তলায় তার ডিউটি ছিল। আগুন লাগার সময় তিনি ছিলেন চারতলায়। আগুন লাগার পর নিচে নেমে আসতে চাইলে সিঁড়িতে ধোঁয়ায় আটকা পড়ে। পরে দৌড়ে ছাদে চলে যান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুনের ধোঁয়ায় আটকা পড়ে ২০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে আগুন আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে কোনো তলায় ছড়ানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ভবনের উত্তর দিকের হস্তশিল্পে পোশাক তৈরি প্রতিষ্ঠান কারুপল্লীর কোনো ক্ষতি হয়নি। আগেই তা বন্ধ করে দেয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে আসেন গৃহায়ন ও পূর্ত প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা। কোনো নাশকতা বলে মনে হচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নাইম মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, উদ্ধারকর্মীরা প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকাল চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, আগুনের চেয়ে কালো ধোঁয়া ছিল বেশি। কালো ধোঁয়ার কারণেই আতঙ্ক ছড়ায়। উদ্ধার কর্মীদেরও ভেতরে গিয়ে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।
এদিকে দুপুরে প্রায় একই সময়ে মতিঝিলে এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, এনসিসি ব্যাংকে আগুন লাগার কিছুক্ষণ পরই নিভে যায়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদেরও সেখানে যেতে হয়নি।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫ নম্বর কারওয়ান বাজারস্থ পল্লী ভবনে দুপুর আড়াইটার দিকে মাটির নিচের তলায় বিকট শব্দ হওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ভবনের সিকিউরিটি গার্ড আমির হোসেন জানান, জোহরের নামাজের একটু পরেই বিকট শব্দ হয়। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ভবনে বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই আরও কয়েকটি শব্দ হয়ে আগুন ধরে যায়। নিচতলায় ৭টি নতুন গাড়ি, তিনটি পুরনো গাড়ি, পুরনো গাড়ির খোলা যন্ত্রাংশ ছিল। এক পাশে বিদ্যুতের সাব স্টেশন, গ্যাস সিলিন্ডার, তার পাশেই স্তূপ করে রাখা ছিল অনেক পুরনো টায়ার, টিউব, জীর্ণ কাগজ এবং অব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের আসবাব। সেখান থেকে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। অল্প সময়ের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় নিচতলা। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে থাকে। এর মধ্যেই ৭ তলা ভবনের প্রতিটি তলা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটির পর গতকাল কর্মস্থলে যোগ দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানের অনেকেই। প্রায় পাঁচশ’ কর্মকর্তা-কর্মচারী ভবনে অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। আশপাশের ভবনগুলোতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় লোকজন নিচে নেমে আসেন। ছুটে আসে র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট।
পল্লী ভবনের দক্ষিণ পাশেই পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। পশ্চিম পাশেই রয়েছে বিএসইসি ভবন। বিএসইসি ভবনে তিন বছর আগে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। তাই গতকাল পল্লী ভবনে আগুন লাগার পরই স্থানীয় লোকজনের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়। যারা ছাদে আটকা ছিলেন তাদের আত্মীয়স্বজন নিচে বসে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। পুলিশ ও র্যাব ভবনের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন থাকে পুলিশ।
ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট আগুন নির্বাপণের চেষ্টা চালায়। উদ্ধারকর্মীরা ফায়ার সার্ভিসের টার্ন টেবিল লেডার (টিটিএল) দিয়ে ৭ তলার ছাদে চলে যান। সেখান থেকে ৬ জনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। ছাদ থেকে নিচে নেমে আসা পল্লী ভবনের কর্মচারী বেলাল জানান, ৭ তলায় তার ডিউটি ছিল। আগুন লাগার সময় তিনি ছিলেন চারতলায়। আগুন লাগার পর নিচে নেমে আসতে চাইলে সিঁড়িতে ধোঁয়ায় আটকা পড়ে। পরে দৌড়ে ছাদে চলে যান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুনের ধোঁয়ায় আটকা পড়ে ২০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে আগুন আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে কোনো তলায় ছড়ানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ভবনের উত্তর দিকের হস্তশিল্পে পোশাক তৈরি প্রতিষ্ঠান কারুপল্লীর কোনো ক্ষতি হয়নি। আগেই তা বন্ধ করে দেয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে আসেন গৃহায়ন ও পূর্ত প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা। কোনো নাশকতা বলে মনে হচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নাইম মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, উদ্ধারকর্মীরা প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকাল চারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, আগুনের চেয়ে কালো ধোঁয়া ছিল বেশি। কালো ধোঁয়ার কারণেই আতঙ্ক ছড়ায়। উদ্ধার কর্মীদেরও ভেতরে গিয়ে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।
এদিকে দুপুরে প্রায় একই সময়ে মতিঝিলে এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, এনসিসি ব্যাংকে আগুন লাগার কিছুক্ষণ পরই নিভে যায়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদেরও সেখানে যেতে হয়নি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


