জেনারেল মইনের বিরুদ্ধে মামলা চলবে
স্টাফ রিপোর্টার
সেনা সমর্থিত অসাংবিধানিক সরকারের রূপকার ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মইন উ আহমেদের বিরুদ্ধে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দায়ের করা মানহানির মামলা চলবে। মামলাটি খারিজ চেয়ে মইনের করা আবেদন খারিজ করে আদালত গতকাল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত ওয়ান ইলেভেনের দুর্ভোগের নায়ক হিসেবে চিহ্নিত সাবেক এ সেনাপ্রধানের সম্পত্তি ক্রোকের ব্যাপারে টুকুর করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ৩১ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করেন। ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক এসএম সাইফুল ইসলাম গতকাল এ আদেশ দেন।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গত বছরের ১২ জুলাই ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে জেনারেল মইনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আর্জিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মইন উ আহমেদ তার চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন স্থানে জনগণের উদ্দেশে মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিদ্যুত্ খাত থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং জাতীয় নেতানেত্রীদের মানহানি করেছেন। আর্জিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ৫ বছরে বিদ্যুত্ খাতে মোট বরাদ্দ ছিল সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা বিদ্যুত্ কেন্দ্রের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে। ওই ৫ বছরে বিদ্যুত্ খাত থেকে একটি টাকাও অপচয় হয়নি বলে আর্জিতে উল্লেখ করা হয়। এরপরেও মইন উ আহমেদ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আমার ও আমার দলের নেতাকর্মীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এ মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির পর গঠিত ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পেছনে ওই সময়ের বিতর্কিত সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের একটি জোরালো নেপথ্য ভূমিকা ছিল বলে নিজেই বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন দেয়ার কথা মইন নিজেও স্বীকার করেন। এছাড়াও ওই সময়ে বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। জরুরি অবস্থার মধ্যে অন্য অনেক রাজনীতিবিদের মতো ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু তার স্ত্রী ও সস্তানসহ মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার হন। পরে আদালতের আদেশে তারা মুক্তি পান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গত বছরের ১২ জুলাই ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে জেনারেল মইনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আর্জিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মইন উ আহমেদ তার চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন স্থানে জনগণের উদ্দেশে মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিদ্যুত্ খাত থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং জাতীয় নেতানেত্রীদের মানহানি করেছেন। আর্জিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ৫ বছরে বিদ্যুত্ খাতে মোট বরাদ্দ ছিল সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা বিদ্যুত্ কেন্দ্রের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে। ওই ৫ বছরে বিদ্যুত্ খাত থেকে একটি টাকাও অপচয় হয়নি বলে আর্জিতে উল্লেখ করা হয়। এরপরেও মইন উ আহমেদ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আমার ও আমার দলের নেতাকর্মীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এ মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির পর গঠিত ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পেছনে ওই সময়ের বিতর্কিত সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের একটি জোরালো নেপথ্য ভূমিকা ছিল বলে নিজেই বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন দেয়ার কথা মইন নিজেও স্বীকার করেন। এছাড়াও ওই সময়ে বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। জরুরি অবস্থার মধ্যে অন্য অনেক রাজনীতিবিদের মতো ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু তার স্ত্রী ও সস্তানসহ মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার হন। পরে আদালতের আদেশে তারা মুক্তি পান।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


