টোগোকে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব, প্রধানমন্ত্রী-খেলোয়াড় বিরোধ
স্পোর্টস ডেস্ক
আফ্রিকান নেশন্স কাপে টোগোকে নিয়ে এখন একের পর এক নাটকীয় ঘটনা তৈরি হচ্ছে! শুক্রবার দেশটির ফুটবলার বহন করা বাসের ওপর আক্রমণ হওয়ার পর টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল টোগো। ইমানুয়েল আদেবায়েরদের টোগোর সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল অ্যাঙ্গোলা থেকে দেশে ফেরার জন্য। প্রাথমিক অবস্থায় ফুটবলাররাও সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু নেশন্স কাপের স্বাগতিক অ্যাঙ্গোলার নিরাপত্তা বিভাগের সঙ্গে কথা বলে ‘ইউ টার্ন’ করেছেন ফুটবলাররা। তারাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ‘কাপুরুষের’ মতো সন্ত্রাসীর ভয়ে পালাবেন না। খেলবেন ১৬ জাতির এই টুর্নামেন্টে। আর সেটা হলে আজই ঘানার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে দেখা যাবে টোগোর ফুটবলারদের। কিন্তু সর্বশেষ ঘটনাপ্রবাহে মনে হচ্ছে দেশে ফিরতেই হবে আদেবায়েরদের। কারণ প্রধানমন্ত্রী গিলবার্ট হোংবো খেলোয়াড়দের দেশে ফিরিয়ে নিতে বিমান পাঠিয়ে দিয়েছেন। আদেবায়েরও বলেছেন তারা দেশে ফিরতে তৈরি।
কিন্তু অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, আরও হামলার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মেশিনগান নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা যারা চালিয়েছে সেই ফ্রন্ট অব দ্য লিবারেশন অব এনক্লাভ অব কাবিন্দা জানিয়েছে তার পিছু হটবে না। আবারও আক্রমণের হুঙ্কার দিয়েছে তারা। এ অবস্থায় আজ টোগো মাঠে নামবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থাকছেই। সবচেয়ে বড় কথা দেশের রাজনৈতিক পর্যায় থেকে আদেবায়েরদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে দেশে ফেরার জন্য। সরকারের একজন মুখপাত্র প্যাসকেল বোদোনা বলছিলেন, ‘সরকারি পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আমরা জরুরি সভায় বসেছিলাম। এখানে সবাই একমত হয়েছেন যে, এখন টুর্নামেন্ট বয়কট করে ওদের অ্যাঙ্গোলা থেকে দেশে ফেরা উচিত। দেখুন এটা ছিল ভয়াবহ এক হামলা। যেখানে সহকারী কোচসহ তিনজন মারা গেছে, আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন, সেখানে আর যাইহোক খেলার মেজাজ থাকে না। মৃত্যুর চিন্তা মাথায় নিয়ে খেলা যায় না।’ এখানেই থামেননি ওই মুখপাত্র। সঙ্গে যোগ করেন, ‘টোগোর জনগণও চাইছে জাতীয় বীর ফুটবলাররা ফিরে আসুক। গোলকিপার কোডজোভি ওবিলালে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইনটেনসিভ কেয়ারে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ও। এ অবস্থায় অন্যদের দেশে ফিরে আসা উচিত।’
কিন্তু সরকারের এমন পরামর্শ মাথায় নিতে নারাজ ফুটবলাররা। দলের ফুটবলার টমাস দোসোভি বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে বলছিলেন, ‘এটা ঠিক এমন সন্ত্রাসী হামলার পর আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে। কিন্তু এ অবস্থায় কাপুরুষের মতো আমরা পালাতে চাই না। আমরা সবাইকে আমাদের জাতীয়তাবোধ দেখাতে চাই। মাঠে ফুটবল খেলে দেখাতে চাই সন্ত্রাসের কাছে ফুটবলাররা কখনও নত হয় না।’ আরেক ফুটবলার অ্যালোক্সিস রোমাও বলছিলেন, ‘আমরা নিরাপত্তা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আগে সভা করেছি। সিদ্ধান্ত নিয়েছি সোমবার (আজ) ঘানার বিপক্ষে নেশন্স কাপের ম্যাচ খেলব।’ টোগোর ফুটবলারদের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবল। তারা জানিয়েছে এখন থেকে নিরাপত্তার কোনো কমতি থাকবে না।
কিন্তু টোগোর মিডিয়া বলছে বুদ্ধিমানের মতো কাজ হবে অ্যাঙ্গোলা থেকে আদেবায়েরদের দেশে ফিরে যাওয়া।
কিন্তু অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, আরও হামলার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মেশিনগান নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা যারা চালিয়েছে সেই ফ্রন্ট অব দ্য লিবারেশন অব এনক্লাভ অব কাবিন্দা জানিয়েছে তার পিছু হটবে না। আবারও আক্রমণের হুঙ্কার দিয়েছে তারা। এ অবস্থায় আজ টোগো মাঠে নামবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থাকছেই। সবচেয়ে বড় কথা দেশের রাজনৈতিক পর্যায় থেকে আদেবায়েরদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে দেশে ফেরার জন্য। সরকারের একজন মুখপাত্র প্যাসকেল বোদোনা বলছিলেন, ‘সরকারি পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আমরা জরুরি সভায় বসেছিলাম। এখানে সবাই একমত হয়েছেন যে, এখন টুর্নামেন্ট বয়কট করে ওদের অ্যাঙ্গোলা থেকে দেশে ফেরা উচিত। দেখুন এটা ছিল ভয়াবহ এক হামলা। যেখানে সহকারী কোচসহ তিনজন মারা গেছে, আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন, সেখানে আর যাইহোক খেলার মেজাজ থাকে না। মৃত্যুর চিন্তা মাথায় নিয়ে খেলা যায় না।’ এখানেই থামেননি ওই মুখপাত্র। সঙ্গে যোগ করেন, ‘টোগোর জনগণও চাইছে জাতীয় বীর ফুটবলাররা ফিরে আসুক। গোলকিপার কোডজোভি ওবিলালে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইনটেনসিভ কেয়ারে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ও। এ অবস্থায় অন্যদের দেশে ফিরে আসা উচিত।’
কিন্তু সরকারের এমন পরামর্শ মাথায় নিতে নারাজ ফুটবলাররা। দলের ফুটবলার টমাস দোসোভি বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে বলছিলেন, ‘এটা ঠিক এমন সন্ত্রাসী হামলার পর আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে। কিন্তু এ অবস্থায় কাপুরুষের মতো আমরা পালাতে চাই না। আমরা সবাইকে আমাদের জাতীয়তাবোধ দেখাতে চাই। মাঠে ফুটবল খেলে দেখাতে চাই সন্ত্রাসের কাছে ফুটবলাররা কখনও নত হয় না।’ আরেক ফুটবলার অ্যালোক্সিস রোমাও বলছিলেন, ‘আমরা নিরাপত্তা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আগে সভা করেছি। সিদ্ধান্ত নিয়েছি সোমবার (আজ) ঘানার বিপক্ষে নেশন্স কাপের ম্যাচ খেলব।’ টোগোর ফুটবলারদের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবল। তারা জানিয়েছে এখন থেকে নিরাপত্তার কোনো কমতি থাকবে না।
কিন্তু টোগোর মিডিয়া বলছে বুদ্ধিমানের মতো কাজ হবে অ্যাঙ্গোলা থেকে আদেবায়েরদের দেশে ফিরে যাওয়া।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


