শুটিং-ভারোত্তোলনে স্বর্ণের প্রত্যাশা নেই
স্পোর্টস রিপোর্টার
আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম এসএ গেমস। মোট ২৩টি ডিসিপ্লিনে খেলা হবে। এসএ গেমসকে সামনে রেখে বিওএ (বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন) বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। বিওএ’র নবনির্মিত ভবনে গতকাল প্রথম দিনে শুটিং ও ভারোত্তোলন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়। নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন পর্ব শুরু হয়। শুটিং ও ভারোত্তোলন দুই ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের মাটিতে এসএ গেমসে ভালো করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেও স্বর্ণ জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রথম পর্বে ছিল ভারোত্তোলন। ফেডারেশন থেকে খেলোয়াড়দের তালিকা সংবলিত যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ এবং বানান ভুল যত্রতত্র। বিভিন্ন ওজন শ্রেণীতে মোট ৮ ভারোত্তোলকের নাম প্রকাশ করা হয়। দলে কোচ ও একজন ম্যানেজার আছেন। খেলোয়াড়রা হচ্ছেন—আকরাম হক (৫৬ কেজি), আবদুল্লাহ আল মামুন (৮৫ কেজি), হামিদুল ইসলাম (৭৭ কেজি), শিমুলকান্তি সিং (৬২ কেজি), ফরহাদ আলী (৯৪ কেজি), বিদ্যুত্ কুমার রায় (১০৫ কেজি), ফিরোজ মাহমুদ (+১৪৫ কেজি)। কোচ ফারুক ও মোতালেব।
১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে প্রায় এক বছর অনুশীলন শেষে দুই মাস আগে দল ছোট করা হয়। বিদেশি কোচ নেই। সরঞ্জামাদি দেশে পাওয়া যায় না। বিওএ ও এনএসসি বিদেশ থেকে ভারোত্তোলনের জন্য সরঞ্জাম এনে দেয়ায় নির্বিঘ্নে অনুশীলন চলছে। তবে ভারত ও পাকিস্তান জুজুর ভয়ে যুগের পর যুগ ক্ষমতায় থাকা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক উইং কমান্ডার মহিউদ্দিন আহমেদ ভালো করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেও সোনা জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি। গত শ্রীলঙ্কা সাফ গেমসে বাংলাদেশ এক রৌপ্য ও ৫টি ব্রোঞ্চ পদক পায়। কোচ কাজল সরকারও সোনা জয়ের কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি।
দ্বিতীয় সংবাদ সম্মেলনে আসে শুটিং ফেডারেশন। মোট ১৮ জন শুটার অংশ নিচ্ছেন এবারের এসএ গেমসে। বাংলাদেশ দল যেসব ইভেন্টে অংশ নেবে সেগুলো হচ্ছে ১০ মিটার এয়ার রাইফেল (মহিলা ও পুরুষ), ৫০ মিটার রাইফেল (পুরুষ ও মহিলা), ১০ মিটার এয়ার পিস্তল (পুরুষ ও মহিলা), ২৫ মিটার পিস্তল (পুরুষ ও মহিলা), ৫০ মিটার পিস্তল (পুরুষ)। গুলশান শুটিং রেঞ্জে কাজ চলায় এতদিন বিকেএসপিতে অনুশীলন হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি থেকে শুটাররা আবার গুলশান শুটিং রেঞ্জে অনুশীন করছেন।
গত সাফ গেমসে শুটিং থেকে মাত্র ২টি রৌপ্য পদক আসে। এক সময় শুটিংয়ে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে সেরা ছিল। কিন্তু ভারত দ্রুত উন্নতি করেছে এ ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ কমনওয়েলথ গেমস থেকেও স্বর্ণপদক জয় করেছিল। কিন্তু শুটিং ফেডারেশনের সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ইভেন্ট শুটিং দিনের পর দিন অধোগতির চূড়ান্ত সীমানায় চলে গেছে। অথচ সরকারি অনুদানের পাশাপাশি শুটিং ফেডারেশন কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া দিয়ে অনেক টাকা আয় করে। কিন্তু এসব অর্থ বছরের পর বছর অপখাতে ব্যয় হয়েছে। শুটিং ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ বাংলাদেশের শুটারদের স্কোরিং জানাতে রাজি হননি কৌশলগত কারণ দেখিয়ে। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, এসএ গেমসের শুটিংয়ে ভারতীয় শুটারদের ধারেকাছে বাংলাদেশের শুটাররা নেই। শুটার আসিফ আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করলেও তার পারফরমেন্স সোনা পাওয়ার মতো নয়। সব মিলিয়ে দেশের মাটিতে এসএ গেমসে অন্য ইভেন্টের মতো শুটিং ও ভারোত্তোলন কোনো স্বর্ণজয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি। অথচ বিওএ যে ১৭টি সোনা জয়ের অলীক স্বপ্ন দেশবাসীকে দেখিয়েছিল, তাতে শুটিং ও ভারোত্তোলন
যুক্ত ছিল।
সংবাদ সম্মেলনের প্রথম পর্বে ছিল ভারোত্তোলন। ফেডারেশন থেকে খেলোয়াড়দের তালিকা সংবলিত যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ এবং বানান ভুল যত্রতত্র। বিভিন্ন ওজন শ্রেণীতে মোট ৮ ভারোত্তোলকের নাম প্রকাশ করা হয়। দলে কোচ ও একজন ম্যানেজার আছেন। খেলোয়াড়রা হচ্ছেন—আকরাম হক (৫৬ কেজি), আবদুল্লাহ আল মামুন (৮৫ কেজি), হামিদুল ইসলাম (৭৭ কেজি), শিমুলকান্তি সিং (৬২ কেজি), ফরহাদ আলী (৯৪ কেজি), বিদ্যুত্ কুমার রায় (১০৫ কেজি), ফিরোজ মাহমুদ (+১৪৫ কেজি)। কোচ ফারুক ও মোতালেব।
১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে প্রায় এক বছর অনুশীলন শেষে দুই মাস আগে দল ছোট করা হয়। বিদেশি কোচ নেই। সরঞ্জামাদি দেশে পাওয়া যায় না। বিওএ ও এনএসসি বিদেশ থেকে ভারোত্তোলনের জন্য সরঞ্জাম এনে দেয়ায় নির্বিঘ্নে অনুশীলন চলছে। তবে ভারত ও পাকিস্তান জুজুর ভয়ে যুগের পর যুগ ক্ষমতায় থাকা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক উইং কমান্ডার মহিউদ্দিন আহমেদ ভালো করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেও সোনা জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি। গত শ্রীলঙ্কা সাফ গেমসে বাংলাদেশ এক রৌপ্য ও ৫টি ব্রোঞ্চ পদক পায়। কোচ কাজল সরকারও সোনা জয়ের কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে পারেননি।
দ্বিতীয় সংবাদ সম্মেলনে আসে শুটিং ফেডারেশন। মোট ১৮ জন শুটার অংশ নিচ্ছেন এবারের এসএ গেমসে। বাংলাদেশ দল যেসব ইভেন্টে অংশ নেবে সেগুলো হচ্ছে ১০ মিটার এয়ার রাইফেল (মহিলা ও পুরুষ), ৫০ মিটার রাইফেল (পুরুষ ও মহিলা), ১০ মিটার এয়ার পিস্তল (পুরুষ ও মহিলা), ২৫ মিটার পিস্তল (পুরুষ ও মহিলা), ৫০ মিটার পিস্তল (পুরুষ)। গুলশান শুটিং রেঞ্জে কাজ চলায় এতদিন বিকেএসপিতে অনুশীলন হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি থেকে শুটাররা আবার গুলশান শুটিং রেঞ্জে অনুশীন করছেন।
গত সাফ গেমসে শুটিং থেকে মাত্র ২টি রৌপ্য পদক আসে। এক সময় শুটিংয়ে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে সেরা ছিল। কিন্তু ভারত দ্রুত উন্নতি করেছে এ ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ কমনওয়েলথ গেমস থেকেও স্বর্ণপদক জয় করেছিল। কিন্তু শুটিং ফেডারেশনের সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ইভেন্ট শুটিং দিনের পর দিন অধোগতির চূড়ান্ত সীমানায় চলে গেছে। অথচ সরকারি অনুদানের পাশাপাশি শুটিং ফেডারেশন কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া দিয়ে অনেক টাকা আয় করে। কিন্তু এসব অর্থ বছরের পর বছর অপখাতে ব্যয় হয়েছে। শুটিং ফেডারেশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ বাংলাদেশের শুটারদের স্কোরিং জানাতে রাজি হননি কৌশলগত কারণ দেখিয়ে। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, এসএ গেমসের শুটিংয়ে ভারতীয় শুটারদের ধারেকাছে বাংলাদেশের শুটাররা নেই। শুটার আসিফ আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করলেও তার পারফরমেন্স সোনা পাওয়ার মতো নয়। সব মিলিয়ে দেশের মাটিতে এসএ গেমসে অন্য ইভেন্টের মতো শুটিং ও ভারোত্তোলন কোনো স্বর্ণজয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি। অথচ বিওএ যে ১৭টি সোনা জয়ের অলীক স্বপ্ন দেশবাসীকে দেখিয়েছিল, তাতে শুটিং ও ভারোত্তোলন
যুক্ত ছিল।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


