সুরমা ও কুশিয়ারা যৌথ নদী কমিশনের কাজ ৭ বছর বন্ধ
বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি
সুরমা ও কুশিয়ারা যৌথ নদী কমিশনের কাজ ৭ বছর বন্ধ রয়েছে। প্রতিবেশী দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনীহা নাকি অর্থ বরাদ্দের অভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প থেমে আছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কিছুই জানাতে পারেনি। এ বিষয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রায় ৭ বছর আগে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকের সিদ্ধান্তও রহস্যজনক কারণে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ভাঙনরোধ এবং দেশের প্রধান নদীগুলোর অন্যতম সুরমা ও কুশিয়ারার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের গৃহীত সার্ভে কাজ ৭ বছর আগে শুরু হওয়ার কথা ছিল।
গত ২০০৩ সালের ৫ মে এ উপত্যকার ভারত ও বাংলাদেশের নদী সমস্যা নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের একটি বৈঠক পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভরাট হয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উত্সস্থল অনতিবিলম্বে খনন করা না হলে সুরমা নদীকে বাঁচানো এবং কুশিয়ারা নদীর ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে না বলে উভয় দেশের পানি বিশেষজ্ঞরা অভিমত পোষণ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় উভয় দেশের নদীগুলোকে সার্ভে করার জন্য। কিন্তু বৈঠকের সিদ্ধান্তের পর প্রায় ৭ বছর পার হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত সার্ভের কাজ শুরু হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট অফিস সূত্রে জানা যায়, এ সার্ভের কাজটি সিদ্ধান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। এ নিয়ে বৈঠকের পর আজ পর্যন্ত কোনো কাজই করা হয়নি। সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার অমলসীদ নামক স্থানে ভারত থেকে আসা বরাক নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা নাম ধরে বাংলাদেশের ভেতর প্রবেশ করেছে। কিন্তু প্রতি বছর উজানের ঢলের সঙ্গে নেমে আসা পলিমাটি ও বালুতে সুরমার উত্সস্থল অনেকটাই ভরাট হয়ে গেছে। ফলে শীত মৌসুমে প্রমত্তা সুরমা নদীটি শুকিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে সুরমা নদী দিয়ে কম পানি প্রবাহিত হওয়ায় কুশিয়ারা নদীর ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যে কারণে ভেঙেই চলেছে কুশিয়ারা নদী। এতে করে বিস্তীর্ণ জনপথ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক সাজ্জাদুল হাসান আমার দেশ প্রতিনিধিকে জানান, সুরমা ও কুশিয়ারা যৌথ নদী কমিশনের কোনো বিষয় তার জানা নেই।
গত ২০০৩ সালের ৫ মে এ উপত্যকার ভারত ও বাংলাদেশের নদী সমস্যা নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের একটি বৈঠক পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভরাট হয়ে যাওয়া সুরমা নদীর উত্সস্থল অনতিবিলম্বে খনন করা না হলে সুরমা নদীকে বাঁচানো এবং কুশিয়ারা নদীর ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে না বলে উভয় দেশের পানি বিশেষজ্ঞরা অভিমত পোষণ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় উভয় দেশের নদীগুলোকে সার্ভে করার জন্য। কিন্তু বৈঠকের সিদ্ধান্তের পর প্রায় ৭ বছর পার হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত সার্ভের কাজ শুরু হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট অফিস সূত্রে জানা যায়, এ সার্ভের কাজটি সিদ্ধান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। এ নিয়ে বৈঠকের পর আজ পর্যন্ত কোনো কাজই করা হয়নি। সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার অমলসীদ নামক স্থানে ভারত থেকে আসা বরাক নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারা নাম ধরে বাংলাদেশের ভেতর প্রবেশ করেছে। কিন্তু প্রতি বছর উজানের ঢলের সঙ্গে নেমে আসা পলিমাটি ও বালুতে সুরমার উত্সস্থল অনেকটাই ভরাট হয়ে গেছে। ফলে শীত মৌসুমে প্রমত্তা সুরমা নদীটি শুকিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে সুরমা নদী দিয়ে কম পানি প্রবাহিত হওয়ায় কুশিয়ারা নদীর ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যে কারণে ভেঙেই চলেছে কুশিয়ারা নদী। এতে করে বিস্তীর্ণ জনপথ নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক সাজ্জাদুল হাসান আমার দেশ প্রতিনিধিকে জানান, সুরমা ও কুশিয়ারা যৌথ নদী কমিশনের কোনো বিষয় তার জানা নেই।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


