Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ১১ জানুয়ারি ২০১০, ২৮ পৌষ ১৪১৬, ২৪ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কারা তৈরি করেছে সে রহস্যের উন্মোচন হয়নি

রয়টার্স
আমাজন বনের গভীরে লুকিয়ে ছিল শত শত নকশা। বৃত্ত, বর্গসহ নানারকম জ্যামিতিক আকৃতি তৈরি করা হয়েছে আমাজন বনে। আজও জানা যায়নি কারা করে গেছে এমন কাজ। তবে এসব নকশা অজ্ঞাত কোনো প্রাচীন চিন্তাশীল সমাজের ইঙ্গিত দেয়। সম্প্রতি সেই নকশাই দেখা গিয়েছে উপগ্রহের ক্যামেরায়। এ খবর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির। জানা গেছে, এসব ছবি তোলার শুরু হয়েছে সেই ১৯৯৯ সাল থেকেই। উঁচু আমাজন বেসিন এলাকায় উপগ্রহের সাহায্যে তোলা এ ছবি প্রমাণ করে ২০০টিরও বেশি জ্যামিতিক ভূমিচিত্র ছড়িয়ে আছে ১৫৫ মাইলজুড়ে। গবেষকরা এখন ধারণা করছেন, যা এখন পর্যন্ত দেখা সম্ভব হয়েছে তারও প্রায় ১০ গুণ বেশি চিত্র থাকতে পারে ওই এলাকায়। তবে এই ছবি কী উদ্দেশ্য নিয়ে আঁকা হয়েছিল বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত তা জানতে পারেননি। অনুমান করা হচ্ছে, আরও বেশি এমন চিত্র ছড়িয়ে থাকতে পারে আমাজন বনভূমিজুড়েই। এগুলো কত পুরনো হতে পারে সে সম্পর্কে ব্রাজিলের ফেডারেল ইউনিভর্সিটি অব পারা’র নৃতাত্ত্বিক ডেনিশ স্ক্যান সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসব চিত্রের জন্ম ১২৮৩ সালের কাছাকাছি সময়ে যেমন হতে পারে, তেমনি ২০০ থেকে ৩০০ সালেরও হতে পারে!
জানা গেছে, এসব নকশা যে সভ্যতার লোকজনেরই ‘আঁকা’ হোক না কেন অনুমান করা হয়, কোনো রোগ বা অন্য কোনো কারণে সেই সভ্যতা মুছে গেছে ওই এলাকা থেকে, রয়ে গেছে কেবল তাদের আঁকা নকশা। অথচ হারানো এই সভ্যতার কোনো রেকর্ডই নেই কোনো গবেষকের দলিলে। বিভিন্ন মাপজোক থেকে দেখা গেছে আমাজনের উঁচু এলাকার মাটি খুবই দুর্বল। এর ফলে এলাকাটি কৃষিকাজ বা অন্য কোনো উপায়ে জীবনধারণ করার উপযোগী নয়। ফলে সেখানে কোনো স্থায়ী বসতিও গড়ে ওঠেনি কখনও। এদিকে ইউনিভর্সিটি অব পারা’র নৃতাত্ত্বিক স্ক্যান আরও জানিয়েছে, যা জানা গেছে সেটা প্রকৃত চিত্র নয়। এখানে খুঁজে পাওয়ার মতো আরও অনেক কিছুই আছে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?