বাগেরহাটে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় আহত ২০ : জামায়াত অফিস ও বিএনপি নেতার বাড়ি ভাংচুর
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতের সভা এবং ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পৃথক হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পৃথক হামলায় জেলা বিএনপির সেক্রেটারি ও উপজেলা শিবিরের সভাপতিসহ জামায়ত, শিবির এবং ছাত্রদলের ২০ নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারীরা এ সময় কচুয়া উপজেলা জামায়াতের অফিস ও মোটরসাইকেল এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক এমপি ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিনের বাড়ি ভাংচুর করে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে জেলার কচুয়া উপজেলা জামায়াতের একটি ঘরোয়া বৈঠক চলাকালে সেখানে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতিসহ জামায়াতের ১০/১২ নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে উপজেলা শিবির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মোস্তফা কামাল, নূরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। এ সময় হামলাকারীরা সেখানে জামায়াতের অফিস, মোটরসাইকেল ভাংচুর, অর্থ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই সময় কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। জেলা বিএনপির সেক্রেটারি আলী রেজা বাবুসহ ছাত্রদল নেতা সাঈদ, মহিউদ্দিন, নাদিম, মোস্তাফিজ, জুয়েল ও অনন্ত আহত হন। জামায়াত নেতারা জানান, ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি সুজন দিহিদার, সুমন শিকদার ও মাহফুজের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। তারা এই নারকীয় ঘটনার নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবি করেন।
অপরদিকে জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে আওয়ামী যুবলীগের কতিপয় কর্মীর হামলায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৫/৬ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী আহত হন। আহতরা হলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা রোমান, জাফর, মিলন, মোহিম, সিরাজ ও লালন। হামলাকারীরা উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক এমপি ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিনের বাড়ির দরজা-জানালা ভাংচুর করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে জেলার কচুয়া উপজেলা জামায়াতের একটি ঘরোয়া বৈঠক চলাকালে সেখানে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতিসহ জামায়াতের ১০/১২ নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে উপজেলা শিবির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মোস্তফা কামাল, নূরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। এ সময় হামলাকারীরা সেখানে জামায়াতের অফিস, মোটরসাইকেল ভাংচুর, অর্থ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই সময় কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। জেলা বিএনপির সেক্রেটারি আলী রেজা বাবুসহ ছাত্রদল নেতা সাঈদ, মহিউদ্দিন, নাদিম, মোস্তাফিজ, জুয়েল ও অনন্ত আহত হন। জামায়াত নেতারা জানান, ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি সুজন দিহিদার, সুমন শিকদার ও মাহফুজের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। তারা এই নারকীয় ঘটনার নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবি করেন।
অপরদিকে জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে আওয়ামী যুবলীগের কতিপয় কর্মীর হামলায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৫/৬ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী আহত হন। আহতরা হলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা রোমান, জাফর, মিলন, মোহিম, সিরাজ ও লালন। হামলাকারীরা উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক এমপি ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিনের বাড়ির দরজা-জানালা ভাংচুর করে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


