Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ০২ জানুয়ারি ২০১০, ১৯ পৌষ ১৪১৬, ১৫ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত কাউয়াদীঘি হাওর

আউয়াল কালাম বেগ রাজনগর (মৌলভীবাজার)
রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসছে। হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এসে কাউয়াদীঘির হাওরের আওয়াবিল, চারুবিল, কাপনিবিলে জড়ো হয়। এ সুযোগে একশ্রেণীর পাখি শিকারি তত্পর হয়ে ওঠে। ফাঁদজাল, কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে বন্দুক, এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকারে মেতে ওঠে। বছরের এ মৌসুমে খাবারের সন্ধানে নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বের শীতপ্রধান ও বরফবহুল অঞ্চল সোভিয়েত রাশিয়া, সাইবেরিয়া, উত্তর মেরু, হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি এলাকা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আসে এ দেশে। হাওর কাউয়াদীঘির বিল আর ঝিলের কচুরিপানা-জলাশয় আর জলজউদ্ভিদ পাখ-পাখালির কলতানে মুখর হয়ে ওঠে। এসব পাখির মধ্যে রয়েছে বালিহাঁস, লেঞ্জা, সরালি ও বক জাতীয় পাখি। শীত শেষে এরা আবার চলে যায়। সবাই আবার যেতে পারে না। বাংলাদেশে এসব পাখিকে অতিথি পাখি বলে। ভোর হওয়ার আগেই অধিকাংশ পাখি আকাশ মাতিয়ে গন্তব্যে চলে যায়। কিছু কিছু অতিথি পাখি নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল পর্যন্ত এ দেশে অবস্থান করে। ফাঁদজাল বা কারেন্ট জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে এসব পাখি শিকারের পর ফেরি করে বাজারে বিক্রি করা হয়। প্রতিটি পাখির দাম ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হয়। ২০০৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শিকারিরা কাউয়াদীঘি হাওরে ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে হাজার হাজার অতিথি পাখি নিধন করে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?