Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ০২ জানুয়ারি ২০১০, ১৯ পৌষ ১৪১৬, ১৫ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

খবরের কাগজের বন্ধু কুলাউড়ার হিরা ভাইয়ের গল্প...

চৌধুরী আবু সাঈদ ফুয়াদ কুলাউড়া
হালকা-পাতলা গায়ের গড়ন। ঘুমের সময়টুকু বাদ দিয়ে বাকি সময় পানের রসে ভরা থাকে মুখ। বিনয় আর আনুগত্যই যেন তার সম্বল। কুলাউড়া জংশন স্টেশন বুক স্টলের হিরা বললেই কুলাউড়ার সব শ্রেণীর মানুষ তাকে এক নামেই চেনেন হিরা মিয়া। তার বয়স ৫০ পেরিয়েছে ৬ বছর আগে। গ্রামের বাড়ি কাদিপুর ইউনিয়নের গুপ্তগ্রামে। বাবা মৃত ফজলু মিয়া। মা দুলবী বিবি। টানাটানির সংসার। পাঠশালা শেষ করেই সেই প্রাচীন বনেদী রেল বুকস্টলে হকার হিসেবে যোগ দেন হিরা মিয়া। বুকস্টলের মালিক আবদুল মতিন চৌধুরী হিরা মিয়াকে যত্ন-ভালোবাসায় একজন পত্রিকার সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলেন। কর্তব্যনিষ্ঠা, বিনয় আর অনুগত্য দিয়ে হিরা মিয়া ১০ বছর হকারের দায়িত্ব চালিয়ে পরে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ৩৩ বছর ম্যানেজারের দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। ১৯৬৭ সালে তিনি রেলওয়ে বুকস্টলে যোগ দেন। ১৯৭৬ সালে দায়িত্ব নেন ম্যানেজার হিসেবে। সব মিলিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর পত্রিকার এক দুর্দান্ত রানার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। রেলওয়ে বুকস্টলের আড্ডার ফাঁকে আমার দেশকে হিরা ভাই বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর খবরের কাগজ আমার সন্তানতুল্য হয়ে উঠেছে। জীবনের বেশির ভাগ সময় আমার পার হয়েছে রেল স্টেশনে। ১৯৬৭ সালে চা বাগানের সাহেব ও কুলাউড়ার নির্দিষ্ট কিছু মানুষের হাতে পৌঁছে দিতাম করাচি থেকে আসা ডন পত্রিকা, পাকিস্তান অবজারভার, মর্নিং নিউজ। এরপর দৈনিক আজাদ, ইত্তেফাক, রিডার ডাইজেস্টের মতো স্বনামধন্য পত্রিকাগুলো। তখনকার দিনে উল্কা নামে একটি ট্রেনে রাতের বেলায় কুলাউড়ায় এসে খবরের কাগজ পৌঁছাত। পরদিন বিলি হতো অর্থাত্ পত্রিকা বের হওয়ার একদিন পর পাঠকের হাতে যেত। গ্রাহক ছিলেন খুবই কম।
আমার দেশ সম্পর্কে হিরা ভাই বলেন, পত্রিকাটি দিনে দিনে আলোচিত ও পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠছে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?