বড়াইগ্রামের ৭৭ গ্রামপুলিশের মানবেতর জীবনযাপন
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গ্রামপুলিশ সদস্যরা আর্থিক অভাব-অনটনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। মাস শেষে যে বেতন পান তা দিয়ে এক সপ্তাহের ব্যয়ও মেটে না। তাই বেতন বৃদ্ধি, চাকরি জাতীয়করণ ও অবসরভাতা প্রদানসহ আট দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বড়াইগ্রাম উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ৭ দফাদারসহ মোট ৭০ গ্রামপুলিশ সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে চৌকিদার ও প্রতি ইউনিয়নের ৯ চৌকিদারকে পরিচালনার জন্য একজন করে দফাদার কর্মরত রয়েছেন। চৌকিদাররা মাসে ১৪০০ টাকা এবং দফাদাররা মাসে ১৬০০ টাকা বেতন পান। চৌকিদারদের বেতনের ৭৫০ টাকা সরকারিভাবে এবং ৬৫০ টাকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়। দফাদারদের বেতনের এক হাজার টাকা সরকারিভাবে এবং ৬শ’ টাকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়। তাদের প্রাপ্য এ বেতনে সারা মাস তো দূরের কথা, এক সপ্তাহের চাহিদাই পূরণ হয় না। আবার সারাদিন এ দায়িত্ব পালন শেষে অন্য কোনো কাজও তারা করতে পারেন না। ফলে মাসের বেশি সময়ই তাদের অনাহারে-অর্ধাহারে কাটাতে হয়। চৌকিদার মজিবুর রহমান জানান, আমরা সারা মাস চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নির্দেশ পালন করি। তাদের ফাই-ফরমাশ খাটি। কিন্তু যে পরিমাণ বেতন পাই তা দিয়ে বউ-ছেলেমেয়েদের ঠিকমত খেতে দিতেই পারি না। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া বেতনের অংশ প্রায়ই বাকি থাকে বলে তিনি জানান।
বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আরশেদ আলী জানান, আমরা, গ্রামপুলিশের সদস্যরা, রাত জেগে গ্রাম পাহারা দেয়া, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নির্দেশ পালন, অপরাধ চিহ্নিতকরণ ও তথ্য প্রদান, জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রিকরণ, রাজস্ব আদায়, যৌতুক, বাল্যবিয়ে সম্পর্কে তথ্যপ্রদান, রিলিফ বণ্টনসহ নানা রকম কাজ করে থাকি। কিন্ত মাস শেষে যে বেতন পাই তা দিয়ে আমাদের খাদ্যের চাহিদাই পূরণ হয় না। বর্তমানে একজন দিনমজুর প্রতিদিন ১২০-১৫০ টাকা মজুরি পায়। অথচ আমরা প্রতিদিন ৪০-৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করি। চাকুরি শেষে যখন অবসরে যাই, তখন খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয় বলে সন্তানদের গলগ্রহ হয়ে বেঁচে থাকতে হয়। এ কারণে দেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরাও ৮ দফা আন্দোলনে নেমেছি।
চান্দাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান জিন্নাহ বলেন, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী তাদের বেতন একেবারেই নগণ্য। আমরা তাদের বেতন বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন দফতরে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বড়াইগ্রাম উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ৭ দফাদারসহ মোট ৭০ গ্রামপুলিশ সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে চৌকিদার ও প্রতি ইউনিয়নের ৯ চৌকিদারকে পরিচালনার জন্য একজন করে দফাদার কর্মরত রয়েছেন। চৌকিদাররা মাসে ১৪০০ টাকা এবং দফাদাররা মাসে ১৬০০ টাকা বেতন পান। চৌকিদারদের বেতনের ৭৫০ টাকা সরকারিভাবে এবং ৬৫০ টাকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়। দফাদারদের বেতনের এক হাজার টাকা সরকারিভাবে এবং ৬শ’ টাকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়। তাদের প্রাপ্য এ বেতনে সারা মাস তো দূরের কথা, এক সপ্তাহের চাহিদাই পূরণ হয় না। আবার সারাদিন এ দায়িত্ব পালন শেষে অন্য কোনো কাজও তারা করতে পারেন না। ফলে মাসের বেশি সময়ই তাদের অনাহারে-অর্ধাহারে কাটাতে হয়। চৌকিদার মজিবুর রহমান জানান, আমরা সারা মাস চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নির্দেশ পালন করি। তাদের ফাই-ফরমাশ খাটি। কিন্তু যে পরিমাণ বেতন পাই তা দিয়ে বউ-ছেলেমেয়েদের ঠিকমত খেতে দিতেই পারি না। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া বেতনের অংশ প্রায়ই বাকি থাকে বলে তিনি জানান।
বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আরশেদ আলী জানান, আমরা, গ্রামপুলিশের সদস্যরা, রাত জেগে গ্রাম পাহারা দেয়া, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নির্দেশ পালন, অপরাধ চিহ্নিতকরণ ও তথ্য প্রদান, জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রিকরণ, রাজস্ব আদায়, যৌতুক, বাল্যবিয়ে সম্পর্কে তথ্যপ্রদান, রিলিফ বণ্টনসহ নানা রকম কাজ করে থাকি। কিন্ত মাস শেষে যে বেতন পাই তা দিয়ে আমাদের খাদ্যের চাহিদাই পূরণ হয় না। বর্তমানে একজন দিনমজুর প্রতিদিন ১২০-১৫০ টাকা মজুরি পায়। অথচ আমরা প্রতিদিন ৪০-৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করি। চাকুরি শেষে যখন অবসরে যাই, তখন খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয় বলে সন্তানদের গলগ্রহ হয়ে বেঁচে থাকতে হয়। এ কারণে দেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরাও ৮ দফা আন্দোলনে নেমেছি।
চান্দাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান জিন্নাহ বলেন, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী তাদের বেতন একেবারেই নগণ্য। আমরা তাদের বেতন বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন দফতরে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরব।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


