গ্যাস সঙ্কট : যমুনা সার কারখানা বন্ধ
ইউসুফ আলী জামালপুর
গ্যাস সঙ্কটে যমুনা সার কারখানার উত্পাদন গতকাল গভীর রাতে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে প্রতিদিন উত্পাদন ঘাটতি হচ্ছে ১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে সারের সর্বোচ্চ চাহিদার ইরি-বোরো মৌসুম। ঘাটতি মোকাবিলায় জরুরি আগাম ব্যবস্থা না নিলে সরকারকে তীব্র সার সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যমুনা সারকারখানার দৈনিক উত্পাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন। এই পরিমাণ সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে ৩৭০ পিএস, আইজি চাপে ৪৬.০ এমএম সিএফডি গ্যাস। কিন্তু প্রায় ১ বছর ধরে এই চাহিদার বিপরীতে ৫০ থেকে ৭০ ভাগের বেশি সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দৈনিক উত্পাদন ঘাটতি হয়ে আসছিল ৩শ’ থেকে ৫শ’ মেট্রিক টন সার। কারখানা চালু রাখার জন্য ন্যূনতম গ্যাস সরবরাহ না থাকায় গত বুধবার গভীর রাতে দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া উত্পাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
দেশের ৬টি সারকারখার মধ্যে ৩টির উত্পাদন এ বছরের বিভিন্ন সময় গ্যাস সঙ্কটের কারণে বন্ধ রাখা হয়। গ্যাস সঙ্কটে উত্পাদন হ্রাস ও বন্ধ থাকায় এ বছর ৬টি কারখানায় উত্পাদন হবে ১৪ থেকে ১৬ লাখ মেট্রিক টন। দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় বছরে সাড়ে ২৮ লাখ মেট্রিক টন। দেশের ৬টি সারকারখানায় প্রতি বছর উত্পাদন হয় ১৮ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন সার। বাদবাকি ৮ থেকে ১০ লাখ মেট্রিক টন বিদেশ থেকে উচ্চ মূল্যে আমদানি করতে হয়। এ বছর তার সঙ্গে যোগ হবে আরও প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন। ফলে সরকারকে আমদানি খাতে এ বছর অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা গুনতে হবে। যমুনা সারকারখানা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর ও ময়সনসিংহসহ ২০ জেলায় সার সরবরাহ করা হয়। গতকাল থেকে সারের পিক সিজন শুরু হলেও বর্তমানে যমুনায় মজুত রয়েছে মাত্র ২৭ হাজার ৪শ’ মেট্রিক টন। পিক সিজনে এই ২০ জেলায় জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ—এই ৩ মাসে সারের চাহিদা থাকে ১ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন। এ বিপুল পরিমাণ ঘাটতি মোকাবিলায় জরুরি আগাম ব্যবস্থা না নিলে সরকারকে তীব্র সার সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে। যমুনা সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসানুজ্জামান দৈনিক আমার দেশকে বলেন, গ্যাস সঙ্কটের কারণে গতকাল রাত ১২টা থেকে উত্পাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।
যমুনা সারকারখানার দৈনিক উত্পাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন। এই পরিমাণ সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে ৩৭০ পিএস, আইজি চাপে ৪৬.০ এমএম সিএফডি গ্যাস। কিন্তু প্রায় ১ বছর ধরে এই চাহিদার বিপরীতে ৫০ থেকে ৭০ ভাগের বেশি সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দৈনিক উত্পাদন ঘাটতি হয়ে আসছিল ৩শ’ থেকে ৫শ’ মেট্রিক টন সার। কারখানা চালু রাখার জন্য ন্যূনতম গ্যাস সরবরাহ না থাকায় গত বুধবার গভীর রাতে দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া উত্পাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
দেশের ৬টি সারকারখার মধ্যে ৩টির উত্পাদন এ বছরের বিভিন্ন সময় গ্যাস সঙ্কটের কারণে বন্ধ রাখা হয়। গ্যাস সঙ্কটে উত্পাদন হ্রাস ও বন্ধ থাকায় এ বছর ৬টি কারখানায় উত্পাদন হবে ১৪ থেকে ১৬ লাখ মেট্রিক টন। দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় বছরে সাড়ে ২৮ লাখ মেট্রিক টন। দেশের ৬টি সারকারখানায় প্রতি বছর উত্পাদন হয় ১৮ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন সার। বাদবাকি ৮ থেকে ১০ লাখ মেট্রিক টন বিদেশ থেকে উচ্চ মূল্যে আমদানি করতে হয়। এ বছর তার সঙ্গে যোগ হবে আরও প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন। ফলে সরকারকে আমদানি খাতে এ বছর অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা গুনতে হবে। যমুনা সারকারখানা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর ও ময়সনসিংহসহ ২০ জেলায় সার সরবরাহ করা হয়। গতকাল থেকে সারের পিক সিজন শুরু হলেও বর্তমানে যমুনায় মজুত রয়েছে মাত্র ২৭ হাজার ৪শ’ মেট্রিক টন। পিক সিজনে এই ২০ জেলায় জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ—এই ৩ মাসে সারের চাহিদা থাকে ১ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন। এ বিপুল পরিমাণ ঘাটতি মোকাবিলায় জরুরি আগাম ব্যবস্থা না নিলে সরকারকে তীব্র সার সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে। যমুনা সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসানুজ্জামান দৈনিক আমার দেশকে বলেন, গ্যাস সঙ্কটের কারণে গতকাল রাত ১২টা থেকে উত্পাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


