রাঙ্গুনিয়ায় অবৈধ ইটভাটা প্রতিবাদকারী আংগুরা বেগমের বিরুদ্ধে আ’লীগ নেতার চাঁদাবাজি মামলা
চট্টগ্রাম ব্যুরো
রাঙ্গুনিয়ায় অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা নির্মাণের প্রতিবাদকারী আংগুরা বেগমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে। উপজেলার ১৪ নম্বর দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর পাহাড় সংলগ্ন কৃষিজমিতে ইটভাটা নির্মাণকারী তাজুল ইসলাম, আব্বাস উদ্দিন চৌধুরী ও খোকন কান্তি পালের বিরুদ্ধে এর আগে চট্টগ্রামের পরিবেশ আদালতে মামলাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করা হয়। আংগুরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ইটভাটা নির্মাণের বিরুদ্ধে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন স্থানে আবেদন করায় তাজুল ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান সিকদার স্বামী-সন্তানসহ তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনেছে রাঙ্গুনিয়া থানায়।
পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বরাবর অভিযোগ করা হলে মন্ত্রী গত ৪ ডিসেম্বর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালককে নির্দেশ দেন। একই অভিযোগ করা হয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর। অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা নির্মাণের বিরুদ্ধে ২১ জুলাই ২০০৯ এএম হাসনাত, তাজুল ইসলাম, খোকন কান্তি পালসহ অজ্ঞাত আরও ২ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রামের পরিচালক, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পর এএম হাসনাত ইটভাটা নির্মাণ থেকে সরে যান। অন্য ব্যক্তিরা এখনও ইটভাটা স্থাপনের তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক আবদুস সোবহান বলেন, আংগুরা বেগম যে ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সেটির ব্যাপারে এখনও পরিবেশ অধিদফতর থেকে কোনো ছাড়পত্র দেয়া হয়নি। সরকারি আইন অনুসরণ করতে গেলে চট্টগ্রামের কোথাও কোনো ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না বলে তিনি জানান।
পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বরাবর অভিযোগ করা হলে মন্ত্রী গত ৪ ডিসেম্বর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালককে নির্দেশ দেন। একই অভিযোগ করা হয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর। অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা নির্মাণের বিরুদ্ধে ২১ জুলাই ২০০৯ এএম হাসনাত, তাজুল ইসলাম, খোকন কান্তি পালসহ অজ্ঞাত আরও ২ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রামের পরিচালক, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পর এএম হাসনাত ইটভাটা নির্মাণ থেকে সরে যান। অন্য ব্যক্তিরা এখনও ইটভাটা স্থাপনের তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক আবদুস সোবহান বলেন, আংগুরা বেগম যে ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সেটির ব্যাপারে এখনও পরিবেশ অধিদফতর থেকে কোনো ছাড়পত্র দেয়া হয়নি। সরকারি আইন অনুসরণ করতে গেলে চট্টগ্রামের কোথাও কোনো ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না বলে তিনি জানান।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


