ঝিনাইদহের মিষ্টি পানের কদর বিদেশেও
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
পান রফতানি করে ঝিনাইদহের কৃষকরা বছরে ২০ কোটিরও বেশি টাকা আয় করছেন। ঝিনাইদহের সুস্বাদু মিষ্টি পান সৌদি আরব, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫টি দেশে রফতানি হচ্ছে। লন্ডন এবং আমেরিকায়ও কদর রয়েছে এই পানের। সম্ভাবনাময় পান চাষে সারসহ আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে পারলে বছরে এই খাত থেকে শুধু ঝিনাইদহ জেলার কৃষকরা ৫০ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন পান চাষীরা।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলা সদরসহ হরিণাকুণ্ডু ও কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় দু’হাজার হেক্টর জমিতে পান চাষ হচ্ছে। পান চাষ করে গত দু’বছরে কৃষকরা দামও পাচ্ছেন ভালো। হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া, ভবানীপুর, ভায়না, বৈঠাপাড়া, শিতলী, জোড়াপুকুর, মান্দারতলা, কাদিখালী, দখলপুর, পাবর্তীপুর, নারায়ণকান্দিসহ শতাধিক গ্রামের মাঠজুড়ে শুধুই পানের বরজ। কালীগঞ্জ উপজেলায় দিনের পর দিন পান চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দাম ভালো পাওয়ায় খৈল, বাঁশ, পাটকাঠি, খড় ও জিগা গাছের দাম বৃদ্ধির পরও কৃষকরা পান চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। কয়েক বছর আগে পানের গোড়া পচা রোগে মাঠের পর মাঠ পান ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। সেই ধকল সামলে কৃষকরা আবারও ওঠে দাঁড়িয়েছেন।
কাপাশহাটিয়া গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দীন জানান, পান চাষে জমিতে প্রচুর পরিমাণ খৈল লাগে। কিন্তু খৈলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাষ ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া ঠিকমত পান চাষীরা সার পায় না। ধানের জন্য সার বরাদ্দ হলেও পানের জন্য হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা সার পাচ্ছেন না বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
কৃষকরা জানান, ঝিনাইদহ অঞ্চলে মিঠা জাতের পান উত্পাদিত হয় বলে এই পানের কদর শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও রয়েছে। ঝিনাইদহের বাজারগুলো থেকে পান কিনে ঢাকার ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে প্যাকেট করে বিদেশে রফতানি করে থাকে। কৃষকদের মতে, ঝিনাইদহে উত্পাদিত পানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এই পান মিষ্টি এবং খেতে সুস্বাদু। অন্য অঞ্চলের পানে রয়েছে ঝাঁজ। হরিণাকুণ্ডুর ভবানীপুর, পার্বতীপুর ও ভায়না বাজার থেকে প্রতিদিন ২৫/৩০ ট্রাক পান ঢাকায় রফতানি হয়। সিলেট অঞ্চলে ঝিনাইদহের পানের বিরাট বাজার রয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, পান চাষে সারসহ আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে পারলে বছরে এই খাত থেকে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারতেন।
এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবদুল কাদের সরকার জানান, ঝিনাইদহের পান চাষে তারা সম্ভাব্য সবরকমের প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছেন কৃষকদের। কৃষকরা যাতে সবরকম সার পান সে ব্যাপারে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলা সদরসহ হরিণাকুণ্ডু ও কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় দু’হাজার হেক্টর জমিতে পান চাষ হচ্ছে। পান চাষ করে গত দু’বছরে কৃষকরা দামও পাচ্ছেন ভালো। হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া, ভবানীপুর, ভায়না, বৈঠাপাড়া, শিতলী, জোড়াপুকুর, মান্দারতলা, কাদিখালী, দখলপুর, পাবর্তীপুর, নারায়ণকান্দিসহ শতাধিক গ্রামের মাঠজুড়ে শুধুই পানের বরজ। কালীগঞ্জ উপজেলায় দিনের পর দিন পান চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দাম ভালো পাওয়ায় খৈল, বাঁশ, পাটকাঠি, খড় ও জিগা গাছের দাম বৃদ্ধির পরও কৃষকরা পান চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। কয়েক বছর আগে পানের গোড়া পচা রোগে মাঠের পর মাঠ পান ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। সেই ধকল সামলে কৃষকরা আবারও ওঠে দাঁড়িয়েছেন।
কাপাশহাটিয়া গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দীন জানান, পান চাষে জমিতে প্রচুর পরিমাণ খৈল লাগে। কিন্তু খৈলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাষ ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া ঠিকমত পান চাষীরা সার পায় না। ধানের জন্য সার বরাদ্দ হলেও পানের জন্য হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা সার পাচ্ছেন না বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
কৃষকরা জানান, ঝিনাইদহ অঞ্চলে মিঠা জাতের পান উত্পাদিত হয় বলে এই পানের কদর শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও রয়েছে। ঝিনাইদহের বাজারগুলো থেকে পান কিনে ঢাকার ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে প্যাকেট করে বিদেশে রফতানি করে থাকে। কৃষকদের মতে, ঝিনাইদহে উত্পাদিত পানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এই পান মিষ্টি এবং খেতে সুস্বাদু। অন্য অঞ্চলের পানে রয়েছে ঝাঁজ। হরিণাকুণ্ডুর ভবানীপুর, পার্বতীপুর ও ভায়না বাজার থেকে প্রতিদিন ২৫/৩০ ট্রাক পান ঢাকায় রফতানি হয়। সিলেট অঞ্চলে ঝিনাইদহের পানের বিরাট বাজার রয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, পান চাষে সারসহ আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে পারলে বছরে এই খাত থেকে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারতেন।
এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবদুল কাদের সরকার জানান, ঝিনাইদহের পান চাষে তারা সম্ভাব্য সবরকমের প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছেন কৃষকদের। কৃষকরা যাতে সবরকম সার পান সে ব্যাপারে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


