কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ইউনিটের ৯০ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ নষ্ট
কাপ্তাই প্রতিনিধি
স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফআইডিসি) আওতাধীন কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ইউনিট ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের (পিএসও) প্রায় ৯০ কোটি টাকার মূল্যবান যন্ত্রাংশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানের কাপ্তাই ও বাঘাইহাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব যন্ত্রাংশ পড়ে আছে বছরের পর বছর। দীর্ঘ ৬ বছরেও এসব মূল্যবান যন্ত্রাংশ কী করা হবে এবং বন্ধ ঘোষিত ইউনিটের ভবিষ্যত্ নিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় কোটি কোটি টাকা মূল্যের এসব মালামালের অধিকাংশ চুরি হয়ে গেছে।
বিএফআইডিসির আওতাধীন অন্যান্য প্রকল্পের সঙ্গে ১৯৬০ সালে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ মহাপ্রকল্প প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরুতেই এই প্রকল্পের বার্ষিক কাঠ আহরণ ক্ষমতা ছিল ২০ লাখ ঘনফুট। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চাহিদা অনুযায়ী কাঠ পাওয়ায় প্রকল্পটি অত্যন্ত লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পরে চাহিদা অনুযায়ী গাছ আহরণী কূপ না পাওয়ায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার কথা বলে তত্কালীন সরকার ১৯৮৯-১৯৯২ সাল পর্যন্ত গাছ কাটা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে ইউনিটটি মারাত্মক অর্থ সঙ্কটে পড়ে। কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য মতে, ১৯৯৩ সাল থেকে পুনরায় সীমিত আকারে কাঠ বরাদ্দ দিলেও তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। স্বল্প পরিমাণ কাঠ দিয়ে প্রকল্প চালাতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আরও বেশি লোকসানে পড়ে। ফলে বিগত সরকার মার্চ ২০০৩ ও ২০০৫ সালে পে-অফের মাধ্যমে কাপ্তাইয়ের ২টি ইউনিট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ঘোষণা করে। দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা প্রকল্পের ৯০ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ ও সচল যানবাহনগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় অবকাঠামো এখন পরিত্যক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী। বন্ধ হওয়ার পর প্রকল্পের যেসব মালামাল ও যন্ত্রাংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সেগুলোর মধ্যে রাশিয়ার তৈরি ১২টি মূল্যবান কাটারবিলার ডিটি ট্রাক্টর, ১৬টি ট্রাক, ১৩টি ক্রেন, বুলডোজার, কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিন ইত্যাদি। ইউনিট বন্ধের আগে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আনা বিপুল পরিমাণ খূচরা যন্ত্রাংশও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব খুচরা যন্ত্রাংশ একদিনের জন্যও ব্যবহার করা হয়নি।
কাপ্তাইয়ে বিএফআইডিসির অপর সচল প্রতিষ্ঠান লাম্বার প্রসেসিং কমপ্লেক্সের (এলপিসি) সহ-ব্যবস্থাপক আবদুল ওহাবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বন্ধ হওয়া কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ইউনিটের যেসব মূল্যবান মালামাল পড়ে আছে সেগুলোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লেখালিখি করা হয়েছে। তবে পরিত্যক্ত এসব মালামাল কী করা হবে সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা যন্ত্রাংশের মূল্য ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকা হতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান।
বিএফআইডিসির আওতাধীন অন্যান্য প্রকল্পের সঙ্গে ১৯৬০ সালে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ মহাপ্রকল্প প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরুতেই এই প্রকল্পের বার্ষিক কাঠ আহরণ ক্ষমতা ছিল ২০ লাখ ঘনফুট। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চাহিদা অনুযায়ী কাঠ পাওয়ায় প্রকল্পটি অত্যন্ত লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পরে চাহিদা অনুযায়ী গাছ আহরণী কূপ না পাওয়ায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার কথা বলে তত্কালীন সরকার ১৯৮৯-১৯৯২ সাল পর্যন্ত গাছ কাটা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে ইউনিটটি মারাত্মক অর্থ সঙ্কটে পড়ে। কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য মতে, ১৯৯৩ সাল থেকে পুনরায় সীমিত আকারে কাঠ বরাদ্দ দিলেও তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। স্বল্প পরিমাণ কাঠ দিয়ে প্রকল্প চালাতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আরও বেশি লোকসানে পড়ে। ফলে বিগত সরকার মার্চ ২০০৩ ও ২০০৫ সালে পে-অফের মাধ্যমে কাপ্তাইয়ের ২টি ইউনিট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ঘোষণা করে। দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা প্রকল্পের ৯০ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ ও সচল যানবাহনগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় অবকাঠামো এখন পরিত্যক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী। বন্ধ হওয়ার পর প্রকল্পের যেসব মালামাল ও যন্ত্রাংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সেগুলোর মধ্যে রাশিয়ার তৈরি ১২টি মূল্যবান কাটারবিলার ডিটি ট্রাক্টর, ১৬টি ট্রাক, ১৩টি ক্রেন, বুলডোজার, কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিন ইত্যাদি। ইউনিট বন্ধের আগে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আনা বিপুল পরিমাণ খূচরা যন্ত্রাংশও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব খুচরা যন্ত্রাংশ একদিনের জন্যও ব্যবহার করা হয়নি।
কাপ্তাইয়ে বিএফআইডিসির অপর সচল প্রতিষ্ঠান লাম্বার প্রসেসিং কমপ্লেক্সের (এলপিসি) সহ-ব্যবস্থাপক আবদুল ওহাবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বন্ধ হওয়া কর্ণফুলী কাঠ আহরণ ইউনিটের যেসব মূল্যবান মালামাল পড়ে আছে সেগুলোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লেখালিখি করা হয়েছে। তবে পরিত্যক্ত এসব মালামাল কী করা হবে সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা যন্ত্রাংশের মূল্য ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকা হতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


