মিরসরাইয়ে কার্পেটিংয়ের দুদিন পরে ধসে পড়েছে একটি সড়ক
মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে একটি গ্রামীণ সড়ক কার্পেটিংয়ের দুদিন পরই ধসে পড়ছে। এলাকাবাসীর বাধার মুখেও রাতের আঁঁধারে সড়কে কার্পেটিং কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। নির্মাণ কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কে ফাটল ধরেছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে জানা গেছে, ২৫ ডিসেম্বর উপজেলার ৮ নম্বর দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর বাজারের উত্তর দিকে এম কে মজুমদার সড়ক কার্পেটিং করে নোয়াখালীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সূচনা ট্রেডার্স। ১২শ মিটারের এ সড়কটি এলাকাবাসীর যাতায়াতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে এর কার্পেটিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। তড়িগড়ি করে রাতের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়। এলাকার বাসিন্দা রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওবায়েদ হোসেন , আবুল কাশেমসহ এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সড়কের কাজ শেষ হওয়ার দুদিনের মাথায় এমন অবস্থা হয়েছে যে সড়কের ওপর পানি পড়লে তা ফেটে গর্ত হয়ে যাচ্ছে। আগামী বর্ষা মৌসুমে এ সড়কের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে। কার্পেটিংয়ের দুইদিন না যেতেই সড়কের পাশ ভেঙ্গে পড়ছে পাশ্ববর্তী পুকুর ও জমিতে। সড়কের ওপর থেকে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। উপজেলা এলজিইিডি সূত্র জানায়, ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সড়কের কার্পেটিং শুরু হয়। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম এলাকাবাসীর অভিযোগে সড়ক পরিদর্শন করেছেন। তিনি কাজে অনিয়মের কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরূদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন জানান, ১২ লাখ টাকা বরাদ্ধ অনুযায়ী তিনি কাজ শেষ করেছেন। তবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং রাতের বেলায় কাজ করার কথা তিনি অস্বীকার করেন। সড়কের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।
সরেজমিনে জানা গেছে, ২৫ ডিসেম্বর উপজেলার ৮ নম্বর দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর বাজারের উত্তর দিকে এম কে মজুমদার সড়ক কার্পেটিং করে নোয়াখালীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সূচনা ট্রেডার্স। ১২শ মিটারের এ সড়কটি এলাকাবাসীর যাতায়াতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে এর কার্পেটিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। তড়িগড়ি করে রাতের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়। এলাকার বাসিন্দা রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওবায়েদ হোসেন , আবুল কাশেমসহ এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সড়কের কাজ শেষ হওয়ার দুদিনের মাথায় এমন অবস্থা হয়েছে যে সড়কের ওপর পানি পড়লে তা ফেটে গর্ত হয়ে যাচ্ছে। আগামী বর্ষা মৌসুমে এ সড়কের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে। কার্পেটিংয়ের দুইদিন না যেতেই সড়কের পাশ ভেঙ্গে পড়ছে পাশ্ববর্তী পুকুর ও জমিতে। সড়কের ওপর থেকে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। উপজেলা এলজিইিডি সূত্র জানায়, ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সড়কের কার্পেটিং শুরু হয়। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম এলাকাবাসীর অভিযোগে সড়ক পরিদর্শন করেছেন। তিনি কাজে অনিয়মের কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরূদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন জানান, ১২ লাখ টাকা বরাদ্ধ অনুযায়ী তিনি কাজ শেষ করেছেন। তবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং রাতের বেলায় কাজ করার কথা তিনি অস্বীকার করেন। সড়কের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


